টাঙ্গাইলের সখিপুরে স্বাস্থ্য সহকারী মো. আউয়াল শফীর (৪৫) রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্তে নতুন মোড় নিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন–এমন সন্দেহে এক যুবকের ছবি প্রকাশ করে তার পরিচয় ও অবস্থান জানতে চেয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে তার সন্ধান বা নির্ভরযোগ্য তথ্য দিতে পারলে পুরস্কৃত করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই যুবকের ছবি প্রকাশ করে তথ্য চায় সখিপুর থানা-পুলিশ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন। ওসি জানান, তদন্তে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তাকে পাওয়া গেলে আউয়াল শফীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
এর আগে ২ সেপ্টেম্বর বেলা পৌনে ১টার দিকে নলুয়া-বাসাইল সড়কের বাছেত খান উচ্চবিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশ থেকে আউয়াল শফীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি উপজেলার বোয়ালী গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে এবং সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
প্রাথমিকভাবে এটিকে সড়ক দুর্ঘটনা মনে করা হলেও স্বজনদের দাবি, আউয়াল শফীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের চাচাতো ভাই জিয়া হাবিবসহ স্বজনেরা জানান, মাথা ও গলার আঘাতের ধরন দেখে এটি দুর্ঘটনা মনে হয়নি। খবর পেয়ে তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন।
পরদিন ৩ সেপ্টেম্বর নিহতের স্ত্রী তানিয়া আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে সখিপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশের প্রকাশ করা ছবিতে থাকা যুবকের তথ্যদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে এবং তার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টাঙ্গাইলের সখিপুরে স্বাস্থ্য সহকারী মো. আউয়াল শফীর (৪৫) রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্তে নতুন মোড় নিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন–এমন সন্দেহে এক যুবকের ছবি প্রকাশ করে তার পরিচয় ও অবস্থান জানতে চেয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে তার সন্ধান বা নির্ভরযোগ্য তথ্য দিতে পারলে পুরস্কৃত করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই যুবকের ছবি প্রকাশ করে তথ্য চায় সখিপুর থানা-পুলিশ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন। ওসি জানান, তদন্তে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তাকে পাওয়া গেলে আউয়াল শফীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
এর আগে ২ সেপ্টেম্বর বেলা পৌনে ১টার দিকে নলুয়া-বাসাইল সড়কের বাছেত খান উচ্চবিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশ থেকে আউয়াল শফীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি উপজেলার বোয়ালী গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে এবং সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
প্রাথমিকভাবে এটিকে সড়ক দুর্ঘটনা মনে করা হলেও স্বজনদের দাবি, আউয়াল শফীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের চাচাতো ভাই জিয়া হাবিবসহ স্বজনেরা জানান, মাথা ও গলার আঘাতের ধরন দেখে এটি দুর্ঘটনা মনে হয়নি। খবর পেয়ে তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন।
পরদিন ৩ সেপ্টেম্বর নিহতের স্ত্রী তানিয়া আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে সখিপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশের প্রকাশ করা ছবিতে থাকা যুবকের তথ্যদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে এবং তার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন