সংবাদ

হাম ও উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম

হাম ও উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল
ছবি : সংগৃহীত

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ৯০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২ জনে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে একজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দুই জন মারা গেছেন। একই সময়ে ৬৯ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে।

হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৪০৪ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই আছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৫৬ জন। এছাড়া রাজশাহীতে ৯২, চট্টগ্রামে ৬৫, বরিশালে ৫৭, ময়মনসিংহে ৭৭, খুলনায় ৩৭ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও এক হাজার ১১৯ জন হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে এসেছেন। তাদের মধ্যে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৩৪ জন।

ঢাকা বিভাগে ভর্তি হয়েছেন ৩৪৯ জন, রাজশাহীতে ৩২, সিলেটে ১৮০, চট্টগ্রামে ২২০, বরিশালে ১৩৮, ময়মনসিংহে ৪১, খুলনায় ৫৭ ও রংপুরে ১৭ জন।

এ নিয়ে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট রোগী ভর্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৪৭ হাজার ৩৯৩ জনে। তাদের মধ্যে এক লাখ ৪১ হাজার ৮১৯ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬৭ হাজার ৫৮০ জনে। আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৯০৪ জনে।

সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে অনেকেই হাসপাতালে যান। তবে সবার নমুনা পরীক্ষা না হওয়ায় হামের বিস্তৃতি সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন। এ ক্ষেত্রে সরকারি হিসাবের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মোটা দাগে হামের প্রকোপ না কমার দুটি কারণ বলেছেন, অনেক শিশুর টিকা না পাওয়া এবং হাম মোকাবিলায় কার্যকর নির্দেশিকা না থাকা। তারা বলছেন, টিকা দেওয়ার পর অ্যান্টিবডি যাচাই করা উচিত, আদতেই টিকা পাওয়া শিশুদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধের প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কিনা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত মাঠে বাস্তবায়ন করা গেলে হামের প্রকোপ এ পর্যায়ে আসত না।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


হাম ও উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল

প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ৯০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২ জনে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে একজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দুই জন মারা গেছেন। একই সময়ে ৬৯ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে।

হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৪০৪ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই আছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৫৬ জন। এছাড়া রাজশাহীতে ৯২, চট্টগ্রামে ৬৫, বরিশালে ৫৭, ময়মনসিংহে ৭৭, খুলনায় ৩৭ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও এক হাজার ১১৯ জন হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে এসেছেন। তাদের মধ্যে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৩৪ জন।

ঢাকা বিভাগে ভর্তি হয়েছেন ৩৪৯ জন, রাজশাহীতে ৩২, সিলেটে ১৮০, চট্টগ্রামে ২২০, বরিশালে ১৩৮, ময়মনসিংহে ৪১, খুলনায় ৫৭ ও রংপুরে ১৭ জন।

এ নিয়ে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট রোগী ভর্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৪৭ হাজার ৩৯৩ জনে। তাদের মধ্যে এক লাখ ৪১ হাজার ৮১৯ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬৭ হাজার ৫৮০ জনে। আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৯০৪ জনে।

সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে অনেকেই হাসপাতালে যান। তবে সবার নমুনা পরীক্ষা না হওয়ায় হামের বিস্তৃতি সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন। এ ক্ষেত্রে সরকারি হিসাবের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মোটা দাগে হামের প্রকোপ না কমার দুটি কারণ বলেছেন, অনেক শিশুর টিকা না পাওয়া এবং হাম মোকাবিলায় কার্যকর নির্দেশিকা না থাকা। তারা বলছেন, টিকা দেওয়ার পর অ্যান্টিবডি যাচাই করা উচিত, আদতেই টিকা পাওয়া শিশুদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধের প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কিনা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত মাঠে বাস্তবায়ন করা গেলে হামের প্রকোপ এ পর্যায়ে আসত না।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত