সংবাদ

লৌহজংয়ে পদ্মার তীব্র ভাঙন: ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্কে শতাধিক পরিবার


মো. সুবিন, লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ)
মো. সুবিন, লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ)
প্রকাশ: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম

লৌহজংয়ে পদ্মার তীব্র ভাঙন: ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্কে শতাধিক পরিবার
ছবি : সংবাদ

মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম গাঁওদিয়া এলাকায় হঠাৎ পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে নদীর তীরসংলগ্ন প্রায় ২০০ ফুট এলাকা বিলীন হয়ে গেছে। এতে বসতভিটা ও ফসলি জমি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে নদীতীরবর্তী শতাধিক পরিবার।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর থেকে প্রবল স্রোত ও ঘূর্ণিপাকের কারণে নদীতীর ধসে পড়তে শুরু করে। ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করায় আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের ঘরবাড়ি ও গবাদিপশু নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন। বসতবাড়ি ছাড়াও স্থানীয় সড়ক, সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও বিস্তীর্ণ ফসলি জমি এখন ভাঙনের মুখে।

পশ্চিম গাঁওদিয়া এলাকার বাসিন্দা শাহ আলম বলেন, ‘চোখের সামনে জমিজমা নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আমাদের আর থাকার জায়গা থাকবে না।’ আরেক বাসিন্দা রাবেয়া বলেন, ‘বসতভিটা ভেঙে গেলে আমরা কোথায় যাব? আমাদের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।’

গাঁওদিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তোবারক ঢালী জানান, জোয়ারের পানির তোড়ে ২০০ ফুটের মতো এলাকা নদীতে চলে গেছে। নদীর গভীরতাও অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আগে নদীভাঙন ঠেকাতে ফেলা জিও ব্যাগগুলো স্রোতে সরে যাওয়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু। তিনি বলেন, ‘পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা হয়েছে। আপাতত জিও ব্যাগ ও ব্লক ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা চলছে।’

মুন্সিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ভাঙনকবলিত এলাকায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বোর্ড।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


লৌহজংয়ে পদ্মার তীব্র ভাঙন: ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্কে শতাধিক পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম গাঁওদিয়া এলাকায় হঠাৎ পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে নদীর তীরসংলগ্ন প্রায় ২০০ ফুট এলাকা বিলীন হয়ে গেছে। এতে বসতভিটা ও ফসলি জমি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে নদীতীরবর্তী শতাধিক পরিবার।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর থেকে প্রবল স্রোত ও ঘূর্ণিপাকের কারণে নদীতীর ধসে পড়তে শুরু করে। ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করায় আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের ঘরবাড়ি ও গবাদিপশু নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন। বসতবাড়ি ছাড়াও স্থানীয় সড়ক, সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও বিস্তীর্ণ ফসলি জমি এখন ভাঙনের মুখে।

পশ্চিম গাঁওদিয়া এলাকার বাসিন্দা শাহ আলম বলেন, ‘চোখের সামনে জমিজমা নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আমাদের আর থাকার জায়গা থাকবে না।’ আরেক বাসিন্দা রাবেয়া বলেন, ‘বসতভিটা ভেঙে গেলে আমরা কোথায় যাব? আমাদের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।’

গাঁওদিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তোবারক ঢালী জানান, জোয়ারের পানির তোড়ে ২০০ ফুটের মতো এলাকা নদীতে চলে গেছে। নদীর গভীরতাও অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আগে নদীভাঙন ঠেকাতে ফেলা জিও ব্যাগগুলো স্রোতে সরে যাওয়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু। তিনি বলেন, ‘পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা হয়েছে। আপাতত জিও ব্যাগ ও ব্লক ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা চলছে।’

মুন্সিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ভাঙনকবলিত এলাকায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বোর্ড।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত