মুখোশধারী অনেকে এখনো ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে সতর্ক করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বুধবার
রাজধানীর বনানীতে ইনস্টিটিউট অব হজরত মুহাম্মদ
(সা.) আয়োজিত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের
ব্যক্তিদের প্রতিভা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি
উচ্চারণ করেন।
অনুষ্ঠানে
দেশের বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন,
আজকে বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের
কথা বলা হয়, যার
৯৯.৯ পার্সেন্টের মানুষ
চোখে দেখতে পান। কিন্তু যাদের
চোখে আলো আছে, যারা
এই দেশ গঠন করার
কথা এবং মানবিক মূল্যবোধের
কথা বলার কথা, তারা
অনেকেই আত্মকেন্দ্রিকতায় ভুগছেন। অথচ যাদের আমরা
প্রতিবন্ধী ভাবি, তাদের মুখের দিকে তাকালে মনে
হয় প্রত্যেকে এক একজন স্বপ্ন।
জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ত্যাগের কথা স্মরণ করে
আইনমন্ত্রী বলেন, যাদের চোখে আলো আছে
তাদের অনেকেরই মানুষের মতো মুখোশ রয়েছে।
সেই মুখোশ পরে তারা ঘুরে
বেড়ান এবং ২০১৪ বা
জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে পাখির মতো গুলি করে
মানুষ হত্যার ঘটনাগুলোকে অস্বীকার করেন।
এ সময় তিনি আরও
বলেন, এখনো মানুষের মুখোশধারী
অনেকে বলে বেড়াচ্ছেন যে
এগুলো কিছু হয় না।
তারা যেকোনো মূল্যে ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। তাই যে যেখানেই
থাকুন না কেন, চোখ
খুলুন এবং আমাদের অপরাধ
থাকলে নাগরিক হিসেবে সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী
চোখে আঙুল দিয়ে তা
দেখিয়ে দিন।
অনুষ্ঠানে
জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ১০ বছরের
শিশু আনাসের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে
তিনি বলেন, জন্মভূমিকে ভালোবেসে সেই শিশু মাকে
চিঠি লিখে মিছিলে গিয়েছিল
এবং স্বাধীনতার স্বাদ দিতে নিজের জীবন
উৎসর্গ করেছে। তাই বিরোধিতার জন্য
বিরোধিতা না করে, ফ্যাসিজম
যাতে আর কখনো মাথাচাড়া
দিয়ে উঠতে না পারে
এবং আমরাও যাতে ফ্যাসিস্ট হয়ে
না উঠি, সেজন্য একটি
কার্যকর রোডম্যাপ তৈরি করার আহ্বান
জানান তিনি।
অনুষ্ঠান
শেষে ইনস্টিটিউট অব হজরত মুহাম্মদ
(সা.)-এর মতো মানবকল্যাণমূলক
প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম প্রসারে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয়
সহযোগিতার আশ্বাস দেন আইনমন্ত্রী মো.
আসাদুজ্জামান।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
মুখোশধারী অনেকে এখনো ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে সতর্ক করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বুধবার
রাজধানীর বনানীতে ইনস্টিটিউট অব হজরত মুহাম্মদ
(সা.) আয়োজিত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের
ব্যক্তিদের প্রতিভা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি
উচ্চারণ করেন।
অনুষ্ঠানে
দেশের বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন,
আজকে বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের
কথা বলা হয়, যার
৯৯.৯ পার্সেন্টের মানুষ
চোখে দেখতে পান। কিন্তু যাদের
চোখে আলো আছে, যারা
এই দেশ গঠন করার
কথা এবং মানবিক মূল্যবোধের
কথা বলার কথা, তারা
অনেকেই আত্মকেন্দ্রিকতায় ভুগছেন। অথচ যাদের আমরা
প্রতিবন্ধী ভাবি, তাদের মুখের দিকে তাকালে মনে
হয় প্রত্যেকে এক একজন স্বপ্ন।
জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ত্যাগের কথা স্মরণ করে
আইনমন্ত্রী বলেন, যাদের চোখে আলো আছে
তাদের অনেকেরই মানুষের মতো মুখোশ রয়েছে।
সেই মুখোশ পরে তারা ঘুরে
বেড়ান এবং ২০১৪ বা
জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে পাখির মতো গুলি করে
মানুষ হত্যার ঘটনাগুলোকে অস্বীকার করেন।
এ সময় তিনি আরও
বলেন, এখনো মানুষের মুখোশধারী
অনেকে বলে বেড়াচ্ছেন যে
এগুলো কিছু হয় না।
তারা যেকোনো মূল্যে ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। তাই যে যেখানেই
থাকুন না কেন, চোখ
খুলুন এবং আমাদের অপরাধ
থাকলে নাগরিক হিসেবে সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী
চোখে আঙুল দিয়ে তা
দেখিয়ে দিন।
অনুষ্ঠানে
জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ১০ বছরের
শিশু আনাসের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে
তিনি বলেন, জন্মভূমিকে ভালোবেসে সেই শিশু মাকে
চিঠি লিখে মিছিলে গিয়েছিল
এবং স্বাধীনতার স্বাদ দিতে নিজের জীবন
উৎসর্গ করেছে। তাই বিরোধিতার জন্য
বিরোধিতা না করে, ফ্যাসিজম
যাতে আর কখনো মাথাচাড়া
দিয়ে উঠতে না পারে
এবং আমরাও যাতে ফ্যাসিস্ট হয়ে
না উঠি, সেজন্য একটি
কার্যকর রোডম্যাপ তৈরি করার আহ্বান
জানান তিনি।
অনুষ্ঠান
শেষে ইনস্টিটিউট অব হজরত মুহাম্মদ
(সা.)-এর মতো মানবকল্যাণমূলক
প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম প্রসারে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয়
সহযোগিতার আশ্বাস দেন আইনমন্ত্রী মো.
আসাদুজ্জামান।

আপনার মতামত লিখুন