চলতি অর্থবছরের আগস্টে প্রবাসী আয়ে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। প্রবাসীরা আগস্টে ২৯৭ কোটি ৬৬ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই মাসের তুলনায় ২২.৫০ শতাংশ বেশি । এটি প্রবাসী অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক সংকেত।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত রেমিট্যান্সের মাসিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ২৮৬ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। সে হিসাবে প্রথম দুই মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৫৮২ কোটি ৫৩ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।
গত কয়েক মাস ধরেই রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা দেখা যাচ্ছে। প্রবাসীরা এখন প্রতি ডলারে ১২৩ টাকা পাচ্ছেন, যা বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত করছে। আগস্টে গড়ে প্রতিদিন এসেছে ৯ কোটি ৫৭ লাখ ডলার, যা টাকার অঙ্কে ১ হাজার ১৭৭ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ‘ঈদ ও অন্যান্য উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রবাসীদের অর্থ পাঠানোর প্রবণতা, বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে বিভিন্ন নীতিগত সুবিধা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারপ্রবাহ বাড়ায় সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী আয়ে এই ইতিবাচক ধারা তৈরি হয়েছে’।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্সের শক্তিশালী প্রবাহ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে, ডলারের সরবরাহ বাড়ছে এবং আমদানি ব্যয় মেটাতে সহায়তা হচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরে প্রবাসী আয় নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চলতি অর্থবছরের আগস্টে প্রবাসী আয়ে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। প্রবাসীরা আগস্টে ২৯৭ কোটি ৬৬ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই মাসের তুলনায় ২২.৫০ শতাংশ বেশি । এটি প্রবাসী অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক সংকেত।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত রেমিট্যান্সের মাসিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ২৮৬ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। সে হিসাবে প্রথম দুই মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৫৮২ কোটি ৫৩ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।
গত কয়েক মাস ধরেই রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা দেখা যাচ্ছে। প্রবাসীরা এখন প্রতি ডলারে ১২৩ টাকা পাচ্ছেন, যা বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত করছে। আগস্টে গড়ে প্রতিদিন এসেছে ৯ কোটি ৫৭ লাখ ডলার, যা টাকার অঙ্কে ১ হাজার ১৭৭ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ‘ঈদ ও অন্যান্য উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রবাসীদের অর্থ পাঠানোর প্রবণতা, বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে বিভিন্ন নীতিগত সুবিধা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারপ্রবাহ বাড়ায় সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী আয়ে এই ইতিবাচক ধারা তৈরি হয়েছে’।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্সের শক্তিশালী প্রবাহ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে, ডলারের সরবরাহ বাড়ছে এবং আমদানি ব্যয় মেটাতে সহায়তা হচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরে প্রবাসী আয় নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন