রাজনীতি ও বিনোদন জগতের যুগপৎ সমীকরণে নতুন করে সরগরম হয়ে উঠেছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন। বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।
এর ফলে তার শূন্য হতে যাওয়া ঠাকুরগাঁও-১ (ঠাকুরগাঁও সদর) আসনে উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘আলোচনার’ জন্ম দিয়েছেন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম।
কোনো আনুষ্ঠানিক তফশিল কিংবা উপ-নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন হিরো আলম।
নিজের এই নতুন সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম বলেন, "আপনারা জানেন আমি কিছুদিন আগে সাতক্ষীরার একটি আসন থেকে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিলাম। তখন তো আর জানতাম না, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের আসনটি ফাঁকা হবে। জানলে আমি সাতক্ষীরায় প্রার্থী হতাম না। কারণ আমার এলাকার লোকজন বলছেন আমি বগুড়ার ছেলে, আমি যেন উত্তরাঞ্চলেই থাকি।"
আসন নির্বাচনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি আরও যোগ করেন, "এই চিন্তা থেকেই আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রার্থী হবো।"
হিরো আলম সাফ জানিয়ে দেন, কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যানারে নয়, বরং আগের মতোই এবারও সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই ভোটে লড়বেন তিনি।
ইতোমধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, মনোনয়নপত্র জমা ও তা যাচাই-বাছাইয়ের সময়সূচি নির্বাচন কমিশনের ওপরই নির্ভর করছে। ফলে কমিশন নির্ধারিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর চূড়ান্ত হবে হিরো আলমের প্রার্থিতা।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
রাজনীতি ও বিনোদন জগতের যুগপৎ সমীকরণে নতুন করে সরগরম হয়ে উঠেছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন। বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।
এর ফলে তার শূন্য হতে যাওয়া ঠাকুরগাঁও-১ (ঠাকুরগাঁও সদর) আসনে উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘আলোচনার’ জন্ম দিয়েছেন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম।
কোনো আনুষ্ঠানিক তফশিল কিংবা উপ-নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন হিরো আলম।
নিজের এই নতুন সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম বলেন, "আপনারা জানেন আমি কিছুদিন আগে সাতক্ষীরার একটি আসন থেকে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিলাম। তখন তো আর জানতাম না, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের আসনটি ফাঁকা হবে। জানলে আমি সাতক্ষীরায় প্রার্থী হতাম না। কারণ আমার এলাকার লোকজন বলছেন আমি বগুড়ার ছেলে, আমি যেন উত্তরাঞ্চলেই থাকি।"
আসন নির্বাচনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি আরও যোগ করেন, "এই চিন্তা থেকেই আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রার্থী হবো।"
হিরো আলম সাফ জানিয়ে দেন, কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যানারে নয়, বরং আগের মতোই এবারও সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই ভোটে লড়বেন তিনি।
ইতোমধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, মনোনয়নপত্র জমা ও তা যাচাই-বাছাইয়ের সময়সূচি নির্বাচন কমিশনের ওপরই নির্ভর করছে। ফলে কমিশন নির্ধারিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর চূড়ান্ত হবে হিরো আলমের প্রার্থিতা।

আপনার মতামত লিখুন