সংবাদ

শরণখোলায় লোকালয়ে বাঘের পায়ের ছাপ, এলাকজুড়ে আতঙ্ক


প্রতিনিধি, শরণখোলা (বাগেরহাট)
প্রতিনিধি, শরণখোলা (বাগেরহাট)
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম

শরণখোলায় লোকালয়ে বাঘের পায়ের ছাপ, এলাকজুড়ে আতঙ্ক
ছবি : সংবাদ

বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনসংলগ্ন ভোলা নদী পার হয়ে সোনাতলা গ্রামে একটি বাঘ ঢুকে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে ওই গ্রামের পানিরঘাট এলাকার ভোলা নদীর চর ও বসতবাড়ির আশপাশে প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বাঘটির পায়ের অসংখ্য ছাপ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র বাঘ আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

খবর পেয়ে বন বিভাগ, ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম (ভিটিআরটি) এবং কমিউনিটি প্যাট্রলিং গ্রুপের (সিপিজি) সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে এলাকায় সতর্কতামূলক টহল শুরু করেছেন। বাঘটি বনে ফিরে গেছে নাকি এখনো লোকালয়ে লুকিয়ে আছে, তা নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে সংশয় রয়েছে। তবে বন বিভাগের দাবি, বাঘটি ভোরে নদী পার হয়ে লোকালয়ে এলেও পরবর্তীতে আবার বনে ফিরে গেছে। এরপরেও ওই এলাকায় বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভিটিআরটি সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৯ অক্টোবর) ভোরে ভোলার চরের বাসিন্দা মৎস্যজীবী আবদুল লতিফ হাওলাদার নদীর চরে গিয়ে বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পান। তিনি সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি স্থানীয় ভিটিআরটি সদস্যদের জানান। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সবাইকে সতর্ক করা হয় এবং বন বিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়।

স্থানীয় ভিটিআরটির টিম লিডার মো. জাকারিয়া হোসাইন জানান, প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নদীর চর ও বসতবাড়ির আশপাশে বাঘের স্পষ্ট পায়ের ছাপ রয়েছে। খবর পাওয়ার পরপরই লোকজনকে সতর্ক করা হয়েছে এবং বনরক্ষীদের সঙ্গে ভিটিআরটি ও সিপিজির সদস্যরা হ্যান্ডমাইকে প্রচার চালিয়ে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দিচ্ছেন।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পায়ের ছাপ পর্যালোচনা করে ধারণা করা হচ্ছে, বাঘটি লোকালয়ে এসে আবার বনে ফিরে গেছে। তবে এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং বনরক্ষী, ভিটিআরটি ও সিপিজির সদস্যদের আগামী চার থেকে পাঁচ দিন ওই এলাকায় বিশেষ পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬


শরণখোলায় লোকালয়ে বাঘের পায়ের ছাপ, এলাকজুড়ে আতঙ্ক

প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনসংলগ্ন ভোলা নদী পার হয়ে সোনাতলা গ্রামে একটি বাঘ ঢুকে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে ওই গ্রামের পানিরঘাট এলাকার ভোলা নদীর চর ও বসতবাড়ির আশপাশে প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বাঘটির পায়ের অসংখ্য ছাপ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র বাঘ আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

খবর পেয়ে বন বিভাগ, ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম (ভিটিআরটি) এবং কমিউনিটি প্যাট্রলিং গ্রুপের (সিপিজি) সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে এলাকায় সতর্কতামূলক টহল শুরু করেছেন। বাঘটি বনে ফিরে গেছে নাকি এখনো লোকালয়ে লুকিয়ে আছে, তা নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে সংশয় রয়েছে। তবে বন বিভাগের দাবি, বাঘটি ভোরে নদী পার হয়ে লোকালয়ে এলেও পরবর্তীতে আবার বনে ফিরে গেছে। এরপরেও ওই এলাকায় বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভিটিআরটি সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৯ অক্টোবর) ভোরে ভোলার চরের বাসিন্দা মৎস্যজীবী আবদুল লতিফ হাওলাদার নদীর চরে গিয়ে বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পান। তিনি সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি স্থানীয় ভিটিআরটি সদস্যদের জানান। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সবাইকে সতর্ক করা হয় এবং বন বিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়।

স্থানীয় ভিটিআরটির টিম লিডার মো. জাকারিয়া হোসাইন জানান, প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নদীর চর ও বসতবাড়ির আশপাশে বাঘের স্পষ্ট পায়ের ছাপ রয়েছে। খবর পাওয়ার পরপরই লোকজনকে সতর্ক করা হয়েছে এবং বনরক্ষীদের সঙ্গে ভিটিআরটি ও সিপিজির সদস্যরা হ্যান্ডমাইকে প্রচার চালিয়ে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দিচ্ছেন।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পায়ের ছাপ পর্যালোচনা করে ধারণা করা হচ্ছে, বাঘটি লোকালয়ে এসে আবার বনে ফিরে গেছে। তবে এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং বনরক্ষী, ভিটিআরটি ও সিপিজির সদস্যদের আগামী চার থেকে পাঁচ দিন ওই এলাকায় বিশেষ পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত