সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে চোরাই পথে পাচারের সময় ২৬০ টন ইন্দোনেশীয় কয়লাবোঝাই একটি কার্গো জাহাজ জব্দ করেছে বন বিভাগ। এ সময় জাহাজে থাকা ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে বাগেরহাটের শরণখোলা রেঞ্জের ভোলা নদী থেকে তাদের আটক করা হয়। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বন বিভাগের প্রাথমিক দাবি, মোংলা বন্দরের পশুর নদীর জয়মনি এলাকায় একটি মাদার ভ্যাসেল (মাতৃজাহাজ) থেকে কয়লা বোঝাই করার পর কার্গোটি নির্ধারিত গন্তব্যে না গিয়ে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে অন্য কোথাও পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল। তবে কয়লার প্রকৃত মালিকানা ও সুনির্দিষ্ট গন্তব্য সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আটক ৯ ব্যক্তি হলেন তরিকুল ইসলাম (৩৪), দুলাল হাওলাদার (৩৪), সুমন তালুকদার (২১), নুরনবী (৩০), এনায়েত করিম (৪০), মো. ওবায়দুল (২২), মামুন (২২), মো. লায়েক মিয়া (৫০) ও কবির হোসেন (৩০)। তাদের বাড়ি বাগেরহাটের মোংলা ও মোরেলগঞ্জ, পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকায়।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) শ্যামা প্রসাদ রায়ের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা ভোলা নদীতে নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন। এ সময় কয়লাবোঝাই কার্গো জাহাজটির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় বনরক্ষীরা সেটিকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কিন্তু জাহাজে থাকা ব্যক্তিরা কয়লার বৈধ কাগজপত্র বা প্রকৃত মালিকের নাম জানাতে ব্যর্থ হন। পরে কার্গো জাহাজসহ তাদের আটক করা হয়।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলাম জানান, সংরক্ষিত সুন্দরবনের নদীপথ অবৈধভাবে ব্যবহার করে কয়লা পাচারের এই ঘটনায় বন আইনসহ প্রচলিত অন্যান্য আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম বলেন, সুন্দরবনের ভোলা নদী থেকে কয়লাবোঝাই কার্গো জাহাজসহ নয়জনকে আটকের বিষয়টি তিনি জেনেছেন। এ ঘটনায় বন বিভাগ বাদী হয়ে নিয়মিত মামলা দায়ের করবে।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে চোরাই পথে পাচারের সময় ২৬০ টন ইন্দোনেশীয় কয়লাবোঝাই একটি কার্গো জাহাজ জব্দ করেছে বন বিভাগ। এ সময় জাহাজে থাকা ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে বাগেরহাটের শরণখোলা রেঞ্জের ভোলা নদী থেকে তাদের আটক করা হয়। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বন বিভাগের প্রাথমিক দাবি, মোংলা বন্দরের পশুর নদীর জয়মনি এলাকায় একটি মাদার ভ্যাসেল (মাতৃজাহাজ) থেকে কয়লা বোঝাই করার পর কার্গোটি নির্ধারিত গন্তব্যে না গিয়ে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে অন্য কোথাও পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল। তবে কয়লার প্রকৃত মালিকানা ও সুনির্দিষ্ট গন্তব্য সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আটক ৯ ব্যক্তি হলেন তরিকুল ইসলাম (৩৪), দুলাল হাওলাদার (৩৪), সুমন তালুকদার (২১), নুরনবী (৩০), এনায়েত করিম (৪০), মো. ওবায়দুল (২২), মামুন (২২), মো. লায়েক মিয়া (৫০) ও কবির হোসেন (৩০)। তাদের বাড়ি বাগেরহাটের মোংলা ও মোরেলগঞ্জ, পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকায়।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) শ্যামা প্রসাদ রায়ের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা ভোলা নদীতে নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন। এ সময় কয়লাবোঝাই কার্গো জাহাজটির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় বনরক্ষীরা সেটিকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কিন্তু জাহাজে থাকা ব্যক্তিরা কয়লার বৈধ কাগজপত্র বা প্রকৃত মালিকের নাম জানাতে ব্যর্থ হন। পরে কার্গো জাহাজসহ তাদের আটক করা হয়।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলাম জানান, সংরক্ষিত সুন্দরবনের নদীপথ অবৈধভাবে ব্যবহার করে কয়লা পাচারের এই ঘটনায় বন আইনসহ প্রচলিত অন্যান্য আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম বলেন, সুন্দরবনের ভোলা নদী থেকে কয়লাবোঝাই কার্গো জাহাজসহ নয়জনকে আটকের বিষয়টি তিনি জেনেছেন। এ ঘটনায় বন বিভাগ বাদী হয়ে নিয়মিত মামলা দায়ের করবে।

আপনার মতামত লিখুন