মাদকের অন্ধকার জগৎ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেছেন চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের ১৬ জন মাদক কারবারি। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রামের হালসানা মোড়ে এক মাদকবিরোধী সমাবেশে তারা পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন।
সীমান্ত ইউনিয়নবাসীর আয়োজনে ও জীবননগর থানার উদ্যোগে এই সচেতনতামূলক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে তারা ভবিষ্যতে মাদক ব্যবসা ও সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার শপথ নেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বলেন, ‘মাদক ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ। কেবল আইন দিয়ে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা ও গণ-আন্দোলন। যারা ভুল পথ ছেড়ে সৎ পথে ফিরতে চান, তাদের সমাজের মূলধারায় ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে।’ তবে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলাইমান শেখের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন খান খোকন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান ও জীবননগর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক তারেকুজ্জামান তারেক প্রমুখ।
বক্তারা মাদক ছাড়াও চোরাচালান, মানবপাচার, কিশোর গ্যাং ও জুয়ার মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
মাদকের অন্ধকার জগৎ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেছেন চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের ১৬ জন মাদক কারবারি। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রামের হালসানা মোড়ে এক মাদকবিরোধী সমাবেশে তারা পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন।
সীমান্ত ইউনিয়নবাসীর আয়োজনে ও জীবননগর থানার উদ্যোগে এই সচেতনতামূলক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে তারা ভবিষ্যতে মাদক ব্যবসা ও সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার শপথ নেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বলেন, ‘মাদক ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ। কেবল আইন দিয়ে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা ও গণ-আন্দোলন। যারা ভুল পথ ছেড়ে সৎ পথে ফিরতে চান, তাদের সমাজের মূলধারায় ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে।’ তবে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলাইমান শেখের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন খান খোকন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান ও জীবননগর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক তারেকুজ্জামান তারেক প্রমুখ।
বক্তারা মাদক ছাড়াও চোরাচালান, মানবপাচার, কিশোর গ্যাং ও জুয়ার মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন