ডেঙ্গু ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ১৩০ জন মারা গেছেন। মৃত্যুর শীর্ষে ঢাকা দক্ষিণ ৪৬ জন। দ্বিতীয় স্থানে খুলনা ২৩ জন এবং ঢাকা উত্তর ১৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৭১ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৫ বছরের শিশু ৫২ জন, ৬ থেকে ১০ বছর বয়সী ৯২ জন এবং ১৬ থেকে ২০ বছর বয়সী ২৩৮ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্ত ৪৫ হাজার ৪৭৫ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩ হাজার ২১৮ জন।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কবিরুল বাশার বলেন, ‘থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে এডিস মশার প্রজনন বাড়ছে। বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, এসির ট্রে, প্লাস্টিকের ড্রাম, টায়ার, নির্মাণাধীন ভবনে জমে থাকা পানি এডিস মশার বংশবিস্তারের আদর্শ পরিবেশ তৈরি করছে। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ডেঙ্গুর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়।’
ডেঙ্গু ভাইরাসের সেরোটাইপ পরিবর্তনও পরিস্থিতি জটিল করছে। এতে ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার বা ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের মতো জটিলতা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডেঙ্গুতে মৃত্যুর বড় কারণ- দেরিতে হাসপাতালে নেওয়া। জ্বর কমে যাওয়াকে সুস্থতার লক্ষণ ভেবে অনেকে ভুল করেন, অথচ ডেঙ্গুর ক্রিটিক্যাল ফেজ জ্বর কমার সময়েই শুরু হতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৮৯৯ শিশু ও নিশ্চিত হামে ১০০ শিশুসহ মোট ৯৯৯ শিশু মারা গেছে।
২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে ১ হাজার ১৫৭ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৭৯ শিশুসহ মোট ১ হাজার ২৩৬ শিশু আক্রান্ত হয়েছে। ঢাকা বিভাগে ৪১৭ শিশু, সিলেটে ১৫০, চট্টগ্রামে ২৫৬ শিশু আক্রান্ত হয়েছে।
১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬১ শিশু ও নিশ্চিত হামে ১৯ হাজার ৮৩৫ শিশুসহ মোট ১ লাখ ৮৬ হাজার ২৯৬ শিশু আক্রান্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৫৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৫০ শিশু।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডেঙ্গু ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ১৩০ জন মারা গেছেন। মৃত্যুর শীর্ষে ঢাকা দক্ষিণ ৪৬ জন। দ্বিতীয় স্থানে খুলনা ২৩ জন এবং ঢাকা উত্তর ১৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৭১ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৫ বছরের শিশু ৫২ জন, ৬ থেকে ১০ বছর বয়সী ৯২ জন এবং ১৬ থেকে ২০ বছর বয়সী ২৩৮ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্ত ৪৫ হাজার ৪৭৫ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩ হাজার ২১৮ জন।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কবিরুল বাশার বলেন, ‘থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে এডিস মশার প্রজনন বাড়ছে। বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, এসির ট্রে, প্লাস্টিকের ড্রাম, টায়ার, নির্মাণাধীন ভবনে জমে থাকা পানি এডিস মশার বংশবিস্তারের আদর্শ পরিবেশ তৈরি করছে। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ডেঙ্গুর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়।’
ডেঙ্গু ভাইরাসের সেরোটাইপ পরিবর্তনও পরিস্থিতি জটিল করছে। এতে ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার বা ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের মতো জটিলতা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডেঙ্গুতে মৃত্যুর বড় কারণ- দেরিতে হাসপাতালে নেওয়া। জ্বর কমে যাওয়াকে সুস্থতার লক্ষণ ভেবে অনেকে ভুল করেন, অথচ ডেঙ্গুর ক্রিটিক্যাল ফেজ জ্বর কমার সময়েই শুরু হতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৮৯৯ শিশু ও নিশ্চিত হামে ১০০ শিশুসহ মোট ৯৯৯ শিশু মারা গেছে।
২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে ১ হাজার ১৫৭ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৭৯ শিশুসহ মোট ১ হাজার ২৩৬ শিশু আক্রান্ত হয়েছে। ঢাকা বিভাগে ৪১৭ শিশু, সিলেটে ১৫০, চট্টগ্রামে ২৫৬ শিশু আক্রান্ত হয়েছে।
১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬১ শিশু ও নিশ্চিত হামে ১৯ হাজার ৮৩৫ শিশুসহ মোট ১ লাখ ৮৬ হাজার ২৯৬ শিশু আক্রান্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৫৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৫০ শিশু।

আপনার মতামত লিখুন