সংবাদ

সরাইলে নিখোঁজ সামিয়ার মরদেহ মিলল ভৈরবে


প্রতিনিধি, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)
প্রতিনিধি, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)
প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম

সরাইলে নিখোঁজ সামিয়ার মরদেহ মিলল ভৈরবে
ছবি : সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর ৯ বছরের শিশু সামিয়া আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর একটার দিকে। ভৈরব শহরের ঘোড়াকান্দা জব্বার জুট মিল সংলগ্ন মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদের মোহনা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ভৈরব নৌ পুলিশ।

নিহত সামিয়া সরাইল উপজেলার রাজাপুর উত্তরপাড়া এলাকার বাদাম বিক্রেতা ইদ্রিস মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেনের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১২ আগস্ট (বুধবার) বিকেলে পরীক্ষা শেষ করে সহপাঠীদের সঙ্গে বাড়ির পাশে মেঘনা নদীর ঘাটে গোসল করতে যায় সামিয়া। একপর্যায়ে সে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় লোক ও ডুবুরি নামিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তখন সামিয়ার সন্ধান পাননি। পরে বিষয়টি আশুগঞ্জ ও ভৈরব নৌ পুলিশকে জানানো হয়।

শোকার্ত বাবা ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘সামিয়া আমার বড় মেয়ে। বুধবার বিকেলে গোসল করতে গিয়ে ও আর ফিরে আসেনি। রোববার সকালে পুলিশের মাধ্যমে খবর পেলাম ওর মরদেহ পাওয়া গেছে।’ দুই মেয়ের মধ্যে সামিয়া ছিল সবার বড়।

ভৈরব নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, সকালে মেঘনা নদীর ত্রিব্যণী সেতু এলাকায় একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে নৌ পুলিশ গিয়ে দুপুর নাগাদ ঘোড়াকান্দা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।

ওসি আরও জানান, ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহটি বুঝে নেওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬


সরাইলে নিখোঁজ সামিয়ার মরদেহ মিলল ভৈরবে

প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর ৯ বছরের শিশু সামিয়া আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর একটার দিকে। ভৈরব শহরের ঘোড়াকান্দা জব্বার জুট মিল সংলগ্ন মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদের মোহনা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ভৈরব নৌ পুলিশ।

নিহত সামিয়া সরাইল উপজেলার রাজাপুর উত্তরপাড়া এলাকার বাদাম বিক্রেতা ইদ্রিস মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেনের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১২ আগস্ট (বুধবার) বিকেলে পরীক্ষা শেষ করে সহপাঠীদের সঙ্গে বাড়ির পাশে মেঘনা নদীর ঘাটে গোসল করতে যায় সামিয়া। একপর্যায়ে সে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় লোক ও ডুবুরি নামিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তখন সামিয়ার সন্ধান পাননি। পরে বিষয়টি আশুগঞ্জ ও ভৈরব নৌ পুলিশকে জানানো হয়।

শোকার্ত বাবা ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘সামিয়া আমার বড় মেয়ে। বুধবার বিকেলে গোসল করতে গিয়ে ও আর ফিরে আসেনি। রোববার সকালে পুলিশের মাধ্যমে খবর পেলাম ওর মরদেহ পাওয়া গেছে।’ দুই মেয়ের মধ্যে সামিয়া ছিল সবার বড়।

ভৈরব নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, সকালে মেঘনা নদীর ত্রিব্যণী সেতু এলাকায় একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে নৌ পুলিশ গিয়ে দুপুর নাগাদ ঘোড়াকান্দা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।

ওসি আরও জানান, ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহটি বুঝে নেওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত