ফরিদপুরে পৃথক দুটি ধর্ষণ মামলার রায়ে তিন যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রথম মামলাটি ছিল গণধর্ষণের। এই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন–ফরিদপুর সদর উপজেলার হাজীডাঙ্গী গ্রামের সুমন মোল্লা ও ওসমান বেপারী। মামলার নথিমাত্রিক বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর ভুক্তভোগী এক নারী তার প্রেমিকের টানে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এলাকায় যান। সেখানে প্রেমিকের দেখা না পেয়ে ফেরার পথে আসামিরা তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে আসেন। পরে শহরের ভাটিলক্ষ্মীপুর এলাকার একটি বাড়িতে আটকে রেখে ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন সুমন ও ওসমান। এ ঘটনায় ২১ অক্টোবর কোতোয়ালি থানায় মামলা হলে তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রোববার আদালত দুই আসামিকে যাবজ্জীবন ও জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
এদিকে একই দিনে অপর একটি ধর্ষণ মামলায় রাসেল মণ্ডল নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন একই আদালত। রাসেলের বাড়ি কোতোয়ালি থানার আইকন গ্রামে। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২৬ নভেম্বর রাসেল মন্ডল তাম্বুলখানা এলাকার এক কিশোরীর ঘরে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরদিন ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করলে পুলিশ রাসেলকে গ্রেপ্তার করে।
পাবলিক প্রসিকিউটর গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, ‘এই রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ন্যায়বিচার পেয়েছে। আমরা মনে করি, এই ধরনের কঠোর সাজা সমাজে অপরাধ কমাতে সাহায্য করবে।’

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
ফরিদপুরে পৃথক দুটি ধর্ষণ মামলার রায়ে তিন যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রথম মামলাটি ছিল গণধর্ষণের। এই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন–ফরিদপুর সদর উপজেলার হাজীডাঙ্গী গ্রামের সুমন মোল্লা ও ওসমান বেপারী। মামলার নথিমাত্রিক বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর ভুক্তভোগী এক নারী তার প্রেমিকের টানে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এলাকায় যান। সেখানে প্রেমিকের দেখা না পেয়ে ফেরার পথে আসামিরা তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে আসেন। পরে শহরের ভাটিলক্ষ্মীপুর এলাকার একটি বাড়িতে আটকে রেখে ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন সুমন ও ওসমান। এ ঘটনায় ২১ অক্টোবর কোতোয়ালি থানায় মামলা হলে তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রোববার আদালত দুই আসামিকে যাবজ্জীবন ও জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
এদিকে একই দিনে অপর একটি ধর্ষণ মামলায় রাসেল মণ্ডল নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন একই আদালত। রাসেলের বাড়ি কোতোয়ালি থানার আইকন গ্রামে। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২৬ নভেম্বর রাসেল মন্ডল তাম্বুলখানা এলাকার এক কিশোরীর ঘরে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরদিন ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করলে পুলিশ রাসেলকে গ্রেপ্তার করে।
পাবলিক প্রসিকিউটর গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, ‘এই রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ন্যায়বিচার পেয়েছে। আমরা মনে করি, এই ধরনের কঠোর সাজা সমাজে অপরাধ কমাতে সাহায্য করবে।’

আপনার মতামত লিখুন