অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে বিদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান কোনো রাজনৈতিক চাপ বা টার্গেট করে করা হচ্ছে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সংস্থার সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ কথা জানান।
এর আগে রবিবার আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ পাওয়ার কথা জানায় দুদক। এছাড়া সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, তার ছেলে জিয়াউল হক এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন দুদক সচিব।
রাজনৈতিক চাপের বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান বলেন, “দুদক একটি স্বায়ত্তশাসিত স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো মামলা পরিচালনা করছি না। আমরা ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে আইনানুগভাবে আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কোনো টার্গেট করে বা রাজনৈতিক কারণে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি জানান, “আমরা আজকের বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকি, আর না যাই। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, আমাদের কমিশন পাঁচ মাস ছিল না। অনেকগুলো বিষয় আমাদের পেন্ডিং রয়েছে। এগুলো নিয়ে কাজ করছি। পাইপলাইনে আরও আছে। আপনারা দেখবেন, সময়মতো সবগুলো আপনাদের সামনে উপস্থাপিত হবে।”
তিনি আরও স্পষ্ট করেন, “আমরা এরকম কোনো টার্গেট করে করছি না। যেহেতু পেন্ডিং ছিল, পেন্ডিং লিস্ট অনুযায়ী আমরা এগুলো উপস্থাপন করছি। সামনে আপনারা লক্ষ্য করবেন, আমরা কোনো পক্ষপাতিত্ব করে এরকম কাজ পরিচালনা করছি না।”
অন্য কোনো উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে কি না জানতে চাইলে সচিব বলেন, “এই মুহূর্তে আমি বলতে পারছি না। যদি অভিযোগ এসে থাকে, নিশ্চয়ই আইনের আওতায় তিনিও আসবেন।”
তবে অন্যান্য উপদেষ্টাদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য এই মুহূর্তে নেই বলে জানান তিনি।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে বিদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান কোনো রাজনৈতিক চাপ বা টার্গেট করে করা হচ্ছে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সংস্থার সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ কথা জানান।
এর আগে রবিবার আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ পাওয়ার কথা জানায় দুদক। এছাড়া সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, তার ছেলে জিয়াউল হক এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন দুদক সচিব।
রাজনৈতিক চাপের বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান বলেন, “দুদক একটি স্বায়ত্তশাসিত স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো মামলা পরিচালনা করছি না। আমরা ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে আইনানুগভাবে আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কোনো টার্গেট করে বা রাজনৈতিক কারণে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি জানান, “আমরা আজকের বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকি, আর না যাই। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, আমাদের কমিশন পাঁচ মাস ছিল না। অনেকগুলো বিষয় আমাদের পেন্ডিং রয়েছে। এগুলো নিয়ে কাজ করছি। পাইপলাইনে আরও আছে। আপনারা দেখবেন, সময়মতো সবগুলো আপনাদের সামনে উপস্থাপিত হবে।”
তিনি আরও স্পষ্ট করেন, “আমরা এরকম কোনো টার্গেট করে করছি না। যেহেতু পেন্ডিং ছিল, পেন্ডিং লিস্ট অনুযায়ী আমরা এগুলো উপস্থাপন করছি। সামনে আপনারা লক্ষ্য করবেন, আমরা কোনো পক্ষপাতিত্ব করে এরকম কাজ পরিচালনা করছি না।”
অন্য কোনো উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে কি না জানতে চাইলে সচিব বলেন, “এই মুহূর্তে আমি বলতে পারছি না। যদি অভিযোগ এসে থাকে, নিশ্চয়ই আইনের আওতায় তিনিও আসবেন।”
তবে অন্যান্য উপদেষ্টাদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য এই মুহূর্তে নেই বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন