চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানার হাজীপাড়া এলাকায় নিজের মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন শাহিদ হোসেন (৪৫) নামের সাবেক এক ব্যাংক কর্মকর্তা। শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে নিজ বাসার ড্রয়িংরুমে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত শাহিদ হোসেন ওই এলাকার প্রয়াত ইকবাল হোসেনের ছেলে। তিনি আগে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বদলি হওয়ার পর তিনি চাকরি ছেড়ে দেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
নিহতের স্ত্রী শারমিন গণমাধ্যমকে জানান, শাহিদ হোসেনের আগে থেকেই কিছুটা মানসিক সমস্যা ছিল। তবে তিনি পুরোপুরি অসুস্থ ছিলেন না। সকালে হঠাৎ ড্রয়িংরুমে গুলির শব্দ শুনে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পিস্তলটি শাহিদের কাছে আগে থেকেই ছিল কি না, তা নিশ্চিত করতে পারেননি তার স্ত্রী।
পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এসআই নুরুল আলম আশিক জানান, শাহিদ হোসেনকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ডবলমুরিং থানা-পুলিশ জানায়, ওই পিস্তলটি শাহিদ হোসেনের কাছে কীভাবে এল এবং কেন তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি বর্তমানে মর্গে রাখা হয়েছে।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানার হাজীপাড়া এলাকায় নিজের মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন শাহিদ হোসেন (৪৫) নামের সাবেক এক ব্যাংক কর্মকর্তা। শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে নিজ বাসার ড্রয়িংরুমে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত শাহিদ হোসেন ওই এলাকার প্রয়াত ইকবাল হোসেনের ছেলে। তিনি আগে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বদলি হওয়ার পর তিনি চাকরি ছেড়ে দেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
নিহতের স্ত্রী শারমিন গণমাধ্যমকে জানান, শাহিদ হোসেনের আগে থেকেই কিছুটা মানসিক সমস্যা ছিল। তবে তিনি পুরোপুরি অসুস্থ ছিলেন না। সকালে হঠাৎ ড্রয়িংরুমে গুলির শব্দ শুনে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পিস্তলটি শাহিদের কাছে আগে থেকেই ছিল কি না, তা নিশ্চিত করতে পারেননি তার স্ত্রী।
পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এসআই নুরুল আলম আশিক জানান, শাহিদ হোসেনকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ডবলমুরিং থানা-পুলিশ জানায়, ওই পিস্তলটি শাহিদ হোসেনের কাছে কীভাবে এল এবং কেন তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি বর্তমানে মর্গে রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন