সংবাদ

দায়িত্ব নিয়েই থার্ড টার্মিনাল চালুর সময় জানালেন বিমানমন্ত্রী


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম

দায়িত্ব নিয়েই থার্ড টার্মিনাল চালুর সময় জানালেন বিমানমন্ত্রী

​হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালকে অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে টার্মিনালটির সফট ওপেনিং করার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। 

রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে দায়িত্ব নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

কাজের মান ও প্রস্তুতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে সফট ওপেনিং এক-দুই মাস পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এখনও আমরা ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সফট ওপেনিং করবো, এটাতেই আমরা অটল রয়েছি।

থার্ড টার্মিনালের বর্তমান অগ্রগতি তুলে ধরে বিমানমন্ত্রী জানান, চলতি মাসের ২৫ তারিখে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো দরপত্র জমা দেবে এবং এরপর তা পুঙ্খানুপুঙ্খ মূল্যায়ন করা হবে। সে লক্ষ্যে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে চুক্তি সই সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পরবর্তী পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, চুক্তি সইয়ের পর হাতে প্রায় সাড়ে তিন মাস সময় থাকবে। এই সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে যদি সফট ওপেনিং করা সম্ভব হয়, তাহলে ১৬ ডিসেম্বরই তা করা হবে। তবে কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করতে যদি আরও সময়ের প্রয়োজন হয়, তাহলে এক-দুই মাস সময় বাড়ানো হতে পারে। পরিস্থিতি অনুযায়ী বিষয়টি সবাইকে জানানো হবে।

টার্মিনাল চালুর পাশাপাশি বিমানবন্দরের সার্বিক পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান মন্ত্রী। একই সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণের বিষয়ে তিনি জানান, বোয়িং বা উড়োজাহাজ সংকটের কারণে আপাতত নতুন রুটে ফ্লাইট বাড়ানো যাচ্ছে না। এই সংকট কাটাতে পর্যায়ক্রমে অন্তত ১০টি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যার চুক্তি চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করে আগামী বছর থেকে বহরে যুক্ত করা হবে।

আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের অডিটে কাঙ্ক্ষিত গ্রেড অর্জন সম্ভব হলে আগামী বছরের জানুয়ারিতেই নিউইয়র্কে সরাসরি ফ্লাইট চালু করা সম্ভব বলে আশা জানান তিনি।

এছাড়া ঈশ্বরদী পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের গুরুত্ব বিবেচনা করে স্থানীয় বিমানবন্দরটির রানওয়ে আরও আড়াই হাজার ফুট বাড়ানো, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং একটি ছোট টার্মিনাল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

পুরো খাতকে যাত্রীবান্ধব করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিমান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, পর্যটনসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। টিমওয়ার্কের মাধ্যমে বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতকে আরও কার্যকর ও যাত্রীবান্ধব পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


দায়িত্ব নিয়েই থার্ড টার্মিনাল চালুর সময় জানালেন বিমানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

​হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালকে অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে টার্মিনালটির সফট ওপেনিং করার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। 

রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে দায়িত্ব নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

কাজের মান ও প্রস্তুতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে সফট ওপেনিং এক-দুই মাস পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এখনও আমরা ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সফট ওপেনিং করবো, এটাতেই আমরা অটল রয়েছি।

থার্ড টার্মিনালের বর্তমান অগ্রগতি তুলে ধরে বিমানমন্ত্রী জানান, চলতি মাসের ২৫ তারিখে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো দরপত্র জমা দেবে এবং এরপর তা পুঙ্খানুপুঙ্খ মূল্যায়ন করা হবে। সে লক্ষ্যে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে চুক্তি সই সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পরবর্তী পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, চুক্তি সইয়ের পর হাতে প্রায় সাড়ে তিন মাস সময় থাকবে। এই সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে যদি সফট ওপেনিং করা সম্ভব হয়, তাহলে ১৬ ডিসেম্বরই তা করা হবে। তবে কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করতে যদি আরও সময়ের প্রয়োজন হয়, তাহলে এক-দুই মাস সময় বাড়ানো হতে পারে। পরিস্থিতি অনুযায়ী বিষয়টি সবাইকে জানানো হবে।

টার্মিনাল চালুর পাশাপাশি বিমানবন্দরের সার্বিক পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান মন্ত্রী। একই সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণের বিষয়ে তিনি জানান, বোয়িং বা উড়োজাহাজ সংকটের কারণে আপাতত নতুন রুটে ফ্লাইট বাড়ানো যাচ্ছে না। এই সংকট কাটাতে পর্যায়ক্রমে অন্তত ১০টি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যার চুক্তি চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করে আগামী বছর থেকে বহরে যুক্ত করা হবে।

আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের অডিটে কাঙ্ক্ষিত গ্রেড অর্জন সম্ভব হলে আগামী বছরের জানুয়ারিতেই নিউইয়র্কে সরাসরি ফ্লাইট চালু করা সম্ভব বলে আশা জানান তিনি।

এছাড়া ঈশ্বরদী পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের গুরুত্ব বিবেচনা করে স্থানীয় বিমানবন্দরটির রানওয়ে আরও আড়াই হাজার ফুট বাড়ানো, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং একটি ছোট টার্মিনাল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

পুরো খাতকে যাত্রীবান্ধব করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিমান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, পর্যটনসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। টিমওয়ার্কের মাধ্যমে বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতকে আরও কার্যকর ও যাত্রীবান্ধব পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত