গান্ধী জয়ন্তীর দিনেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল। দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে মুম্বই, আর সেখান থেকে কলকাতা—দেশের একাধিক শহরে একই দিনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, এসআইআর এবং ভোটার তালিকা নিয়ে প্রতিবাদের ছবি সামনে এল। কোথাও পুলিশি বাধা ও আটক, কোথাও অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও আন্দোলনের প্রস্তুতি, আবার কোথাও বড় মিছিল—সব মিলিয়ে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই রাজপথে ছড়িয়ে পড়ছে।
দিল্লিতে যন্তর মন্তরকে ঘিরে আগে থেকেই কড়া নিরাপত্তা ছিল। জমায়েতের অনুমতি না থাকায় ব্যারিকেড তৈরি করা হয় এবং বিক্ষোভস্থলে পৌঁছনোর চেষ্টা করা আন্দোলনকারীদের আটক করে পুলিশ। অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) নেহা বোরা, রাজনৈতিক কর্মী যোগেন্দ্র যাদব, আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ, রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) সাংসদ মনোজ ঝা এবং প্রাক্তন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অতিশীসহ একাধিক পরিচিত মুখও আটক হন।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে আটক ব্যক্তির সংখ্যা কয়েকশো থেকে প্রায় ৭০০ পর্যন্ত বলা হয়েছে। এই সংখ্যার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সূত্রে পার্থক্য রয়েছে। আটক হওয়ার পরেও পুলিশি বাসের ভিতর থেকেই আন্দোলনকারীরা বক্তব্য রাখেন এবং জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো করেন।
দিল্লির এই উত্তাপের পাশাপাশি মুম্বইয়েও সিটিজেনস ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিসের (সিজেপি) নেতৃত্বে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়েছে। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক ‘জেল ভরো’ কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলনকে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। গোয়া, বেঙ্গালুরু, কলকাতা এবং রাঁচি হয়ে দিল্লির যন্তর মন্তর পর্যন্ত আন্দোলন নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।
সিজেপির অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে এসআইআর এবং ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়ার দাবি। তবে সংগঠনের দাবি করা সংখ্যাগুলোকে সরকারি চূড়ান্ত পরিসংখ্যান হিসেবে ধরে নেওয়ার আগে নির্বাচন কমিশনের তথ্যের সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন।
আর ঠিক এই আবহেই কলকাতার রাজপথেও বড়সড় প্রতিবাদ দেখা গেল। ২ অক্টোবর বামফ্রন্টের নেতৃত্বে কলকাতায় বড় মিছিল বের হয়। রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ থেকে শুরু হয়ে মিছিল এগোয় এসপ্ল্যানেডের দিকে এবং শেষ হয় মহাত্মা গান্ধীর মূর্তির পাদদেশে।
সিপিআই(এম)-এর নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্টের পাশাপাশি সিপিআই(এমএল) লিবারেশন, এসইউসিআই এবং অন্যান্য বাম দল ও গণসংগঠন এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়। মানবাধিকার ও নাগরিক সংগঠন এসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব ডেমোক্রেটিক রাইটস (এপিডিআর)-ও আন্দোলনে যোগ দেয়।
তাদের মূল দাবি—এসআইআর অবিলম্বে বন্ধ করা, অভিযোগ অনুযায়ী বাদ পড়া প্রকৃত ভোটারদের নাম পুনর্বহাল করা এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ। কলকাতার এই আন্দোলনকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক বাস্তবতা। কারণ এসআইআর নিয়ে বিতর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এই রাজ্য।
এর আগেও কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের কর্মসূচিতে বড় জমায়েত হয়েছিল এবং পুলিশ মিছিল আটকে দিয়েছিল। ফলে দিল্লি ও মুম্বইয়ের পাশাপাশি কলকাতাতেও একই ইস্যুতে ধারাবাহিক রাজনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।
অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে রাজ ঠাকরে ও উদ্ধব ঠাকরে শিবিরও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে পৃথক প্রতিবাদের পথে হাঁটছে। অর্থাৎ বিষয়টি এখন কোনো একটি সংগঠন বা একটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ছাত্র সংগঠন, নাগরিক সংগঠন, বাম দল, কংগ্রেস, এএপি, আরজেডি এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক রাজনৈতিক শক্তি নিজেদের অবস্থান থেকে প্রশ্ন তুলছে। আবার সিজেপি নিজেকে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক জোটের অংশ না বলে স্বাধীন আন্দোলন হিসেবেই তুলে ধরছে।
এই গোটা বিতর্কের পেছনে রয়েছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—নির্বাচন কমিশনের ভিতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ ছিল? কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তি নিয়ে যে বিতর্ক সামনে এসেছে, তা নিয়ে একদিকে প্রশ্ন উঠেছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো শেষ পর্যন্ত নিয়ম মেনেই এবং সর্বসম্মতভাবে নেওয়া হয়েছে। ফলে অভিযোগ ও কমিশনের ব্যাখ্যা—দুই দিকই এখন জনসমক্ষে রয়েছে।
আর এখানেই সাধারণ মানুষের প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের বক্তব্য রাখবে, আন্দোলন হবে, পাল্টা আন্দোলনও হতে পারে। কিন্তু একজন সাধারণ ভোটারের কাছে আসল প্রশ্ন—ভোটার তালিকায় তার নাম ঠিক আছে কি না, কোনো কারণে নাম বাদ গেলে তিনি কীভাবে তা জানতে পারবেন, আপত্তি জানানোর সুযোগ কতটা সহজ এবং গোটা প্রক্রিয়াটি কতটা স্বচ্ছ। কারণ নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা কেবল রাজনৈতিক দলগুলোর বিষয় নয়; এটি প্রত্যেক ভোটারের গণতান্ত্রিক অধিকারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
গান্ধী জয়ন্তীর দিনে দিল্লিতে আটক, মুম্বইয়ে আন্দোলনের সূচনা এবং কলকাতায় বড় মিছিল—তিন শহরের তিনটি ছবি এখন একই প্রশ্নকে সামনে আনছে। এসআইআর, ভোটার তালিকা এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে যে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তা কি আরও বড় নাগরিক আন্দোলনের দিকে যাবে? নাকি রাজনৈতিক প্রতিবাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে?
উত্তর দেবে আগামী দিনের রাজপথ। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে ক্ষোভ এখন আর কোনো একটি শহরের ঘটনা নয়; দিল্লি থেকে মুম্বই, মুম্বই থেকে কলকাতা—বিতর্কের পরিধি ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
গান্ধী জয়ন্তীর দিনেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল। দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে মুম্বই, আর সেখান থেকে কলকাতা—দেশের একাধিক শহরে একই দিনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, এসআইআর এবং ভোটার তালিকা নিয়ে প্রতিবাদের ছবি সামনে এল। কোথাও পুলিশি বাধা ও আটক, কোথাও অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও আন্দোলনের প্রস্তুতি, আবার কোথাও বড় মিছিল—সব মিলিয়ে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই রাজপথে ছড়িয়ে পড়ছে।
দিল্লিতে যন্তর মন্তরকে ঘিরে আগে থেকেই কড়া নিরাপত্তা ছিল। জমায়েতের অনুমতি না থাকায় ব্যারিকেড তৈরি করা হয় এবং বিক্ষোভস্থলে পৌঁছনোর চেষ্টা করা আন্দোলনকারীদের আটক করে পুলিশ। অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) নেহা বোরা, রাজনৈতিক কর্মী যোগেন্দ্র যাদব, আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ, রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) সাংসদ মনোজ ঝা এবং প্রাক্তন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অতিশীসহ একাধিক পরিচিত মুখও আটক হন।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে আটক ব্যক্তির সংখ্যা কয়েকশো থেকে প্রায় ৭০০ পর্যন্ত বলা হয়েছে। এই সংখ্যার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সূত্রে পার্থক্য রয়েছে। আটক হওয়ার পরেও পুলিশি বাসের ভিতর থেকেই আন্দোলনকারীরা বক্তব্য রাখেন এবং জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো করেন।
দিল্লির এই উত্তাপের পাশাপাশি মুম্বইয়েও সিটিজেনস ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিসের (সিজেপি) নেতৃত্বে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়েছে। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক ‘জেল ভরো’ কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলনকে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। গোয়া, বেঙ্গালুরু, কলকাতা এবং রাঁচি হয়ে দিল্লির যন্তর মন্তর পর্যন্ত আন্দোলন নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।
সিজেপির অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে এসআইআর এবং ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়ার দাবি। তবে সংগঠনের দাবি করা সংখ্যাগুলোকে সরকারি চূড়ান্ত পরিসংখ্যান হিসেবে ধরে নেওয়ার আগে নির্বাচন কমিশনের তথ্যের সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন।
আর ঠিক এই আবহেই কলকাতার রাজপথেও বড়সড় প্রতিবাদ দেখা গেল। ২ অক্টোবর বামফ্রন্টের নেতৃত্বে কলকাতায় বড় মিছিল বের হয়। রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ থেকে শুরু হয়ে মিছিল এগোয় এসপ্ল্যানেডের দিকে এবং শেষ হয় মহাত্মা গান্ধীর মূর্তির পাদদেশে।
সিপিআই(এম)-এর নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্টের পাশাপাশি সিপিআই(এমএল) লিবারেশন, এসইউসিআই এবং অন্যান্য বাম দল ও গণসংগঠন এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়। মানবাধিকার ও নাগরিক সংগঠন এসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব ডেমোক্রেটিক রাইটস (এপিডিআর)-ও আন্দোলনে যোগ দেয়।
তাদের মূল দাবি—এসআইআর অবিলম্বে বন্ধ করা, অভিযোগ অনুযায়ী বাদ পড়া প্রকৃত ভোটারদের নাম পুনর্বহাল করা এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ। কলকাতার এই আন্দোলনকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক বাস্তবতা। কারণ এসআইআর নিয়ে বিতর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এই রাজ্য।
এর আগেও কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের কর্মসূচিতে বড় জমায়েত হয়েছিল এবং পুলিশ মিছিল আটকে দিয়েছিল। ফলে দিল্লি ও মুম্বইয়ের পাশাপাশি কলকাতাতেও একই ইস্যুতে ধারাবাহিক রাজনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।
অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে রাজ ঠাকরে ও উদ্ধব ঠাকরে শিবিরও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে পৃথক প্রতিবাদের পথে হাঁটছে। অর্থাৎ বিষয়টি এখন কোনো একটি সংগঠন বা একটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ছাত্র সংগঠন, নাগরিক সংগঠন, বাম দল, কংগ্রেস, এএপি, আরজেডি এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক রাজনৈতিক শক্তি নিজেদের অবস্থান থেকে প্রশ্ন তুলছে। আবার সিজেপি নিজেকে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক জোটের অংশ না বলে স্বাধীন আন্দোলন হিসেবেই তুলে ধরছে।
এই গোটা বিতর্কের পেছনে রয়েছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—নির্বাচন কমিশনের ভিতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ ছিল? কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তি নিয়ে যে বিতর্ক সামনে এসেছে, তা নিয়ে একদিকে প্রশ্ন উঠেছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো শেষ পর্যন্ত নিয়ম মেনেই এবং সর্বসম্মতভাবে নেওয়া হয়েছে। ফলে অভিযোগ ও কমিশনের ব্যাখ্যা—দুই দিকই এখন জনসমক্ষে রয়েছে।
আর এখানেই সাধারণ মানুষের প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের বক্তব্য রাখবে, আন্দোলন হবে, পাল্টা আন্দোলনও হতে পারে। কিন্তু একজন সাধারণ ভোটারের কাছে আসল প্রশ্ন—ভোটার তালিকায় তার নাম ঠিক আছে কি না, কোনো কারণে নাম বাদ গেলে তিনি কীভাবে তা জানতে পারবেন, আপত্তি জানানোর সুযোগ কতটা সহজ এবং গোটা প্রক্রিয়াটি কতটা স্বচ্ছ। কারণ নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা কেবল রাজনৈতিক দলগুলোর বিষয় নয়; এটি প্রত্যেক ভোটারের গণতান্ত্রিক অধিকারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
গান্ধী জয়ন্তীর দিনে দিল্লিতে আটক, মুম্বইয়ে আন্দোলনের সূচনা এবং কলকাতায় বড় মিছিল—তিন শহরের তিনটি ছবি এখন একই প্রশ্নকে সামনে আনছে। এসআইআর, ভোটার তালিকা এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে যে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তা কি আরও বড় নাগরিক আন্দোলনের দিকে যাবে? নাকি রাজনৈতিক প্রতিবাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে?
উত্তর দেবে আগামী দিনের রাজপথ। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে ক্ষোভ এখন আর কোনো একটি শহরের ঘটনা নয়; দিল্লি থেকে মুম্বই, মুম্বই থেকে কলকাতা—বিতর্কের পরিধি ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন