সংবাদ

ভেড়ামারায় পরিত্যক্ত জমিতে বস্তায় আদা চাষ


প্রতিনিধি, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া)
প্রতিনিধি, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া)
প্রকাশ: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম

ভেড়ামারায় পরিত্যক্ত জমিতে বস্তায় আদা চাষ
ছবি : সংবাদ

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বাড়ির আঙিনায় পড়ে থাকা পরিত্যক্ত জমিতে বস্তায় আদা চাষ করে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক নাহারুল ইসলাম। যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় তিনি এই ভিন্নধর্মী চাষ শুরু করেছেন।

নাহারুল ইসলাম ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের কাজীহাটা ব্লকের স্বরূপের ঘোপ এলাকার জান মোহাম্মদের ছেলে। তিনি চলতি বছর বাড়ির আঙিনার আলো-ছায়াযুক্ত পরিত্যক্ত জায়গায় ৩০০টি বস্তায় ‘বারি আদা-২’ জাতের আদা রোপণ করেছেন। এতে তার বড় অঙ্কের আয়ের আশা রয়েছে।

কৃষক নাহারুল ইসলাম বলেন, ‘আগে আমাদের এলাকায় এভাবে আদা চাষের চল ছিল না। কৃষি অফিসের প্রশিক্ষণ নিয়ে আমি পরিত্যক্ত ৩০০টি সিমেন্টের বস্তায় আদা চাষ শুরু করেছি। প্রতি বস্তায় খরচ হয়েছে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। আশা করছি প্রতি বস্তায় ৮০০ গ্রাম থেকে এক কেজি পর্যন্ত ফলন পাব।’

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সদরুল ইসলাম জানান, আদা চাষ সম্প্রসারণে তারা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের কারিগরি সহায়তা দিচ্ছেন। ৫০ গ্রামের একটি আদা রোপণ করে এক কেজি পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব, যা কৃষকের পারিবারিক চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাড়তি আয় নিশ্চিত করে।

ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা সুলতানা পলি বলেন, ‘প্রদর্শনী প্লটের জন্য আমরা কৃষকদের বিনামূল্যে বস্তা, বীজ, সার ও কীটনাশক দিয়েছি। যারা নিজ উদ্যোগে চাষ করছেন, তাদেরও নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬


ভেড়ামারায় পরিত্যক্ত জমিতে বস্তায় আদা চাষ

প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বাড়ির আঙিনায় পড়ে থাকা পরিত্যক্ত জমিতে বস্তায় আদা চাষ করে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক নাহারুল ইসলাম। যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় তিনি এই ভিন্নধর্মী চাষ শুরু করেছেন।

নাহারুল ইসলাম ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের কাজীহাটা ব্লকের স্বরূপের ঘোপ এলাকার জান মোহাম্মদের ছেলে। তিনি চলতি বছর বাড়ির আঙিনার আলো-ছায়াযুক্ত পরিত্যক্ত জায়গায় ৩০০টি বস্তায় ‘বারি আদা-২’ জাতের আদা রোপণ করেছেন। এতে তার বড় অঙ্কের আয়ের আশা রয়েছে।

কৃষক নাহারুল ইসলাম বলেন, ‘আগে আমাদের এলাকায় এভাবে আদা চাষের চল ছিল না। কৃষি অফিসের প্রশিক্ষণ নিয়ে আমি পরিত্যক্ত ৩০০টি সিমেন্টের বস্তায় আদা চাষ শুরু করেছি। প্রতি বস্তায় খরচ হয়েছে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। আশা করছি প্রতি বস্তায় ৮০০ গ্রাম থেকে এক কেজি পর্যন্ত ফলন পাব।’

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সদরুল ইসলাম জানান, আদা চাষ সম্প্রসারণে তারা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের কারিগরি সহায়তা দিচ্ছেন। ৫০ গ্রামের একটি আদা রোপণ করে এক কেজি পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব, যা কৃষকের পারিবারিক চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাড়তি আয় নিশ্চিত করে।

ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা সুলতানা পলি বলেন, ‘প্রদর্শনী প্লটের জন্য আমরা কৃষকদের বিনামূল্যে বস্তা, বীজ, সার ও কীটনাশক দিয়েছি। যারা নিজ উদ্যোগে চাষ করছেন, তাদেরও নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত