মুন্সীগঞ্জ শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টার অভিযানে ছোট-বড় অন্তত ৩২টি অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
উচ্ছেদ হওয়া এসব স্থাপনার মধ্যে ছিল খাবারের হোটেল, চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। অভিযান চলাকালে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বাগ্বিতণ্ডা ও উত্তেজনা তৈরি হয়।
বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটের প্রবেশমুখ ও এর আশপাশের সরকারি জায়গা দখল করে দীর্ঘদিন ধরে এসব স্থাপনা গড়ে উঠেছিল। স্থানীয় প্রভাবশালীদের যোগসাজশে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিনের। এর আগেও কয়েক দফা উচ্ছেদ করা হলেও কিছুদিন পর পর আবারও এসব দোকানপাট গড়ে ওঠে।
অভিযান চলাকালে বেশ কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, তাদের কোনো আগাম নোটিশ দেওয়া হয়নি। হঠাৎ করে দোকানপাট ভেঙে দেওয়ায় তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি জায়গা উদ্ধারে নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারজানা আক্তার বলেন, ‘লঞ্চঘাটের জায়গা অবৈধভাবে দখলের বিষয়টি আমাদের নজরে ছিল। সরকারি জমি উদ্ধারে বিআইডব্লিউটিএর অভিযানে উপজেলা প্রশাসন সহযোগিতা করেছে। উচ্ছেদ করা জায়গায় যাতে আবারও কেউ বসতে না পারে, সে জন্য নিয়মিত নজরদারি রাখা হবে।’
বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আগেও কয়েকবার এসব স্থাপনা সরানো হয়েছিল। কিন্তু বারবারই দখলদাররা ফিরে আসে। এবার আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। ভবিষ্যতে কেউ যাতে নতুন করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে, সেটি কঠোরভাবে তদারকি করা হবে।’

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টার অভিযানে ছোট-বড় অন্তত ৩২টি অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
উচ্ছেদ হওয়া এসব স্থাপনার মধ্যে ছিল খাবারের হোটেল, চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। অভিযান চলাকালে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বাগ্বিতণ্ডা ও উত্তেজনা তৈরি হয়।
বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটের প্রবেশমুখ ও এর আশপাশের সরকারি জায়গা দখল করে দীর্ঘদিন ধরে এসব স্থাপনা গড়ে উঠেছিল। স্থানীয় প্রভাবশালীদের যোগসাজশে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিনের। এর আগেও কয়েক দফা উচ্ছেদ করা হলেও কিছুদিন পর পর আবারও এসব দোকানপাট গড়ে ওঠে।
অভিযান চলাকালে বেশ কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, তাদের কোনো আগাম নোটিশ দেওয়া হয়নি। হঠাৎ করে দোকানপাট ভেঙে দেওয়ায় তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি জায়গা উদ্ধারে নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারজানা আক্তার বলেন, ‘লঞ্চঘাটের জায়গা অবৈধভাবে দখলের বিষয়টি আমাদের নজরে ছিল। সরকারি জমি উদ্ধারে বিআইডব্লিউটিএর অভিযানে উপজেলা প্রশাসন সহযোগিতা করেছে। উচ্ছেদ করা জায়গায় যাতে আবারও কেউ বসতে না পারে, সে জন্য নিয়মিত নজরদারি রাখা হবে।’
বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আগেও কয়েকবার এসব স্থাপনা সরানো হয়েছিল। কিন্তু বারবারই দখলদাররা ফিরে আসে। এবার আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। ভবিষ্যতে কেউ যাতে নতুন করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে, সেটি কঠোরভাবে তদারকি করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন