গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য বরাদ্দ করা ১৭টি বাসের মধ্যে ৬টিই দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ে আছে। কোনোটি টায়ারের অভাবে, কোনোটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গ্যারেজে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান যন্ত্রাংশ। বছরের পর বছর বাসগুলো মেরামত না করায় যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে স্টুডেন্ট বাসের বহরে থাকা ১৭টির মধ্যে ১১টি সচল থাকলেও ৬টি পুরোপুরি বন্ধ। এর মধ্যে ১১ নম্বর বাসটি শুধু টায়ারের অভাবে চলাচল করতে পারছে না। অচল বাসগুলোর কোনো কোনটি ২০২০-২১ সাল থেকেই বিকল হয়ে আছে। শিক্ষার্থীদের চাপ সামলাতে বাধ্য হয়ে বর্তমানে চারটি বিআরটিসি বাস ভাড়া করে চালানো হচ্ছে, যার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতি মাসে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ।
পরিবহন দপ্তরে বর্তমানে মোট ৩১টি যানবাহন রয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষকদের জন্য একটি বাস, কর্মকর্তাদের জন্য একটি কোস্টার, চারটি মাইক্রোবাস (যার দুটি অচল), ছয়টি জিপ, একটি পিকআপ ও মাত্র একটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। বিশাল এই ক্যাম্পাসে জরুরি প্রয়োজনে একটি মাত্র অ্যাম্বুলেন্স মোটেও যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন শিক্ষার্থীরা।
পরিবহন প্রশাসক হাসেম রেজা বলেন, ‘বাজেট স্বল্পতার কারণে আমরা নিয়মিত চলমান বাসগুলোই মেরামত করতে হিমশিম খাচ্ছি। গ্যারেজ সংকটও একটি বড় সমস্যা। নতুন উপাচার্যকে বিষয়টি জানানো হয়েছে, আশা করছি দ্রুত সমাধান হবে।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, ‘আমি নতুন দায়িত্ব পেয়েছি, আমাকে কিছুটা সময় দিন। আমরা বাসগুলো নিয়ে কাজ শুরু করেছি। অর্থসংকট থাকায় নতুন বাস কেনা সম্ভব নয়, তাই পুরনো বাসগুলোকেই মেরামত করে ব্যবহারের উপযো গী করার চেষ্টা করছি।’
পরিবহন খাতে বাজেট বাড়ানো এবং দ্রুত অচল বাসগুলো সচল করে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ভোগান্তি কমানোর দাবি সাধারণ শিক্ষার্থীদের।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য বরাদ্দ করা ১৭টি বাসের মধ্যে ৬টিই দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ে আছে। কোনোটি টায়ারের অভাবে, কোনোটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গ্যারেজে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান যন্ত্রাংশ। বছরের পর বছর বাসগুলো মেরামত না করায় যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে স্টুডেন্ট বাসের বহরে থাকা ১৭টির মধ্যে ১১টি সচল থাকলেও ৬টি পুরোপুরি বন্ধ। এর মধ্যে ১১ নম্বর বাসটি শুধু টায়ারের অভাবে চলাচল করতে পারছে না। অচল বাসগুলোর কোনো কোনটি ২০২০-২১ সাল থেকেই বিকল হয়ে আছে। শিক্ষার্থীদের চাপ সামলাতে বাধ্য হয়ে বর্তমানে চারটি বিআরটিসি বাস ভাড়া করে চালানো হচ্ছে, যার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতি মাসে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ।
পরিবহন দপ্তরে বর্তমানে মোট ৩১টি যানবাহন রয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষকদের জন্য একটি বাস, কর্মকর্তাদের জন্য একটি কোস্টার, চারটি মাইক্রোবাস (যার দুটি অচল), ছয়টি জিপ, একটি পিকআপ ও মাত্র একটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। বিশাল এই ক্যাম্পাসে জরুরি প্রয়োজনে একটি মাত্র অ্যাম্বুলেন্স মোটেও যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন শিক্ষার্থীরা।
পরিবহন প্রশাসক হাসেম রেজা বলেন, ‘বাজেট স্বল্পতার কারণে আমরা নিয়মিত চলমান বাসগুলোই মেরামত করতে হিমশিম খাচ্ছি। গ্যারেজ সংকটও একটি বড় সমস্যা। নতুন উপাচার্যকে বিষয়টি জানানো হয়েছে, আশা করছি দ্রুত সমাধান হবে।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, ‘আমি নতুন দায়িত্ব পেয়েছি, আমাকে কিছুটা সময় দিন। আমরা বাসগুলো নিয়ে কাজ শুরু করেছি। অর্থসংকট থাকায় নতুন বাস কেনা সম্ভব নয়, তাই পুরনো বাসগুলোকেই মেরামত করে ব্যবহারের উপযো গী করার চেষ্টা করছি।’
পরিবহন খাতে বাজেট বাড়ানো এবং দ্রুত অচল বাসগুলো সচল করে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ভোগান্তি কমানোর দাবি সাধারণ শিক্ষার্থীদের।

আপনার মতামত লিখুন