অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নতুন অবৈধ বসতি নির্মাণ পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। বিতর্কিত ‘ই১’ বসতি প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ২০০টিরও বেশি নতুন আবাসিক ইউনিট নির্মাণের জন্য ইসরায়েল সরকার দরপত্র আহ্বান করার পর মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে এই কঠোর প্রতিক্রিয়া এলো।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, জেরুজালেমের পূর্বদিকে অবস্থিত এই ভূখণ্ড দীর্ঘদিন ধরে একটি কার্যকর ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওই এলাকায় ইসরায়েলি বসতি নির্মাণ করা হলে পশ্চিম তীর কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়বে, যার ফলে ভবিষ্যতে একটি ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ইসরায়েলের এই বেপরোয়া আচরণের সমালোচনা করে আনোয়ার ইব্রাহিম আরও বলেন, "ইসরায়েলের এই ঘোষণা শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা কিংবা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মতামতকে সম্মান করার ন্যূনতম ভানটুকুও পরিত্যাগ করেছে।" এর মাধ্যমে তেল আবিব স্পষ্ট জানিয়ে দিল তারা কোনো আন্তর্জাতিক আইন মানতে বাধ্য নয়।
অবৈধ এই প্রকল্পের সহযোগীদের ছাড় দেওয়া হবে না জানিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন। তিনি বলেন, ই১ প্রকল্পে যেসব আন্তর্জাতিক কোম্পানি অংশ নেবে, তার সরকার তাদের বিষয়ে ‘সতর্কভাবে নজর রাখবে’ এবং পরিস্থিতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
উল্লেখ্য, ই১ এলাকাটি নিয়ে বিশ্বজুড়ে দীর্ঘদিন ধরেই গভীর উদ্বেগ রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ও সমালোচকদের আশঙ্কা, এই এলাকায় যদি বড় পরিসরে ইসরায়েলি বসতি গড়ে ওঠে, তবে তা পশ্চিম তীরের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের মধ্যকার যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেবে এবং একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পথকে স্থায়ীভাবে রুদ্ধ করে দেবে। ইসরায়েলের এই আগ্রাসী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে এখন বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে উঠছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নতুন অবৈধ বসতি নির্মাণ পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। বিতর্কিত ‘ই১’ বসতি প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ২০০টিরও বেশি নতুন আবাসিক ইউনিট নির্মাণের জন্য ইসরায়েল সরকার দরপত্র আহ্বান করার পর মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে এই কঠোর প্রতিক্রিয়া এলো।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, জেরুজালেমের পূর্বদিকে অবস্থিত এই ভূখণ্ড দীর্ঘদিন ধরে একটি কার্যকর ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওই এলাকায় ইসরায়েলি বসতি নির্মাণ করা হলে পশ্চিম তীর কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়বে, যার ফলে ভবিষ্যতে একটি ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ইসরায়েলের এই বেপরোয়া আচরণের সমালোচনা করে আনোয়ার ইব্রাহিম আরও বলেন, "ইসরায়েলের এই ঘোষণা শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা কিংবা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মতামতকে সম্মান করার ন্যূনতম ভানটুকুও পরিত্যাগ করেছে।" এর মাধ্যমে তেল আবিব স্পষ্ট জানিয়ে দিল তারা কোনো আন্তর্জাতিক আইন মানতে বাধ্য নয়।
অবৈধ এই প্রকল্পের সহযোগীদের ছাড় দেওয়া হবে না জানিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন। তিনি বলেন, ই১ প্রকল্পে যেসব আন্তর্জাতিক কোম্পানি অংশ নেবে, তার সরকার তাদের বিষয়ে ‘সতর্কভাবে নজর রাখবে’ এবং পরিস্থিতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
উল্লেখ্য, ই১ এলাকাটি নিয়ে বিশ্বজুড়ে দীর্ঘদিন ধরেই গভীর উদ্বেগ রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ও সমালোচকদের আশঙ্কা, এই এলাকায় যদি বড় পরিসরে ইসরায়েলি বসতি গড়ে ওঠে, তবে তা পশ্চিম তীরের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের মধ্যকার যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেবে এবং একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পথকে স্থায়ীভাবে রুদ্ধ করে দেবে। ইসরায়েলের এই আগ্রাসী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে এখন বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে উঠছে।

আপনার মতামত লিখুন