সংবাদ

বার্ড ফ্লু আতঙ্কে অ্যান্টার্কটিক দ্বীপ ছাড়ছেন গবেষকরা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

বার্ড ফ্লু আতঙ্কে অ্যান্টার্কটিক দ্বীপ ছাড়ছেন গবেষকরা
ছবি : সংগৃহীত

প্রাণঘাতী এইচ-৫ (H5) বার্ড ফ্লু বা এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমণের আশঙ্কায় ম্যাকুয়ারি দ্বীপের গবেষণা স্টেশন থেকে কর্মীদের সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শুক্রবার দেশটির জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, পরিবেশ ও পানি মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

অস্ট্রেলিয়ান অ্যান্টার্কটিক ডিভিশন (এএডি) জানিয়েছে, দক্ষিণ মহাসাগরের এই দ্বীপে সম্ভাব্য বার্ড ফ্লু প্রাদুর্ভাবের মানসিক ও সামাজিক ঝুঁকি বিবেচনা করে এই ‘কঠিন সিদ্ধান্ত’ নেওয়া হয়েছে। তাসমানিয়া থেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত এই গবেষণা স্টেশনে বর্তমানে ২৪ জন সদস্য কাজ করছেন। ১৯৪৮ সালে এটি স্থাপিত হয়েছিল।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ম্যাকুয়ারি দ্বীপে বার্ড ফ্লু শনাক্ত না হলেও দ্বীপটি প্রচুর সংখ্যক ‘এলিফ্যান্ট সিল’-এর আবাসস্থল। আসন্ন প্রজনন মৌসুমে এই প্রাণীদের মধ্যে ব্যাপক মৃত্যুর উচ্চ ঝুঁকি দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। উল্লেখ্য, সাব-অ্যান্টার্কটিক অঞ্চলের হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপে এলিফ্যান্ট সিলের বাচ্চার মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি দেখা গেছে, যা উদ্বেগের মূল কারণ।

এদিকে, দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার গোলোয়া উপকূল থেকে উদ্ধার করা একটি মৃত ডলফিনের শরীরে এইচ-৫এন-১ (H5N1) বার্ড ফ্লু ধরা পড়েছে। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার প্রধান ভেটেরিনারি অফিসার স্কাই ফ্রুয়ান জানান, ডলফিন এই ভাইরাসে অতিমাত্রায় সংবেদনশীল। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ায় এ পর্যন্ত বন্যপ্রাণীদের মধ্যে ৩৫৪টি বার্ড ফ্লু সংক্রমণের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে ২০৩টিই ঘটেছে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায়।

সূত্র: আনাদুলু

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬


বার্ড ফ্লু আতঙ্কে অ্যান্টার্কটিক দ্বীপ ছাড়ছেন গবেষকরা

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

প্রাণঘাতী এইচ-৫ (H5) বার্ড ফ্লু বা এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমণের আশঙ্কায় ম্যাকুয়ারি দ্বীপের গবেষণা স্টেশন থেকে কর্মীদের সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শুক্রবার দেশটির জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, পরিবেশ ও পানি মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

অস্ট্রেলিয়ান অ্যান্টার্কটিক ডিভিশন (এএডি) জানিয়েছে, দক্ষিণ মহাসাগরের এই দ্বীপে সম্ভাব্য বার্ড ফ্লু প্রাদুর্ভাবের মানসিক ও সামাজিক ঝুঁকি বিবেচনা করে এই ‘কঠিন সিদ্ধান্ত’ নেওয়া হয়েছে। তাসমানিয়া থেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত এই গবেষণা স্টেশনে বর্তমানে ২৪ জন সদস্য কাজ করছেন। ১৯৪৮ সালে এটি স্থাপিত হয়েছিল।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ম্যাকুয়ারি দ্বীপে বার্ড ফ্লু শনাক্ত না হলেও দ্বীপটি প্রচুর সংখ্যক ‘এলিফ্যান্ট সিল’-এর আবাসস্থল। আসন্ন প্রজনন মৌসুমে এই প্রাণীদের মধ্যে ব্যাপক মৃত্যুর উচ্চ ঝুঁকি দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। উল্লেখ্য, সাব-অ্যান্টার্কটিক অঞ্চলের হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপে এলিফ্যান্ট সিলের বাচ্চার মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি দেখা গেছে, যা উদ্বেগের মূল কারণ।

এদিকে, দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার গোলোয়া উপকূল থেকে উদ্ধার করা একটি মৃত ডলফিনের শরীরে এইচ-৫এন-১ (H5N1) বার্ড ফ্লু ধরা পড়েছে। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার প্রধান ভেটেরিনারি অফিসার স্কাই ফ্রুয়ান জানান, ডলফিন এই ভাইরাসে অতিমাত্রায় সংবেদনশীল। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ায় এ পর্যন্ত বন্যপ্রাণীদের মধ্যে ৩৫৪টি বার্ড ফ্লু সংক্রমণের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে ২০৩টিই ঘটেছে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায়।

সূত্র: আনাদুলু


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত