টাঙ্গাইলের সখিপুরে নিখোঁজ হওয়ার ৩ দিন পর জুলেখা বেগম (৫৫) নামের এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের শিরিরচালা গ্রামের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জুলেখা বেগম ওই গ্রামের মোজাফফর হোসেনের স্ত্রী। উদ্ধারের সময় তার পরনে বোরকা, হিজাব ও মোজা ছিল।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জুলেখা বেগম দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় চার বছর আগে বড় ছেলে পারিবারিক কলহের জেরে শ্বশুরবাড়িতে চলে যান। প্রিয় সন্তানের চলে যাওয়া মেনে নিতে না পেরে ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন জুলেখা। এরপর থেকেই তার মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। এর আগেও তিনি কয়েকবার বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন, তবে প্রতিবারই স্বজনরা খুঁজে বাড়িতে ফিরিয়ে আনতেন।
নিহতের ছেলে জাকির হোসেন জানান, গত ২০ আগস্ট সন্ধ্যায় তার মা বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। রোববার বিকেলে গ্রামের ওয়াজেদ আলীর বাড়ির পাশের জঙ্গলে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে স্বজনরা গিয়ে পোশাক দেখে মরদেহটি জুলেখা বেগমের বলে শনাক্ত করেন।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
টাঙ্গাইলের সখিপুরে নিখোঁজ হওয়ার ৩ দিন পর জুলেখা বেগম (৫৫) নামের এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের শিরিরচালা গ্রামের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জুলেখা বেগম ওই গ্রামের মোজাফফর হোসেনের স্ত্রী। উদ্ধারের সময় তার পরনে বোরকা, হিজাব ও মোজা ছিল।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জুলেখা বেগম দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় চার বছর আগে বড় ছেলে পারিবারিক কলহের জেরে শ্বশুরবাড়িতে চলে যান। প্রিয় সন্তানের চলে যাওয়া মেনে নিতে না পেরে ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন জুলেখা। এরপর থেকেই তার মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। এর আগেও তিনি কয়েকবার বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন, তবে প্রতিবারই স্বজনরা খুঁজে বাড়িতে ফিরিয়ে আনতেন।
নিহতের ছেলে জাকির হোসেন জানান, গত ২০ আগস্ট সন্ধ্যায় তার মা বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। রোববার বিকেলে গ্রামের ওয়াজেদ আলীর বাড়ির পাশের জঙ্গলে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে স্বজনরা গিয়ে পোশাক দেখে মরদেহটি জুলেখা বেগমের বলে শনাক্ত করেন।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন