রাজধানীর শাহ আলী থানা এলাকায় ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে সুমন (৩২) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার
নিয়াজ মেহেদী এই তথ্য নিশ্চিত
করেছেন।
শাহ
আলী থানার বরাত দিয়ে অতিরিক্ত
উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী গণমাধ্যমকে জানান, গত বুধবার বিকেল
সাড়ে চারটার দিকে শাহ আলী
থানার রয়েল সিটি পকেট
গেট সংলগ্ন এলাকায় এই ন্যক্কারজনক ঘটনা
ঘটে বলে ভুক্তভোগী শিশুর
পরিবার থেকে অভিযোগ করা
হয়েছে। ঘটনার পর শিশুটি অসুস্থতা
বোধ করলে তার মা
তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে
যান।
সেখানে
কর্তব্যরত চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটি ধর্ষণের
শিকার হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা
করেন এবং উন্নত চিকিৎসার
জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস
সেন্টারে রেফার করেন।
হাসপাতালে
নেওয়ার পর শিশুটির মা
তাকে পুরো ঘটনা সম্পর্কে
জিজ্ঞাসা করেন। তখন শিশুটি জানায়,
পাশের বাসার ভাড়াটিয়া সুমন তাকে কৌশলে
নিজের কক্ষে নিয়ে এই জঘন্য
অপরাধ ঘটিয়েছে। মেয়ের মুখে এই লোমহর্ষক
বর্ণনা শোনার পর শিশুর মা
বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার শাহ
আলী থানায় একটি লিখিত এজাহার
দায়ের করেন।
এজাহারের
ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে নড়েচড়ে বসে পুলিশ। শাহ
আলী থানা পুলিশের একটি
দল বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক আটটার
দিকে এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সুমনকে তার নিজের বাসা
থেকেই গ্রেফতার করে।
পুলিশ
জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনি প্রক্রিয়া
শেষে গ্রেফতার সুমনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর শাহ আলী থানা এলাকায় ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে সুমন (৩২) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার
নিয়াজ মেহেদী এই তথ্য নিশ্চিত
করেছেন।
শাহ
আলী থানার বরাত দিয়ে অতিরিক্ত
উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী গণমাধ্যমকে জানান, গত বুধবার বিকেল
সাড়ে চারটার দিকে শাহ আলী
থানার রয়েল সিটি পকেট
গেট সংলগ্ন এলাকায় এই ন্যক্কারজনক ঘটনা
ঘটে বলে ভুক্তভোগী শিশুর
পরিবার থেকে অভিযোগ করা
হয়েছে। ঘটনার পর শিশুটি অসুস্থতা
বোধ করলে তার মা
তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে
যান।
সেখানে
কর্তব্যরত চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটি ধর্ষণের
শিকার হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা
করেন এবং উন্নত চিকিৎসার
জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস
সেন্টারে রেফার করেন।
হাসপাতালে
নেওয়ার পর শিশুটির মা
তাকে পুরো ঘটনা সম্পর্কে
জিজ্ঞাসা করেন। তখন শিশুটি জানায়,
পাশের বাসার ভাড়াটিয়া সুমন তাকে কৌশলে
নিজের কক্ষে নিয়ে এই জঘন্য
অপরাধ ঘটিয়েছে। মেয়ের মুখে এই লোমহর্ষক
বর্ণনা শোনার পর শিশুর মা
বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার শাহ
আলী থানায় একটি লিখিত এজাহার
দায়ের করেন।
এজাহারের
ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে নড়েচড়ে বসে পুলিশ। শাহ
আলী থানা পুলিশের একটি
দল বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক আটটার
দিকে এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সুমনকে তার নিজের বাসা
থেকেই গ্রেফতার করে।
পুলিশ
জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনি প্রক্রিয়া
শেষে গ্রেফতার সুমনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন