পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট শুরুর আগেই বড় ধাক্কা খেল ইংল্যান্ড। মাঠের বাইরের এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় দল থেকে বাদ পড়েছেন পেসার ব্রাইডন কার্সে। শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে ডার্বির একটি নাইটক্লাবের বাইরে পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ডারহামের হয়ে ম্যাচ খেলার পর ওই রাতে কার্সেকে একটি নাইটক্লাবের সামনে হাতকড়া পরা অবস্থায় দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ছবি ছড়িয়ে পড়লে নড়েচড়ে বসে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। সোমবার এক বিবৃতিতে ইসিবি জানায়, দ্বিতীয় টেস্টের জন্য কার্সেকে আর বিবেচনা করা হচ্ছে না। তার পরিবর্তে দলে ডাক পেয়েছেন সনি বেকার।
ইসিবি আরও জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তের জন্য ‘ক্রিকেট রেগুলেটর’-এর কাছে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন কার্সে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পাবেন না। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইংল্যান্ড দলে শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা নতুন নয়। সম্প্রতি নতুন অধিনায়ক জো রুট দায়িত্ব নেওয়ার পর খেলোয়াড়দের ওপর থেকে ‘মধ্যরাতের কারফিউ’ তুলে নেওয়া হয়েছিল। এর আগে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া সফরে একাধিক বিতর্কিত ঘটনার পর সাবেক পরিচালক রব কি এই বিধিনিষেধ আরোপ করেছিলেন।
এর আগে গত জুনেও একই ধরনের ঘটনার শিকার হয়েছিলেন বেন স্টোকস ও গাস অ্যাটকিনসন। কারফিউ ভঙ্গ করে নাইটক্লাবে যাওয়ায় তাদের একটি টেস্টের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে স্টোকস অবসর ভেঙে ফিরলেও বেন ডাকেটের মতো খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ে অতীতে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। এবার কার্সের এই ঘটনা ইংল্যান্ড ক্রিকেটের সংস্কৃতি নিয়ে আবারও নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় টেস্ট।
\

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট শুরুর আগেই বড় ধাক্কা খেল ইংল্যান্ড। মাঠের বাইরের এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় দল থেকে বাদ পড়েছেন পেসার ব্রাইডন কার্সে। শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে ডার্বির একটি নাইটক্লাবের বাইরে পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ডারহামের হয়ে ম্যাচ খেলার পর ওই রাতে কার্সেকে একটি নাইটক্লাবের সামনে হাতকড়া পরা অবস্থায় দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ছবি ছড়িয়ে পড়লে নড়েচড়ে বসে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। সোমবার এক বিবৃতিতে ইসিবি জানায়, দ্বিতীয় টেস্টের জন্য কার্সেকে আর বিবেচনা করা হচ্ছে না। তার পরিবর্তে দলে ডাক পেয়েছেন সনি বেকার।
ইসিবি আরও জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তের জন্য ‘ক্রিকেট রেগুলেটর’-এর কাছে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন কার্সে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পাবেন না। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইংল্যান্ড দলে শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা নতুন নয়। সম্প্রতি নতুন অধিনায়ক জো রুট দায়িত্ব নেওয়ার পর খেলোয়াড়দের ওপর থেকে ‘মধ্যরাতের কারফিউ’ তুলে নেওয়া হয়েছিল। এর আগে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া সফরে একাধিক বিতর্কিত ঘটনার পর সাবেক পরিচালক রব কি এই বিধিনিষেধ আরোপ করেছিলেন।
এর আগে গত জুনেও একই ধরনের ঘটনার শিকার হয়েছিলেন বেন স্টোকস ও গাস অ্যাটকিনসন। কারফিউ ভঙ্গ করে নাইটক্লাবে যাওয়ায় তাদের একটি টেস্টের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে স্টোকস অবসর ভেঙে ফিরলেও বেন ডাকেটের মতো খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ে অতীতে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। এবার কার্সের এই ঘটনা ইংল্যান্ড ক্রিকেটের সংস্কৃতি নিয়ে আবারও নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় টেস্ট।
\

আপনার মতামত লিখুন