সংবাদ

স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যা, স্বামীর ফাঁসি


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, কুমিল্লা
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, কুমিল্লা
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০৭ পিএম

স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যা, স্বামীর ফাঁসি
ছবি : সংবাদ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যার দায়ে মোহাম্মদ আজাদ নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মোহাম্মদ আজাদ চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের মো. কবির হোসেনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

আদালত ও মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৭ জুলাই রাতে পারিবারিক কলহের জেরে তিন সন্তানের জননী তানিয়া বেগমকে নৃশংসভাবে হত্যা করেন তার স্বামী আজাদ। তিনি তানিয়ার হাত ও পায়ে বৈদ্যুতিক তার জড়িয়ে শক দিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরে ঘটনাটি ‘বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা’ বলে এলাকায় প্রচার করেন।

তবে ঘটনার পর তানিয়ার মা মায়া বেগম বাদী হয়ে জামাতা আজাদের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশের তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বেরিয়ে আসে যে তানিয়াকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এনামুল হক সরকার বলেন, ‘সাক্ষীদের সাক্ষ্য, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও আনুষঙ্গিক তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। নিহতের স্বজনেরা এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আমরা দ্রুত এই রায় কার্যকরের দাবি জানাচ্ছি।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যা, স্বামীর ফাঁসি

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যার দায়ে মোহাম্মদ আজাদ নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মোহাম্মদ আজাদ চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের মো. কবির হোসেনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

আদালত ও মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৭ জুলাই রাতে পারিবারিক কলহের জেরে তিন সন্তানের জননী তানিয়া বেগমকে নৃশংসভাবে হত্যা করেন তার স্বামী আজাদ। তিনি তানিয়ার হাত ও পায়ে বৈদ্যুতিক তার জড়িয়ে শক দিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরে ঘটনাটি ‘বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা’ বলে এলাকায় প্রচার করেন।

তবে ঘটনার পর তানিয়ার মা মায়া বেগম বাদী হয়ে জামাতা আজাদের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশের তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বেরিয়ে আসে যে তানিয়াকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এনামুল হক সরকার বলেন, ‘সাক্ষীদের সাক্ষ্য, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও আনুষঙ্গিক তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। নিহতের স্বজনেরা এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আমরা দ্রুত এই রায় কার্যকরের দাবি জানাচ্ছি।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত