ঢাকার কয়েকটি দূতাবাসে ইমেইলের মাধ্যমে হুমকি দেওয়ার পর কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। বারিধারা ও গুলশানের কূটনৈতিক এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) বিকালে ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার আবু খায়ের বলেন, ‘আমরা লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। আমরাও আপনাদের মতো হুমকির খবর শুনে মনিটরিংটা জোরদার করেছি।’
গত সপ্তাহে ইমেইল পাঠিয়ে চীন, রাশিয়াসহ ঢাকার একাধিক দূতাবাসে হুমকি দেওয়া হয়। পুলিশের কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ না করলেও দূতাবাসের তরফে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানানো হয়।
পরে মন্ত্রণালয় থেকে পুলিশ সদর দপ্তরকে অবগত করা হলে সেখান থেকে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমসহ বিভিন্ন ইউনিটকে জানানো হয়।
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দূতাবাসে চাঁদা চেয়ে হুমকির ঘটনায় নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।’
ইতিমধ্যে তিন থেকে চারটি দূতাবাস এবং কয়েকটি সরকারি দপ্তর এ ধরনের হুমকি পেয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা শত্রুতাবশত, পাশাপাশি দেশের ইমেজ নষ্ট করার জন্য। রাষ্ট্রদূতদের ভীতসন্ত্রস্ত করার জন্য। এটা দেশবিরোধী অপতৎপরতা।’
ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগের কর্মকর্তা আবু খায়ের বলেন, ‘সবসময়ই আমাদের শতভাগ নিরাপত্তা থাকে। যেকোনো ঘটনা বা বার্তা পেলে, সেটা লিখিত বা মৌখিক- যাই হোক তৎপরতা বাড়ানো আমাদের নিয়মিত গতানুগতিক কার্যক্রমের অংশ।’
এদিন সকালে অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা কাজ করছি। আপনাদের আশ্বস্ত করছি, যেকোনো ঘটনা ঘটলে গুরুত্বের সঙ্গে দেখি। আমরা আশাবাদী, এটাও আমরা উদ্ঘাটন করব; এর নেপথ্যে যারা আছে, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসব।’
ঘটনার পর কূটনৈতিক এলাকায় চেকপোস্ট ও টহল টিমের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। সূত্র: বিবিসি, বিডিনিউজ

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
ঢাকার কয়েকটি দূতাবাসে ইমেইলের মাধ্যমে হুমকি দেওয়ার পর কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। বারিধারা ও গুলশানের কূটনৈতিক এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) বিকালে ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার আবু খায়ের বলেন, ‘আমরা লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। আমরাও আপনাদের মতো হুমকির খবর শুনে মনিটরিংটা জোরদার করেছি।’
গত সপ্তাহে ইমেইল পাঠিয়ে চীন, রাশিয়াসহ ঢাকার একাধিক দূতাবাসে হুমকি দেওয়া হয়। পুলিশের কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ না করলেও দূতাবাসের তরফে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানানো হয়।
পরে মন্ত্রণালয় থেকে পুলিশ সদর দপ্তরকে অবগত করা হলে সেখান থেকে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমসহ বিভিন্ন ইউনিটকে জানানো হয়।
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দূতাবাসে চাঁদা চেয়ে হুমকির ঘটনায় নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।’
ইতিমধ্যে তিন থেকে চারটি দূতাবাস এবং কয়েকটি সরকারি দপ্তর এ ধরনের হুমকি পেয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা শত্রুতাবশত, পাশাপাশি দেশের ইমেজ নষ্ট করার জন্য। রাষ্ট্রদূতদের ভীতসন্ত্রস্ত করার জন্য। এটা দেশবিরোধী অপতৎপরতা।’
ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগের কর্মকর্তা আবু খায়ের বলেন, ‘সবসময়ই আমাদের শতভাগ নিরাপত্তা থাকে। যেকোনো ঘটনা বা বার্তা পেলে, সেটা লিখিত বা মৌখিক- যাই হোক তৎপরতা বাড়ানো আমাদের নিয়মিত গতানুগতিক কার্যক্রমের অংশ।’
এদিন সকালে অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা কাজ করছি। আপনাদের আশ্বস্ত করছি, যেকোনো ঘটনা ঘটলে গুরুত্বের সঙ্গে দেখি। আমরা আশাবাদী, এটাও আমরা উদ্ঘাটন করব; এর নেপথ্যে যারা আছে, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসব।’
ঘটনার পর কূটনৈতিক এলাকায় চেকপোস্ট ও টহল টিমের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। সূত্র: বিবিসি, বিডিনিউজ

আপনার মতামত লিখুন