চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে অপহৃত ১৪ বছর বয়সী স্কুলছাত্র নাঈম উদ্দিনকে উদ্ধার করা হয়েছে। অপহরণের দুই দিন পর রোববার (২৩ আগস্ট) রাজশাহীর দুটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার ও অপহরণ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ও র্যাব।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া নাঈম উদ্দিন দর্শনা থানার প্রতাপপুর গ্রামের মো. গাফফারের ছেলে এবং স্থানীয় মদনা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–অপহরণ চক্রের মূলহোতা মো. সুমন খান ও তার সহযোগী মো. রুবেল শেখ।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ আগস্ট সকালে বাড়ির সামনে থেকে নাঈম নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে তার বাবা দর্শনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরদিন ২৩ আগস্ট সকালে নাঈমের বড় ভাইয়ের মুঠোফোনে হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ লাগানো নাঈমের কয়েকটি ছবি পাঠায় অপহরণকারীরা। এ সময় নাঈমের মুক্তির বিনিময়ে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং টাকা না দিলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
বিষয়টি জানার পর নাঈমের মামা মো. আব্দুল আলীম বাদী হয়ে দর্শনা থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন। এরপরই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযানে নামে পুলিশ। রাজশাহী র্যাব-৫-এর একটি দলের সহযোগিতায় মহানগরীর রাজপাড়া থানার লক্ষ্মীপুর মোড় এলাকার হোটেল নূর আবাসিকে অভিযান চালিয়ে নাঈমকে উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মূলহোতা সুমনকে। পরে বোয়ালিয়া থানা এলাকার অন্য একটি হোটেল থেকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, ‘র্যাবের সহযোগিতায় অপহৃত কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিদের সোমবার (২৪ আগস্ট) দর্শনা থানায় আনা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অপহরণের কথা স্বীকার করেছেন। তা দের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে অপহৃত ১৪ বছর বয়সী স্কুলছাত্র নাঈম উদ্দিনকে উদ্ধার করা হয়েছে। অপহরণের দুই দিন পর রোববার (২৩ আগস্ট) রাজশাহীর দুটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার ও অপহরণ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ও র্যাব।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া নাঈম উদ্দিন দর্শনা থানার প্রতাপপুর গ্রামের মো. গাফফারের ছেলে এবং স্থানীয় মদনা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–অপহরণ চক্রের মূলহোতা মো. সুমন খান ও তার সহযোগী মো. রুবেল শেখ।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ আগস্ট সকালে বাড়ির সামনে থেকে নাঈম নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে তার বাবা দর্শনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরদিন ২৩ আগস্ট সকালে নাঈমের বড় ভাইয়ের মুঠোফোনে হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ লাগানো নাঈমের কয়েকটি ছবি পাঠায় অপহরণকারীরা। এ সময় নাঈমের মুক্তির বিনিময়ে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং টাকা না দিলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
বিষয়টি জানার পর নাঈমের মামা মো. আব্দুল আলীম বাদী হয়ে দর্শনা থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন। এরপরই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযানে নামে পুলিশ। রাজশাহী র্যাব-৫-এর একটি দলের সহযোগিতায় মহানগরীর রাজপাড়া থানার লক্ষ্মীপুর মোড় এলাকার হোটেল নূর আবাসিকে অভিযান চালিয়ে নাঈমকে উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মূলহোতা সুমনকে। পরে বোয়ালিয়া থানা এলাকার অন্য একটি হোটেল থেকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, ‘র্যাবের সহযোগিতায় অপহৃত কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিদের সোমবার (২৪ আগস্ট) দর্শনা থানায় আনা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অপহরণের কথা স্বীকার করেছেন। তা দের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

আপনার মতামত লিখুন