ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে।
সোমবার সন্ধ্যায় পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর ডিবির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি জানান, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দায়ের করা এক মামলার সূত্রে এবং তাদের সুনির্দিষ্ট অনুরোধের ভিত্তিতেই বনানী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিতর্কিত ব্যবসায়ী দিলীপ কুমার আগারওয়ালার বিরুদ্ধে সোনা ও হীরা চোরাচালান, গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা, জালিয়াতি এবং অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) মতো অত্যন্ত গুরুতর বহু অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরপরই তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এলিট ফোর্স র্যাব তাঁকে এসব অপরাধে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গ্রেফতার করেছিল। পরবর্তী সময়ে তিনি আদালত থেকে জামিনে মুক্ত পেয়ে বাইরে অবস্থান করছিলেন।
নতুন করে সিআইডির অনুরোধে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এই সাঁড়াশি অভিযানে আবারও তাঁকে গ্রেফতার করা হলো। বিতর্কিত এই জুয়েলারি ব্যবসায়ীর গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রসহ জনমনে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ও মামলার সার্বিক আইনগত প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠোরভাবে অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে।
সোমবার সন্ধ্যায় পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর ডিবির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি জানান, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দায়ের করা এক মামলার সূত্রে এবং তাদের সুনির্দিষ্ট অনুরোধের ভিত্তিতেই বনানী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিতর্কিত ব্যবসায়ী দিলীপ কুমার আগারওয়ালার বিরুদ্ধে সোনা ও হীরা চোরাচালান, গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা, জালিয়াতি এবং অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) মতো অত্যন্ত গুরুতর বহু অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরপরই তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এলিট ফোর্স র্যাব তাঁকে এসব অপরাধে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গ্রেফতার করেছিল। পরবর্তী সময়ে তিনি আদালত থেকে জামিনে মুক্ত পেয়ে বাইরে অবস্থান করছিলেন।
নতুন করে সিআইডির অনুরোধে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এই সাঁড়াশি অভিযানে আবারও তাঁকে গ্রেফতার করা হলো। বিতর্কিত এই জুয়েলারি ব্যবসায়ীর গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রসহ জনমনে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ও মামলার সার্বিক আইনগত প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠোরভাবে অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন