দেশের জ্বালানি বাজারে আবারও বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আরও চড়া দামে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানি করতে যাচ্ছে সরকার।
বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই উচ্চমূল্যে এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সাম্প্রতিক তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, দেশের এলএনজি আমদানিতে খরচের মাত্রা হু হু করে বাড়ছে। গত বছরের ডিসেম্বরেও সরকার প্রতি এমএমবিটিইউ সাড়ে ১০ ডলারের কম দামে এলএনজি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছিল। অথচ কয়েক মাসের ব্যবধানে সেই দাম বেড়ে এখন প্রায় তিন গুণের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
এর আগে গত ১৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৩ দশমিক ৯৩ ডলার এবং গত ২৪ আগস্টের বৈঠকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৪ দশমিক ৬৩ ডলার দরে এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ধারাবাহিক এই মূল্যবৃদ্ধির পর সর্বশেষ অনুমোদিত প্রস্তাবে প্রতি এমএমবিটিইউর দাম ছাড়িয়ে গেছে ২৮ মার্কিন ডলার।
আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আগামী সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে মোট তিন কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বরের জন্য ৪৯তম কার্গো সরবরাহে আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুরের দর প্রস্তাব করা হয়েছে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৭ দশমিক ৫৪ মার্কিন ডলার।
এছাড়া ১ থেকে ২ অক্টোবরের জন্য ৫০তম কার্গোতে বিপি সিঙ্গাপুরের দর ধরা হয়েছে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৮ দশমিক শূন্য ৩ মার্কিন ডলার এবং ৫ থেকে ৬ অক্টোবরের জন্য ৫১তম কার্গোতে ভিটল এশিয়া পিটিই লিমিটেড, সিঙ্গাপুরের দর প্রতি এমএমবিটিইউ ২৬ দশমিক ৬৬৮৮ মার্কিন ডলার নির্ধারিত হয়েছে।
পাশাপাশি জিটুজি বা সরকারি পর্যায়ে আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর ও পেট্রোবাংলার মধ্যে স্বাক্ষরিত স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় অতিরিক্ত আরও এক কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই কার্গোটি আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৩ দশমিক ৯৮ মার্কিন ডলার দরে কেনা হবে। জ্বালানি খাতের এই ধারাবাহিক ব্যয়বৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের জ্বালানি বাজারে আবারও বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আরও চড়া দামে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানি করতে যাচ্ছে সরকার।
বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই উচ্চমূল্যে এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সাম্প্রতিক তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, দেশের এলএনজি আমদানিতে খরচের মাত্রা হু হু করে বাড়ছে। গত বছরের ডিসেম্বরেও সরকার প্রতি এমএমবিটিইউ সাড়ে ১০ ডলারের কম দামে এলএনজি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছিল। অথচ কয়েক মাসের ব্যবধানে সেই দাম বেড়ে এখন প্রায় তিন গুণের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
এর আগে গত ১৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৩ দশমিক ৯৩ ডলার এবং গত ২৪ আগস্টের বৈঠকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৪ দশমিক ৬৩ ডলার দরে এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ধারাবাহিক এই মূল্যবৃদ্ধির পর সর্বশেষ অনুমোদিত প্রস্তাবে প্রতি এমএমবিটিইউর দাম ছাড়িয়ে গেছে ২৮ মার্কিন ডলার।
আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আগামী সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে মোট তিন কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বরের জন্য ৪৯তম কার্গো সরবরাহে আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুরের দর প্রস্তাব করা হয়েছে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৭ দশমিক ৫৪ মার্কিন ডলার।
এছাড়া ১ থেকে ২ অক্টোবরের জন্য ৫০তম কার্গোতে বিপি সিঙ্গাপুরের দর ধরা হয়েছে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৮ দশমিক শূন্য ৩ মার্কিন ডলার এবং ৫ থেকে ৬ অক্টোবরের জন্য ৫১তম কার্গোতে ভিটল এশিয়া পিটিই লিমিটেড, সিঙ্গাপুরের দর প্রতি এমএমবিটিইউ ২৬ দশমিক ৬৬৮৮ মার্কিন ডলার নির্ধারিত হয়েছে।
পাশাপাশি জিটুজি বা সরকারি পর্যায়ে আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর ও পেট্রোবাংলার মধ্যে স্বাক্ষরিত স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় অতিরিক্ত আরও এক কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই কার্গোটি আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৩ দশমিক ৯৮ মার্কিন ডলার দরে কেনা হবে। জ্বালানি খাতের এই ধারাবাহিক ব্যয়বৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন