রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ১২ বছর বয়সি ছেলে প্রিয়মকে হত্যার ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। রোববার (২৩ আগস্ট) ভোর পর্যন্ত নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা একই এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, ১২ বছর বয়সি আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মকে হত্যার কারণও উদ্ঘাটন করা হয়েছে। সিদ্ধার্থের ছোট ভাই অপূর্বের সঙ্গে প্রিয়মের বন্ধুত্ব ছিল। তারা একসঙ্গে খেলাধুলা করত। প্রিয়ম অভিযুক্তদের চিনত বলেই তাকে বাঁচিয়ে রাখলে পরিচয় ফাঁস হওয়ার আশঙ্কা করেছিল খুনিরা।
পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, সিদ্ধার্থ প্রিয়মকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ দুজন মিলে শিশুটির গলায় কাপড় পেঁচিয়ে হত্যা করে। পরে বালিশ চাপা দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এর আগে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ সীমান্ত নামে এক ব্যক্তির বাসায় বসে ইয়াবা সেবন করে। পরে তারা পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ হয়ে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে যায়।
মুগ্ধ সিটি বাজারের একটি মাছের দোকানে কাজ করে। পুলিশ জানিয়েছে, খুশি ওরফে প্রশান্ত নামে এক মাদক কারবারির কাছ থেকে তারা প্রতি পিস ৩৫০ টাকা দরে ইয়াবা কিনেছিল।
পুলিশ কমিশনার জানান, গণপতি চক্রবর্তী একজন সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন। তার পরিবারের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। পাশের ভবনের ছাদ দিয়ে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে গিয়ে ইয়াবা সেবন করছিল।
শব্দ শুনে গণপতি চক্রবর্তী সেখানে গেলে তাদের আড্ডা দেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন। নিজেদের পরিচয় প্রকাশ পাওয়ার আশঙ্কায় তারা তার গলায় থাকা গামছা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে।
গণপতি চক্রবর্তীর বাঁচার চেষ্টা ও চিৎকারের শব্দ শুনে তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ছাদে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সিঁড়িতে তাকেও গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তাদের ২৫ বছর বয়সি মেয়ে আগামী চক্রবর্তী পার্থী এগিয়ে এলে তাকেও গামছা পেঁচিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তাকে হত্যা করতে চার থেকে পাঁচ মিনিট সময় লাগে। একপর্যায়ে আসামিরা রশি দিয়ে তার গলা ও মুখ পেঁচিয়ে জোরে টান দেয়। এতে তার চোয়াল ভেঙে যায় এবং চোখ বেরিয়ে আসে।
এরপর নিচতলায় গিয়ে শিশু প্রিয়মকে গলায় কাপড় পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। পরে বালিশ চাপা দিয়েও তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। শিশুটির বয়স নিজের সন্তানের সমান হওয়ায় ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে পুলিশ কমিশনার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ১২ বছর বয়সি ছেলে প্রিয়মকে হত্যার ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। রোববার (২৩ আগস্ট) ভোর পর্যন্ত নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা একই এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, ১২ বছর বয়সি আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মকে হত্যার কারণও উদ্ঘাটন করা হয়েছে। সিদ্ধার্থের ছোট ভাই অপূর্বের সঙ্গে প্রিয়মের বন্ধুত্ব ছিল। তারা একসঙ্গে খেলাধুলা করত। প্রিয়ম অভিযুক্তদের চিনত বলেই তাকে বাঁচিয়ে রাখলে পরিচয় ফাঁস হওয়ার আশঙ্কা করেছিল খুনিরা।
পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, সিদ্ধার্থ প্রিয়মকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ দুজন মিলে শিশুটির গলায় কাপড় পেঁচিয়ে হত্যা করে। পরে বালিশ চাপা দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এর আগে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ সীমান্ত নামে এক ব্যক্তির বাসায় বসে ইয়াবা সেবন করে। পরে তারা পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ হয়ে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে যায়।
মুগ্ধ সিটি বাজারের একটি মাছের দোকানে কাজ করে। পুলিশ জানিয়েছে, খুশি ওরফে প্রশান্ত নামে এক মাদক কারবারির কাছ থেকে তারা প্রতি পিস ৩৫০ টাকা দরে ইয়াবা কিনেছিল।
পুলিশ কমিশনার জানান, গণপতি চক্রবর্তী একজন সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন। তার পরিবারের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। পাশের ভবনের ছাদ দিয়ে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে গিয়ে ইয়াবা সেবন করছিল।
শব্দ শুনে গণপতি চক্রবর্তী সেখানে গেলে তাদের আড্ডা দেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন। নিজেদের পরিচয় প্রকাশ পাওয়ার আশঙ্কায় তারা তার গলায় থাকা গামছা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে।
গণপতি চক্রবর্তীর বাঁচার চেষ্টা ও চিৎকারের শব্দ শুনে তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ছাদে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সিঁড়িতে তাকেও গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তাদের ২৫ বছর বয়সি মেয়ে আগামী চক্রবর্তী পার্থী এগিয়ে এলে তাকেও গামছা পেঁচিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তাকে হত্যা করতে চার থেকে পাঁচ মিনিট সময় লাগে। একপর্যায়ে আসামিরা রশি দিয়ে তার গলা ও মুখ পেঁচিয়ে জোরে টান দেয়। এতে তার চোয়াল ভেঙে যায় এবং চোখ বেরিয়ে আসে।
এরপর নিচতলায় গিয়ে শিশু প্রিয়মকে গলায় কাপড় পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। পরে বালিশ চাপা দিয়েও তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। শিশুটির বয়স নিজের সন্তানের সমান হওয়ায় ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে পুলিশ কমিশনার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

আপনার মতামত লিখুন