নোয়াখালীকে পৃথক বিভাগ ঘোষণার দাবিতে শাহবাগ অবরোধের কারণে রাজধানীর যানজটে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সড়কপথ অবরুদ্ধ থাকায় অনেকেই বিকল্প হিসেবে মেট্রোরেলে ভিড় জমাচ্ছেন। এতে কারওয়ানবাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সচিবালয় মেট্রো স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শাহবাগে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। জুমার নামাজ শেষে চকবাজার থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগে পৌঁছান তারা।
তাদের সড়ক অবরোধের কারণে শাহবাগ, ফার্মগেট, হাতিরপুল, গাবতলী ও সায়েদাবাদে তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। ছুটির দিন হওয়ায় অনেকেই বেড়াতে বা ঘুরতে বেরিয়ে পড়েছেন অস্বস্তিতে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সচিবালয়, কারওয়ানবাজার ও শাহবাগ মেট্রো স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের অস্বাভাবিক ভিড়। টিকিট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে। অনেক যাত্রীকে ট্রেনের জন্য প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
কারওয়ান বাজার স্টেশনে কর্মরত এক আনসার সদস্য বলেন, ‘যাত্রীচাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। শাহবাগ অবরোধের কারণে অনেকে মেট্রোরেলে এসে পড়ছেন। আমরা চেষ্টা করছি যেন কেউ ধাক্কাধাক্কি বা ভিড়ে পড়ে আহত না হয়’।
মহাখালীতে কর্মরত বেসরকারি চাকরিজীবী রেহান মুরাদ বলেন, ‘অনেক সময় ধরে রাস্তায় আটকে ছিলাম। পরে দেখলাম সামনে গাড়ি নড়ছে না। বাধ্য হয়ে হেঁটে মেট্রোরেল স্টেশনে এলাম।কিন্তু এখানেও ভিড় সামলানো কঠিন’।
সচিবালয় মেট্রো স্টেশনে যাত্রীদের চাপ ছিল সবচেয়ে বেশি। টিকিট পেতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছেন যাত্রীরা। অনেকেই জানান, সড়কে যানজটের কারণে মেট্রোরেলই এই মুহূর্তে নিরাপদ ও দ্রুত যাতায়াতের মাধ্যম। তবে হঠাৎ যাত্রীচাপ বাড়ায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে বাড়তি ব্যবস্থা নিতে হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সড়কে যানজটের কারণে মেট্রোরেলই সবচেয়ে নিরাপদ মনে হয়েছে। তবে এত ভিড়ের মধ্যেও সবাই ধৈর্য ধরে চলাচল করছে’।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের কোনো সংঘর্ষ বা অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ সদস্যরা জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পরে বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কথা বলবেন।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নোয়াখালীকে পৃথক বিভাগ ঘোষণার দাবিতে শাহবাগ অবরোধের কারণে রাজধানীর যানজটে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সড়কপথ অবরুদ্ধ থাকায় অনেকেই বিকল্প হিসেবে মেট্রোরেলে ভিড় জমাচ্ছেন। এতে কারওয়ানবাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সচিবালয় মেট্রো স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শাহবাগে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। জুমার নামাজ শেষে চকবাজার থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগে পৌঁছান তারা।
তাদের সড়ক অবরোধের কারণে শাহবাগ, ফার্মগেট, হাতিরপুল, গাবতলী ও সায়েদাবাদে তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। ছুটির দিন হওয়ায় অনেকেই বেড়াতে বা ঘুরতে বেরিয়ে পড়েছেন অস্বস্তিতে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সচিবালয়, কারওয়ানবাজার ও শাহবাগ মেট্রো স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের অস্বাভাবিক ভিড়। টিকিট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে। অনেক যাত্রীকে ট্রেনের জন্য প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
কারওয়ান বাজার স্টেশনে কর্মরত এক আনসার সদস্য বলেন, ‘যাত্রীচাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। শাহবাগ অবরোধের কারণে অনেকে মেট্রোরেলে এসে পড়ছেন। আমরা চেষ্টা করছি যেন কেউ ধাক্কাধাক্কি বা ভিড়ে পড়ে আহত না হয়’।
মহাখালীতে কর্মরত বেসরকারি চাকরিজীবী রেহান মুরাদ বলেন, ‘অনেক সময় ধরে রাস্তায় আটকে ছিলাম। পরে দেখলাম সামনে গাড়ি নড়ছে না। বাধ্য হয়ে হেঁটে মেট্রোরেল স্টেশনে এলাম।কিন্তু এখানেও ভিড় সামলানো কঠিন’।
সচিবালয় মেট্রো স্টেশনে যাত্রীদের চাপ ছিল সবচেয়ে বেশি। টিকিট পেতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছেন যাত্রীরা। অনেকেই জানান, সড়কে যানজটের কারণে মেট্রোরেলই এই মুহূর্তে নিরাপদ ও দ্রুত যাতায়াতের মাধ্যম। তবে হঠাৎ যাত্রীচাপ বাড়ায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে বাড়তি ব্যবস্থা নিতে হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সড়কে যানজটের কারণে মেট্রোরেলই সবচেয়ে নিরাপদ মনে হয়েছে। তবে এত ভিড়ের মধ্যেও সবাই ধৈর্য ধরে চলাচল করছে’।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের কোনো সংঘর্ষ বা অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ সদস্যরা জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পরে বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কথা বলবেন।

আপনার মতামত লিখুন