হিমবাহধস ও ভয়াবহ বন্যার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে তিব্বত। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মধ্যরাতে উত্তর তিব্বতে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫।
জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। তবে ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল গত বুধবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নেপাল ও চীন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে কয়েক শ মাইল উত্তরে অবস্থিত।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, বুধবার তিব্বতের নাগকু এলাকায় ৪ দশমিক ৭ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। পরপর দুটি ভূমিকম্পে অঞ্চলটিতে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে তিব্বতে একটি ‘ব্যারিয়ার লেক’ বা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়া হ্রদের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় চীন সরকার চতুর্থ স্তরের ‘ফ্লাড রেসপন্স’ বা বন্যা মোকাবিলা সতর্কতা জারি করেছে। দেশটির পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে হ্রদটির পানির স্তর ও বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি ও পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য ইতোমধ্যে একটি বিশেষজ্ঞ দলকে গিরং কাউন্টিতে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরে হিমবাহধস ও আকস্মিক বন্যায় ওই অঞ্চলের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
/

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
হিমবাহধস ও ভয়াবহ বন্যার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে তিব্বত। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মধ্যরাতে উত্তর তিব্বতে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫।
জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। তবে ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল গত বুধবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নেপাল ও চীন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে কয়েক শ মাইল উত্তরে অবস্থিত।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, বুধবার তিব্বতের নাগকু এলাকায় ৪ দশমিক ৭ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। পরপর দুটি ভূমিকম্পে অঞ্চলটিতে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে তিব্বতে একটি ‘ব্যারিয়ার লেক’ বা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়া হ্রদের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় চীন সরকার চতুর্থ স্তরের ‘ফ্লাড রেসপন্স’ বা বন্যা মোকাবিলা সতর্কতা জারি করেছে। দেশটির পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে হ্রদটির পানির স্তর ও বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি ও পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য ইতোমধ্যে একটি বিশেষজ্ঞ দলকে গিরং কাউন্টিতে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরে হিমবাহধস ও আকস্মিক বন্যায় ওই অঞ্চলের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন