স্বাধীন ও দায়িত্বশীল
গণমাধ্যম গণতন্ত্র, সুশাসন এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের জন্য অপরিহার্য বলে
মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুই দিনের ঠাকুরগাঁও সফরের দ্বিতীয়
দিনে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের
সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
শহরের নিজ বাসভবনে
আয়োজিত এই সভায় রাষ্ট্রপতি মফস্বল সাংবাদিকদের তৃণমূল ও প্রান্তিক মানুষের কথা নিষ্ঠার
সঙ্গে তুলে ধরার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমেই সমাজের
প্রকৃত চিত্র ফুটে ওঠে।
মতবিনিময় সভায় ঠাকুরগাঁওয়ের
সাংবাদিক নেতারা দেশের মফস্বল সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে
তুলে ধরেন। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের ভবন সম্প্রসারণ, বিগত সরকারের সময় নির্যাতিত
স্থানীয় সাংবাদিকদের জন্য সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ এবং সাংবাদিকদের
জন্য ওয়েজবোর্ড গঠনের দাবি জানানো হয়।
রাষ্ট্রপতি সাংবাদিকদের
সব দাবি মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে তিনি সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের
পেশাগত ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সরওয়ার আলম, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু,
সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান তানুসহ প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদের প্রতিনিধিরা।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্বাধীন ও দায়িত্বশীল
গণমাধ্যম গণতন্ত্র, সুশাসন এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের জন্য অপরিহার্য বলে
মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুই দিনের ঠাকুরগাঁও সফরের দ্বিতীয়
দিনে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের
সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
শহরের নিজ বাসভবনে
আয়োজিত এই সভায় রাষ্ট্রপতি মফস্বল সাংবাদিকদের তৃণমূল ও প্রান্তিক মানুষের কথা নিষ্ঠার
সঙ্গে তুলে ধরার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমেই সমাজের
প্রকৃত চিত্র ফুটে ওঠে।
মতবিনিময় সভায় ঠাকুরগাঁওয়ের
সাংবাদিক নেতারা দেশের মফস্বল সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে
তুলে ধরেন। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের ভবন সম্প্রসারণ, বিগত সরকারের সময় নির্যাতিত
স্থানীয় সাংবাদিকদের জন্য সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ এবং সাংবাদিকদের
জন্য ওয়েজবোর্ড গঠনের দাবি জানানো হয়।
রাষ্ট্রপতি সাংবাদিকদের
সব দাবি মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে তিনি সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের
পেশাগত ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সরওয়ার আলম, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু,
সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান তানুসহ প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদের প্রতিনিধিরা।

আপনার মতামত লিখুন