মেহেরপুরে পাটের সোনালী আঁশের পাশাপাশি পাটকাঠি বিক্রি করেও বাড়তি আয় করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। একসময় অবহেলায় ফেলে রাখা কিংবা শুধু রান্নার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত পাটকাঠির বাজারে চাহিদা বাড়ায় তা এখন কৃষকদের কাছে অর্থকরী সুযোগ হয়ে উঠেছে।
উপজেলার কয়েকজন পাটচাষীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাট উৎপাদনে জমি প্রস্তুত, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে খরচ হয়, পাট বিক্রির পর তার মুনাফার সঙ্গে পাটকাঠি বিক্রির টাকা যোগ হয়ে কিছুটা স্বস্তি এনে দিচ্ছে। পাট থেকে আঁশ ছাড়িয়ে তা রোদে শুকিয়ে আঁটি বেঁধে স্থানীয় বাজারে ও ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছেন তারা।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, গ্রামীণ জনপদে ঘরের বেড়া ও রান্নার কাজে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব পণ্য তৈরিতেও পাটকাঠির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ১৬ হাজার ৬৩০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। পাটকাঠির এই নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনায় পাট চাষে কৃষকদের আগ্রহও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেহেরপুরে পাটের সোনালী আঁশের পাশাপাশি পাটকাঠি বিক্রি করেও বাড়তি আয় করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। একসময় অবহেলায় ফেলে রাখা কিংবা শুধু রান্নার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত পাটকাঠির বাজারে চাহিদা বাড়ায় তা এখন কৃষকদের কাছে অর্থকরী সুযোগ হয়ে উঠেছে।
উপজেলার কয়েকজন পাটচাষীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাট উৎপাদনে জমি প্রস্তুত, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে খরচ হয়, পাট বিক্রির পর তার মুনাফার সঙ্গে পাটকাঠি বিক্রির টাকা যোগ হয়ে কিছুটা স্বস্তি এনে দিচ্ছে। পাট থেকে আঁশ ছাড়িয়ে তা রোদে শুকিয়ে আঁটি বেঁধে স্থানীয় বাজারে ও ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছেন তারা।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, গ্রামীণ জনপদে ঘরের বেড়া ও রান্নার কাজে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব পণ্য তৈরিতেও পাটকাঠির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ১৬ হাজার ৬৩০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। পাটকাঠির এই নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনায় পাট চাষে কৃষকদের আগ্রহও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন