কলকাতায় নিউমার্কেটের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার
(৩১ আগস্ট) ব্যস্ততম এই স্টেশনের একটি
ফুড প্লাজায় হঠাৎ করেই আগুন
লেগে চারদিক কালো ধোঁয়ায় ঢেকে
যায়। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায়
যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে
পড়লেও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে কোনো হতাহতের খবর
পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, সোমবার সকালে হঠাৎ করেই শিয়ালদহ
স্টেশনের বাইরে অবস্থিত ফুড প্লাজা থেকে
তীব্র কালো ধোঁয়া বের
হতে দেখা যায়। মুহূর্তের
মধ্যে সেই ধোঁয়া লেলিহান
শিখায় রূপ নেয়। ফুড
প্লাজার ভেতরে থাকা কর্মীরা কোনোমতে
জীবন বাঁচিয়ে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। ফুড প্লাজার ঠিক
পাশেই আরও বেশ কয়েকটি
খাবারের দোকান থাকায় সেখানকার দাহ্য পদার্থের কারণে আগুন চারদিকে দ্রুত
ছড়িয়ে পড়ার তীব্র আশঙ্কা
তৈরি হয়েছিল। ভয়ে ও আতঙ্কে
স্টেশনের সাধারণ যাত্রীরা এদিক-ওদিক ছোটাছুটি
শুরু করেন।
পরিস্থিতি
বেগতিক দেখে উপস্থিত যাত্রীরা
সঙ্গে সঙ্গে শিয়ালদহ স্টেশনের জিআরপিকে পুরো বিষয়টি জানান।
জিআরপি পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় দমকল বাহিনীকে খবর
দেয়। খবর পাওয়া মাত্রই
দমকলের তিনটি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়
আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।
দমকল বাহিনীর দীর্ঘ ও আন্তরিক প্রচেষ্টায়
শেষ পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে
এবং বড় ধরনের কোনো
বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়।
দমকল
বাহিনীর প্রাথমিক অনুমান, বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিট থেকেই
এই ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এর আগে গত
বুধবার (১৯ আগস্ট) কলকাতার
মির্জা গালিব স্ট্রিটে ‘শিখা ইন’ নামের
একটি আবাসিক হোটেলে বিধ্বংসী আগুনে ঘুমন্ত অবস্থায় নয়জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল, যাদের মধ্যে সাতজনই ছিলেন বাংলাদেশি পর্যটক।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
কলকাতায় নিউমার্কেটের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার
(৩১ আগস্ট) ব্যস্ততম এই স্টেশনের একটি
ফুড প্লাজায় হঠাৎ করেই আগুন
লেগে চারদিক কালো ধোঁয়ায় ঢেকে
যায়। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায়
যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে
পড়লেও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে কোনো হতাহতের খবর
পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, সোমবার সকালে হঠাৎ করেই শিয়ালদহ
স্টেশনের বাইরে অবস্থিত ফুড প্লাজা থেকে
তীব্র কালো ধোঁয়া বের
হতে দেখা যায়। মুহূর্তের
মধ্যে সেই ধোঁয়া লেলিহান
শিখায় রূপ নেয়। ফুড
প্লাজার ভেতরে থাকা কর্মীরা কোনোমতে
জীবন বাঁচিয়ে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। ফুড প্লাজার ঠিক
পাশেই আরও বেশ কয়েকটি
খাবারের দোকান থাকায় সেখানকার দাহ্য পদার্থের কারণে আগুন চারদিকে দ্রুত
ছড়িয়ে পড়ার তীব্র আশঙ্কা
তৈরি হয়েছিল। ভয়ে ও আতঙ্কে
স্টেশনের সাধারণ যাত্রীরা এদিক-ওদিক ছোটাছুটি
শুরু করেন।
পরিস্থিতি
বেগতিক দেখে উপস্থিত যাত্রীরা
সঙ্গে সঙ্গে শিয়ালদহ স্টেশনের জিআরপিকে পুরো বিষয়টি জানান।
জিআরপি পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় দমকল বাহিনীকে খবর
দেয়। খবর পাওয়া মাত্রই
দমকলের তিনটি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়
আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।
দমকল বাহিনীর দীর্ঘ ও আন্তরিক প্রচেষ্টায়
শেষ পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে
এবং বড় ধরনের কোনো
বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়।
দমকল
বাহিনীর প্রাথমিক অনুমান, বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিট থেকেই
এই ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এর আগে গত
বুধবার (১৯ আগস্ট) কলকাতার
মির্জা গালিব স্ট্রিটে ‘শিখা ইন’ নামের
একটি আবাসিক হোটেলে বিধ্বংসী আগুনে ঘুমন্ত অবস্থায় নয়জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল, যাদের মধ্যে সাতজনই ছিলেন বাংলাদেশি পর্যটক।

আপনার মতামত লিখুন