জামায়াতে ইসলামী বিগত ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগের ভেতরেই লুকিয়ে ছিল বলে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
তিনি
দাবি করেছেন, ইতিহাসের নির্মম বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে বিচার করলে জামায়াতের তুলনায়
আওয়ামী লীগের অপরাধকে বরং লঘুই বলা
চলে।
শুক্রবার
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক
‘বিস্ফোরক’ পোস্টে তিনি এই মন্তব্য
করেন।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ওই পোস্টে রাশেদ
খাঁন উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের সঙ্গে বিরোধী দলের আচরণ নিয়ে
জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ
তাহের যে মন্তব্য করেছেন,
তা মূলত একটি সুদূরপ্রসারী
রাজনৈতিক পরিকল্পনার অংশ। তিনি তার
পোস্টে লেখেন, আমি আগেই বলেছিলাম
যে ভবিষ্যতে জামায়াত ও এনসিপি আওয়ামী
লীগকে সঙ্গে নিয়েই মাঠে নামবে এবং
এমপি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের সাম্প্রতিক বক্তব্যেই সেই বিষয়টি সম্পূর্ণ
স্পষ্ট হয়ে গেছে।
প্রধানমন্ত্রী
কার্যালয়ের এই কর্মকর্তা আরও
বলেন, আগামী সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাসের
মধ্যে লংমার্চের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করে এবং ডিসেম্বর
থেকে আওয়ামী লীগসহ অন্যান্যদের নিয়ে মাঠে নামার
পরিকল্পনা করছে জামায়াত। তাহের
সাহেবের এমন বক্তব্যের মাধ্যমে
এটিই প্রতীয়মান হয়, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে
১৪’শ এর অধিক
শহীদ এবং ৩০ হাজার
আহত যোদ্ধার বুকের তাজা রক্ত জামায়াতের
কাছে আসলে পাত্তাই পায়
না।
১৯৭১
সালের কথা স্মরণ করিয়ে
দিয়ে রাশেদ খাঁন পোস্টে লেখেন,
জামায়াত একাত্তরে এর চেয়েও বহুগুণ
বেশি রক্ত ঝরিয়েছে। সে
কারণেই হয়তো জামায়াতের তুলনায়
আওয়ামী লীগের অপরাধ তাদের কাছে লঘুই মনে
হয়। তা না হলে
চব্বিশের গণহত্যাকারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও
কেন জামায়াতের ওপর বড় কোনো
দমনপীড়ন চালানো হলো না, সেই
প্রশ্ন তুলে তিনি ক্ষোভ
প্রকাশ করেন।
পোস্টের শেষ পর্যায়ে তিনি লেখেন, বাস্তবতা হলো জামায়াত তো বিগত ১৬ বছর ধরেই আওয়ামী লীগের লেজুড়বৃত্তি করে তাদের আঁচলের তলায় লুকিয়ে ছিল। ফলে আওয়ামী লীগ কেনই বা তাদের সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করবে? এর প্রতিদানস্বরূপ আজ আওয়ামী লীগের নৃশংস অপরাধকে নরমালাইজ বা স্বাভাবিক করার জন্য তাহের সাহেবরা নতুন নতুন বয়ান বাজারে ছাড়ছেন। আর তাদের পাশে দাঁড়িয়ে নির্বিকারভাবে সেই দৃশ্য উপভোগ করছেন নাহিদ ইসলাম! দীর্ঘ এই ফেসবুক স্ট্যাটাসের একেবারে শেষাংশে তিনি ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
জামায়াতে ইসলামী বিগত ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগের ভেতরেই লুকিয়ে ছিল বলে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
তিনি
দাবি করেছেন, ইতিহাসের নির্মম বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে বিচার করলে জামায়াতের তুলনায়
আওয়ামী লীগের অপরাধকে বরং লঘুই বলা
চলে।
শুক্রবার
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক
‘বিস্ফোরক’ পোস্টে তিনি এই মন্তব্য
করেন।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ওই পোস্টে রাশেদ
খাঁন উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের সঙ্গে বিরোধী দলের আচরণ নিয়ে
জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ
তাহের যে মন্তব্য করেছেন,
তা মূলত একটি সুদূরপ্রসারী
রাজনৈতিক পরিকল্পনার অংশ। তিনি তার
পোস্টে লেখেন, আমি আগেই বলেছিলাম
যে ভবিষ্যতে জামায়াত ও এনসিপি আওয়ামী
লীগকে সঙ্গে নিয়েই মাঠে নামবে এবং
এমপি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের সাম্প্রতিক বক্তব্যেই সেই বিষয়টি সম্পূর্ণ
স্পষ্ট হয়ে গেছে।
প্রধানমন্ত্রী
কার্যালয়ের এই কর্মকর্তা আরও
বলেন, আগামী সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাসের
মধ্যে লংমার্চের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করে এবং ডিসেম্বর
থেকে আওয়ামী লীগসহ অন্যান্যদের নিয়ে মাঠে নামার
পরিকল্পনা করছে জামায়াত। তাহের
সাহেবের এমন বক্তব্যের মাধ্যমে
এটিই প্রতীয়মান হয়, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে
১৪’শ এর অধিক
শহীদ এবং ৩০ হাজার
আহত যোদ্ধার বুকের তাজা রক্ত জামায়াতের
কাছে আসলে পাত্তাই পায়
না।
১৯৭১
সালের কথা স্মরণ করিয়ে
দিয়ে রাশেদ খাঁন পোস্টে লেখেন,
জামায়াত একাত্তরে এর চেয়েও বহুগুণ
বেশি রক্ত ঝরিয়েছে। সে
কারণেই হয়তো জামায়াতের তুলনায়
আওয়ামী লীগের অপরাধ তাদের কাছে লঘুই মনে
হয়। তা না হলে
চব্বিশের গণহত্যাকারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও
কেন জামায়াতের ওপর বড় কোনো
দমনপীড়ন চালানো হলো না, সেই
প্রশ্ন তুলে তিনি ক্ষোভ
প্রকাশ করেন।
পোস্টের শেষ পর্যায়ে তিনি লেখেন, বাস্তবতা হলো জামায়াত তো বিগত ১৬ বছর ধরেই আওয়ামী লীগের লেজুড়বৃত্তি করে তাদের আঁচলের তলায় লুকিয়ে ছিল। ফলে আওয়ামী লীগ কেনই বা তাদের সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করবে? এর প্রতিদানস্বরূপ আজ আওয়ামী লীগের নৃশংস অপরাধকে নরমালাইজ বা স্বাভাবিক করার জন্য তাহের সাহেবরা নতুন নতুন বয়ান বাজারে ছাড়ছেন। আর তাদের পাশে দাঁড়িয়ে নির্বিকারভাবে সেই দৃশ্য উপভোগ করছেন নাহিদ ইসলাম! দীর্ঘ এই ফেসবুক স্ট্যাটাসের একেবারে শেষাংশে তিনি ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন।

আপনার মতামত লিখুন