গাজীপুরে ডেঙ্গু
পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। শহীদ তাজউদ্দীন
আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।
বেড না থাকায় অনেক রোগীকে হাসপাতালের করিডোর ও সিঁড়িতে থাকতে হচ্ছে। এদিকে রোববার
(১ সেপ্টেম্বর) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আজিম খান (১৭) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।
সে কাপাসিয়া উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের আকরাম খানের ছেলে।
হাসপাতালের আবাসিক
চিকিৎসক (মেডিসিন) ডা. শেখ কামরুল করিম জানান, বর্তমানে ১১৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন।
পরীক্ষার তুলনায় আক্রান্তের হার ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার
৪৭৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং মারা গেছেন ৩ জন। তিনি জানান, হাসপাতালে বেড সংকটের কারণে
সাধারণ রোগীদের পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগীদের সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
সালমা আক্তার ও আবদুস সালাম অভিযোগ করেন, হাসপাতালের ভেতরে বেড পাওয়া যাচ্ছে না। করিডোরে
বিছানা ও মশারি ছাড়াই থাকতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে টাকার বিনিময়ে বেড পাওয়ার অভিযোগও
করেছেন ভুক্তভোগীরা। কোনাবাড়ী থেকে আসা রোগীর স্বজন আলিমা বেগম ও সামিউল হক অভিযোগ
করেন, সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মশা নিধনের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
নালা ও ময়লার স্তূপে মশার বংশবৃদ্ধি ঘটায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।
গাজীপুরের সিভিল
সার্জন ডা. মো. মামুনুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে
১৮৯ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হলেও আইভি ফ্লুইড ও কিটের পর্যাপ্ত
মজুত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। অন্যদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন
সরকার জানান, প্রতিটি ওয়ার্ডে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং নিয়মিত ওষুধ ছিটানোর
পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ চলছে।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাজীপুরে ডেঙ্গু
পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। শহীদ তাজউদ্দীন
আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।
বেড না থাকায় অনেক রোগীকে হাসপাতালের করিডোর ও সিঁড়িতে থাকতে হচ্ছে। এদিকে রোববার
(১ সেপ্টেম্বর) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আজিম খান (১৭) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।
সে কাপাসিয়া উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের আকরাম খানের ছেলে।
হাসপাতালের আবাসিক
চিকিৎসক (মেডিসিন) ডা. শেখ কামরুল করিম জানান, বর্তমানে ১১৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন।
পরীক্ষার তুলনায় আক্রান্তের হার ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার
৪৭৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং মারা গেছেন ৩ জন। তিনি জানান, হাসপাতালে বেড সংকটের কারণে
সাধারণ রোগীদের পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগীদের সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
সালমা আক্তার ও আবদুস সালাম অভিযোগ করেন, হাসপাতালের ভেতরে বেড পাওয়া যাচ্ছে না। করিডোরে
বিছানা ও মশারি ছাড়াই থাকতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে টাকার বিনিময়ে বেড পাওয়ার অভিযোগও
করেছেন ভুক্তভোগীরা। কোনাবাড়ী থেকে আসা রোগীর স্বজন আলিমা বেগম ও সামিউল হক অভিযোগ
করেন, সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মশা নিধনের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
নালা ও ময়লার স্তূপে মশার বংশবৃদ্ধি ঘটায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।
গাজীপুরের সিভিল
সার্জন ডা. মো. মামুনুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে
১৮৯ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হলেও আইভি ফ্লুইড ও কিটের পর্যাপ্ত
মজুত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। অন্যদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন
সরকার জানান, প্রতিটি ওয়ার্ডে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং নিয়মিত ওষুধ ছিটানোর
পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ চলছে।

আপনার মতামত লিখুন