ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চলমান তৃতীয় অধিবেশন আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদ কার্য উপদেষ্টা কমিটির চতুর্থ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, সরকারি ছুটির দিন এবং ৩১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর ছাড়া প্রতিদিন বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হবে। তবে জনস্বার্থে বা বিশেষ প্রয়োজনে স্পিকার অধিবেশনের সময় ও কার্যদিবসের যেকোনো পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখেন।
বৈঠকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অধিবেশনে পাসের অপেক্ষায় থাকা বিল এবং জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের ওপর আলোচনার সময় বরাদ্দ ও অধিবেশনের স্থায়িত্বকাল নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে আগামী এক বছরের সম্ভাব্য অধিবেশনগুলোর দিনক্ষণ ও ব্যাপ্তি নিয়ে প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি করেছে কমিটি।
এবারের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দেওয়ার জন্য ১৪২টি এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের জন্য ২ হাজার ৬৭৬টিসহ মোট ২ হাজার ৮১৮টি প্রশ্ন জমা পড়েছে। এ ছাড়া কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ অনুযায়ী মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ৮১টি এবং সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের নোটিশ জমা পড়েছে ২৪৯টি।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এবং আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। স্পিকারের বিশেষ আমন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালও বৈঠকে অংশ নেন।
/

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চলমান তৃতীয় অধিবেশন আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদ কার্য উপদেষ্টা কমিটির চতুর্থ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, সরকারি ছুটির দিন এবং ৩১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর ছাড়া প্রতিদিন বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হবে। তবে জনস্বার্থে বা বিশেষ প্রয়োজনে স্পিকার অধিবেশনের সময় ও কার্যদিবসের যেকোনো পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখেন।
বৈঠকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অধিবেশনে পাসের অপেক্ষায় থাকা বিল এবং জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের ওপর আলোচনার সময় বরাদ্দ ও অধিবেশনের স্থায়িত্বকাল নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে আগামী এক বছরের সম্ভাব্য অধিবেশনগুলোর দিনক্ষণ ও ব্যাপ্তি নিয়ে প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি করেছে কমিটি।
এবারের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দেওয়ার জন্য ১৪২টি এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের জন্য ২ হাজার ৬৭৬টিসহ মোট ২ হাজার ৮১৮টি প্রশ্ন জমা পড়েছে। এ ছাড়া কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ অনুযায়ী মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ৮১টি এবং সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের নোটিশ জমা পড়েছে ২৪৯টি।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এবং আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। স্পিকারের বিশেষ আমন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালও বৈঠকে অংশ নেন।
/

আপনার মতামত লিখুন