ডার্ক ওয়েব ও অনলাইনে নাগরিকদের সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রির সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলায় র্যাব-২ সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন লিংক ও এনক্রিপ্টেড ওয়েবসাইট শনাক্ত করে পরিচালিত দেশব্যাপী অভিযানে নওগাঁ থেকে আব্দুস সালাম সরকার, গাজীপুর থেকে সুব্রত চন্দ্র পাল, নোয়াখালী থেকে ইসমাইল হোসেন সোহাগ, গোপালগঞ্জ থেকে এসএম নাফি এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে মো. মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, মূলহোতা আব্দুস সালাম সরকার চলতি বছরের এপ্রিলে ‘ই-সেবা২৪.টপ’ নামে একটি এনক্রিপ্টেড ওয়েবসাইট চালু করেন। তিনি নিজেই এই ওয়েবসাইটের অ্যাডমিন। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি এই চক্রের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন।
ওয়েবসাইট, হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে সিমের লাস্ট কল ও রেডিও লোকেশন, আইএমইআই সার্চ, সিডিআর, সিমের মালিকানা, বিকাশ-নগদ লেনদেনের বিবরণী, জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধনের মতো গোপনীয় তথ্য নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করা হতো। বাকি চারজন ফেসবুক মার্কেটপ্লেস ও বিভিন্ন পেজে বিজ্ঞাপন দিয়ে অর্ডার সংগ্রহ করতেন। লেনদেনে ব্যবহার করা হতো বেনামি সিম ও মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট।
তথ্য সংগ্রহের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান বলেন, ‘সরকারি সার্ভার থেকে কারা অর্থের বিনিময়ে তথ্য ফাঁস করেছে তদন্তের স্বার্থে তা এই মুহূর্তে প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তবে গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নির্বাচন কমিশনে চুক্তিভিত্তিক কাজ করতেন। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তারা এগুলো করতে পারেন।’
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের যোগসাজশ আছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডার্ক ওয়েব ও অনলাইনে নাগরিকদের সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রির সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলায় র্যাব-২ সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন লিংক ও এনক্রিপ্টেড ওয়েবসাইট শনাক্ত করে পরিচালিত দেশব্যাপী অভিযানে নওগাঁ থেকে আব্দুস সালাম সরকার, গাজীপুর থেকে সুব্রত চন্দ্র পাল, নোয়াখালী থেকে ইসমাইল হোসেন সোহাগ, গোপালগঞ্জ থেকে এসএম নাফি এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে মো. মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, মূলহোতা আব্দুস সালাম সরকার চলতি বছরের এপ্রিলে ‘ই-সেবা২৪.টপ’ নামে একটি এনক্রিপ্টেড ওয়েবসাইট চালু করেন। তিনি নিজেই এই ওয়েবসাইটের অ্যাডমিন। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি এই চক্রের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন।
ওয়েবসাইট, হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে সিমের লাস্ট কল ও রেডিও লোকেশন, আইএমইআই সার্চ, সিডিআর, সিমের মালিকানা, বিকাশ-নগদ লেনদেনের বিবরণী, জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধনের মতো গোপনীয় তথ্য নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করা হতো। বাকি চারজন ফেসবুক মার্কেটপ্লেস ও বিভিন্ন পেজে বিজ্ঞাপন দিয়ে অর্ডার সংগ্রহ করতেন। লেনদেনে ব্যবহার করা হতো বেনামি সিম ও মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট।
তথ্য সংগ্রহের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান বলেন, ‘সরকারি সার্ভার থেকে কারা অর্থের বিনিময়ে তথ্য ফাঁস করেছে তদন্তের স্বার্থে তা এই মুহূর্তে প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তবে গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নির্বাচন কমিশনে চুক্তিভিত্তিক কাজ করতেন। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তারা এগুলো করতে পারেন।’
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের যোগসাজশ আছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন