ময়মনসিংহে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় তা নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যমের করণীয় নিয়ে মতবিনিময় সভা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রেসক্লাবের চিকিৎসা উপকমিটি এ সভার আয়োজন করে।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকুনুজ্জামান সরকার রোকন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু ওষুধ প্রয়োগ নয়, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও নিয়মিত চালাতে হবে। এ কাজে নগরবাসীর সহযোগিতা জরুরি। বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়ার জন্য তিনি নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
সিটি প্রশাসক বলেন, ডেঙ্গুর খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে ‘রেড জোন’ শব্দের ব্যবহার পাঠকের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করতে পারে। গণমাধ্যমকে বিষয়টি বিবেচনায় রাখার অনুরোধ জানান তিনি। জলাবদ্ধতা নিরসনেও গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ছাড়া নগরীতে নতুন বাড়ি নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হবে না।
সভায় প্রধান আলোচক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ও ডেঙ্গু ফোকাল পারসন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ খান বলেন, বয়স্ক, গর্ভবতী, কিডনি ও ডায়াবেটিসের রোগীদের ডেঙ্গুতে ঝুঁকি বেশি। ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উম্মে হাবিবা মীরা বলেন, ডেঙ্গু পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এ জন্য সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। গণমাধ্যমকে এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এইচ কে দেবনাথ, স্বদেশ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুদ্দোহা মাসুমসহ সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন। বক্তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সঠিক তথ্য প্রচার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দেন।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
ময়মনসিংহে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় তা নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যমের করণীয় নিয়ে মতবিনিময় সভা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রেসক্লাবের চিকিৎসা উপকমিটি এ সভার আয়োজন করে।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকুনুজ্জামান সরকার রোকন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু ওষুধ প্রয়োগ নয়, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও নিয়মিত চালাতে হবে। এ কাজে নগরবাসীর সহযোগিতা জরুরি। বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়ার জন্য তিনি নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
সিটি প্রশাসক বলেন, ডেঙ্গুর খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে ‘রেড জোন’ শব্দের ব্যবহার পাঠকের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করতে পারে। গণমাধ্যমকে বিষয়টি বিবেচনায় রাখার অনুরোধ জানান তিনি। জলাবদ্ধতা নিরসনেও গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ছাড়া নগরীতে নতুন বাড়ি নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হবে না।
সভায় প্রধান আলোচক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ও ডেঙ্গু ফোকাল পারসন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ খান বলেন, বয়স্ক, গর্ভবতী, কিডনি ও ডায়াবেটিসের রোগীদের ডেঙ্গুতে ঝুঁকি বেশি। ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উম্মে হাবিবা মীরা বলেন, ডেঙ্গু পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এ জন্য সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। গণমাধ্যমকে এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এইচ কে দেবনাথ, স্বদেশ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুদ্দোহা মাসুমসহ সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন। বক্তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সঠিক তথ্য প্রচার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দেন।

আপনার মতামত লিখুন