এক যুগ আগের কথা। খাওয়ার জন্য প্রতিবেশীর কাছে একটি হাঁস কিনতে গিয়েছিলেন ফজলুর রহমান। কিন্তু প্রতিবেশী হাঁসটি বিক্রি করতে রাজি হননি। সেই ‘না’ থেকেই মনে জেদ চেপেছিল–নিজে হাঁস পালন করবেন। প্রতিবেশীর সেই অবহেলা আর নিজের জেদ আজ ফজলুর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। মাত্র ২৪ শতাংশ জমিতে প্রায় তিন হাজার হাঁস পালন করে তিনি এখন স্বাবলম্বী।
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের দারুগ্রাম এলাকার মফিজ উদ্দিনের ছেলে ফজলুর রহমান। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে দারুগ্রামে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে তার বিশাল হাঁসের খামার। পুকুরের এক পাশে টিন আর বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে হাঁসের থাকার ঘর। একসময় অভাব-অনটনের সংসার থাকলেও হাঁস পালন ফজলুর অভাব দূর করেছে।
ফজলুর রহমান জানান, প্রতিদিন তার খামার থেকে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০টি ডিম আসে। ছয় মাসের একটি প্রকল্প শেষে সব খরচ বাদ দিয়ে তার নিট মুনাফা থাকে প্রায় ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকা। তিনি বলেন, ‘সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমি নিজেই হাঁসগুলোর দেখভাল করি। ওদের ধান, শামুক আর ফিড খাওয়ানো হয়। ধান কাটার পর যখন জমি ফাঁকা থাকে, তখন হাঁসগুলো মাঠে ছেড়ে দেই। এতে খাবারের খরচ অনেক কমে আসে।’
দীর্ঘ ১২ বছরের অভিজ্ঞতায় ফজলু এখন একজন দক্ষ খামারি। তাকে দেখে এলাকার অনেক বেকার যুবকও এখন হাঁস পালনে আগ্রহী হচ্ছেন।
শেরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নিয়াজ মো. কাউছিম রহমান বলেন, ‘শেরপুর উপজেলায় প্রায় ৫০ জন হাঁস খামারি রয়েছেন। আমরা তাদের নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছি। রোগবালাইয়ের কারণে কোনো খামারি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি।’

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
এক যুগ আগের কথা। খাওয়ার জন্য প্রতিবেশীর কাছে একটি হাঁস কিনতে গিয়েছিলেন ফজলুর রহমান। কিন্তু প্রতিবেশী হাঁসটি বিক্রি করতে রাজি হননি। সেই ‘না’ থেকেই মনে জেদ চেপেছিল–নিজে হাঁস পালন করবেন। প্রতিবেশীর সেই অবহেলা আর নিজের জেদ আজ ফজলুর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। মাত্র ২৪ শতাংশ জমিতে প্রায় তিন হাজার হাঁস পালন করে তিনি এখন স্বাবলম্বী।
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের দারুগ্রাম এলাকার মফিজ উদ্দিনের ছেলে ফজলুর রহমান। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে দারুগ্রামে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে তার বিশাল হাঁসের খামার। পুকুরের এক পাশে টিন আর বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে হাঁসের থাকার ঘর। একসময় অভাব-অনটনের সংসার থাকলেও হাঁস পালন ফজলুর অভাব দূর করেছে।
ফজলুর রহমান জানান, প্রতিদিন তার খামার থেকে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০টি ডিম আসে। ছয় মাসের একটি প্রকল্প শেষে সব খরচ বাদ দিয়ে তার নিট মুনাফা থাকে প্রায় ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকা। তিনি বলেন, ‘সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমি নিজেই হাঁসগুলোর দেখভাল করি। ওদের ধান, শামুক আর ফিড খাওয়ানো হয়। ধান কাটার পর যখন জমি ফাঁকা থাকে, তখন হাঁসগুলো মাঠে ছেড়ে দেই। এতে খাবারের খরচ অনেক কমে আসে।’
দীর্ঘ ১২ বছরের অভিজ্ঞতায় ফজলু এখন একজন দক্ষ খামারি। তাকে দেখে এলাকার অনেক বেকার যুবকও এখন হাঁস পালনে আগ্রহী হচ্ছেন।
শেরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নিয়াজ মো. কাউছিম রহমান বলেন, ‘শেরপুর উপজেলায় প্রায় ৫০ জন হাঁস খামারি রয়েছেন। আমরা তাদের নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছি। রোগবালাইয়ের কারণে কোনো খামারি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি।’

আপনার মতামত লিখুন