সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর সাত শ্রমিকের মরদেহ নিজ গ্রামে এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহগুলো জেলার আত্রাই উপজেলায় নেওয়া হয়। প্রিয়জনদের মরদেহ পৌঁছানোর পর থেকেই এলাকায় শোকের মাতম চলছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে (বিজি-৩৪০) মরদেহগুলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখান থেকে প্রশাসনের সহায়তায় মরদেহগুলো সরাসরি আত্রাইয়ে পাঠানো হয়। মধ্যরাতে মরদেহগুলো আত্রাই থানা চত্বরে পৌঁছালে স্বজন ও এলাকাবাসী কান্নায় ভেঙে পড়েন।
নিহত সাতজন হলে–আত্রাই উপজেলার উদনপৈ গ্রামের মো. ফরিদ, গণ্ডগোহালী গ্রামের রুবেল প্রামাণিক, একই গ্রামের দুই সহোদর মোহন আলী ও সুমন আলী এবং কলিমুদ্দিন, ডুবাই গ্রামের সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরদার।
রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, ওই সোফা কারখানার আগুনে মোট ১৬ জন বাংলাদেশি কর্মী প্রাণ হারান। ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত হওয়া ৯ জনের মধ্যে নওগাঁর এই সাতজনের মরদেহ প্রথম ধাপে পাঠানো হলো।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান জানান, নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার খরচ ছাড়াই মরদেহগুলো এলাকায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় আত্রাই মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে প্রশাসনের উদ্যোগে সাতজনের যৌথ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহগুলো দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বাকিদের মরদেহ ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াও অব্যাহত রয়েছে।
/

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর সাত শ্রমিকের মরদেহ নিজ গ্রামে এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহগুলো জেলার আত্রাই উপজেলায় নেওয়া হয়। প্রিয়জনদের মরদেহ পৌঁছানোর পর থেকেই এলাকায় শোকের মাতম চলছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে (বিজি-৩৪০) মরদেহগুলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখান থেকে প্রশাসনের সহায়তায় মরদেহগুলো সরাসরি আত্রাইয়ে পাঠানো হয়। মধ্যরাতে মরদেহগুলো আত্রাই থানা চত্বরে পৌঁছালে স্বজন ও এলাকাবাসী কান্নায় ভেঙে পড়েন।
নিহত সাতজন হলে–আত্রাই উপজেলার উদনপৈ গ্রামের মো. ফরিদ, গণ্ডগোহালী গ্রামের রুবেল প্রামাণিক, একই গ্রামের দুই সহোদর মোহন আলী ও সুমন আলী এবং কলিমুদ্দিন, ডুবাই গ্রামের সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরদার।
রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, ওই সোফা কারখানার আগুনে মোট ১৬ জন বাংলাদেশি কর্মী প্রাণ হারান। ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত হওয়া ৯ জনের মধ্যে নওগাঁর এই সাতজনের মরদেহ প্রথম ধাপে পাঠানো হলো।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান জানান, নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার খরচ ছাড়াই মরদেহগুলো এলাকায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় আত্রাই মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে প্রশাসনের উদ্যোগে সাতজনের যৌথ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহগুলো দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বাকিদের মরদেহ ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াও অব্যাহত রয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন