কিশোরগঞ্জের ভৈরবে
বিশেষ অভিযান চালিয়ে স্বপন মিয়া (৪০) নামের এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গত মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের শ্রীনগর উত্তর
পাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে
আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার স্বপন
মিয়া শ্রীনগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি এবং ওই এলাকার মৃত ওমর মিয়ার
ছেলে।
ভৈরব থানা-পুলিশ
সূত্রে জানা গেছে, যুবলীগ নেতা স্বপন মিয়ার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে
এবং পরবর্তী সময়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও সহিংসতার একাধিক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।
ওই সব অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে স্বপন মিয়ার
ভাই মোহাম্মদ মুছা মিয়া দাবি করেন, তার ভাইয়ের নামে থানায় আগে কোনো মামলা ছিল না। তিনি
বলেন, ‘আমার ভাই শারীরিক প্রতিবন্ধী, তার প্রতিবন্ধী কার্ডও রয়েছে। পারিবারিক শত্রুতার
জেরে তাকে মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট
অভিযোগ রয়েছে। তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেও অপরাধী হিসেবে ছাড় পাওয়ার সুযোগ নেই। বৈষম্যবিরোধী
আন্দোলনের সময় ভাঙচুর ও নাশকতায় তার জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। আমাদের
এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে
বিশেষ অভিযান চালিয়ে স্বপন মিয়া (৪০) নামের এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গত মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের শ্রীনগর উত্তর
পাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে
আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার স্বপন
মিয়া শ্রীনগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি এবং ওই এলাকার মৃত ওমর মিয়ার
ছেলে।
ভৈরব থানা-পুলিশ
সূত্রে জানা গেছে, যুবলীগ নেতা স্বপন মিয়ার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে
এবং পরবর্তী সময়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও সহিংসতার একাধিক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।
ওই সব অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে স্বপন মিয়ার
ভাই মোহাম্মদ মুছা মিয়া দাবি করেন, তার ভাইয়ের নামে থানায় আগে কোনো মামলা ছিল না। তিনি
বলেন, ‘আমার ভাই শারীরিক প্রতিবন্ধী, তার প্রতিবন্ধী কার্ডও রয়েছে। পারিবারিক শত্রুতার
জেরে তাকে মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট
অভিযোগ রয়েছে। তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেও অপরাধী হিসেবে ছাড় পাওয়ার সুযোগ নেই। বৈষম্যবিরোধী
আন্দোলনের সময় ভাঙচুর ও নাশকতায় তার জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। আমাদের
এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

আপনার মতামত লিখুন