সংবাদ

জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ল প্রায় ১৩২ এমএমসিএফডি


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫১ পিএম

জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ল প্রায় ১৩২ এমএমসিএফডি

দেশে জ্বালানি খাতে স্বস্তির খবর নিয়ে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। পেট্রোবাংলার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় দেশে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের মোট সরবরাহ রেকর্ড করা হয়েছে ২ হাজার ৪৭৮ দশমিক ১ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি)।

এর আগের দিন অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় এই সরবরাহের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৩৪৫ দশমিক ৩ এমএমসিএফডি। সে হিসেবে মাত্র একদিনের ব্যবধানে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে ১৩২ দশমিক ৮ এমএমসিএফডি, যা শতকরা হিসেবে প্রায় ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। বুধবার সকালে গত দুই দিনের পেট্রোবাংলার প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এই ইতিবাচক চিত্র পাওয়া গেছে।

পেট্রোবাংলার হিসাব অনুযায়ী, দেশে গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহের মোট সক্ষমতা রয়েছে ৩ হাজার ৮৫৪ এমএমসিএফডি। এর বিপরীতে ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় সরবরাহ হয়েছে মোট সক্ষমতার ৬৪ দশমিক ৩ শতাংশ। যেখানে আগের দিন সরবরাহের হার ছিল সক্ষমতার মাত্র ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ। এই হিসাবে একদিনের ব্যবধানে সক্ষমতা ব্যবহারের হারও ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। মূলত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজির সরবরাহ উল্লেখযোগ্যহারে বেড়ে যাওয়াই গ্রিডে গ্যাস বৃদ্ধির প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য বলছে, আরপিজিসিএলের মাধ্যমে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ ১৪ সেপ্টেম্বর ছিল ৭৩১ দশমিক ৬ এমএমসিএফডি। পরদিন ১৫ সেপ্টেম্বর তা একলাফে বেড়ে হয়েছে ৮৫৮ দশমিক ৪ এমএমসিএফডি। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে কেবল এলএনজি থেকে সরবরাহ বেড়েছে ১২৬ দশমিক ৮ এমএমসিএফডি, যা প্রায় ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। একই সময়ে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকেও উৎপাদন সামান্য বেড়েছে। বিজিএফসিএলের উৎপাদন ৪৮২ দশমিক ৪ থেকে বেড়ে ৪৮৩ এমএমসিএফডি হয়েছে এবং বাপেক্সের উৎপাদন ১০০ দশমিক ৩ থেকে বেড়ে ১০৭ দশমিক ৭ এমএমসিএফডি হয়েছে। তবে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের উৎপাদন ১৩৯ দশমিক ২ এমএমসিএফডি-তে সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রয়েছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর (আইওসি) গ্যাস উৎপাদন সামান্য হ্রাস পেয়েছে। ১৪ সেপ্টেম্বর আইওসিগুলোর উৎপাদন ৮৯১ দশমিক ৭ এমএমসিএফডি থাকলেও ১৫ তারিখে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৮৮৯ দশমিক ৯ এমএমসিএফডি।

এর মধ্যে শেভরনের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদন ৭২৪ দশমিক ৮ থেকে কমে ৭২০ এমএমসিএফডি হলেও জালালাবাদে উৎপাদন ১২১ দশমিক ১ থেকে বেড়ে ১২৩ দশমিক ৮ এমএমসিএফডি হয়েছে। তিতাসের উৎপাদনও সামান্য বেড়ে ৩৩০ দশমিক ৮ এমএমসিএফডি হয়েছে।

সব মিলিয়ে প্রতিবেদনে স্পষ্ট হয়েছে, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদনে বড় কোনো পরিবর্তন না এলেও মূলত এলএনজির সরবরাহ বাড়ার ফলেই জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সামগ্রিক সরবরাহ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটেছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬


জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ল প্রায় ১৩২ এমএমসিএফডি

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দেশে জ্বালানি খাতে স্বস্তির খবর নিয়ে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। পেট্রোবাংলার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় দেশে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের মোট সরবরাহ রেকর্ড করা হয়েছে ২ হাজার ৪৭৮ দশমিক ১ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি)।

এর আগের দিন অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় এই সরবরাহের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৩৪৫ দশমিক ৩ এমএমসিএফডি। সে হিসেবে মাত্র একদিনের ব্যবধানে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে ১৩২ দশমিক ৮ এমএমসিএফডি, যা শতকরা হিসেবে প্রায় ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। বুধবার সকালে গত দুই দিনের পেট্রোবাংলার প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এই ইতিবাচক চিত্র পাওয়া গেছে।

পেট্রোবাংলার হিসাব অনুযায়ী, দেশে গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহের মোট সক্ষমতা রয়েছে ৩ হাজার ৮৫৪ এমএমসিএফডি। এর বিপরীতে ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় সরবরাহ হয়েছে মোট সক্ষমতার ৬৪ দশমিক ৩ শতাংশ। যেখানে আগের দিন সরবরাহের হার ছিল সক্ষমতার মাত্র ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ। এই হিসাবে একদিনের ব্যবধানে সক্ষমতা ব্যবহারের হারও ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। মূলত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজির সরবরাহ উল্লেখযোগ্যহারে বেড়ে যাওয়াই গ্রিডে গ্যাস বৃদ্ধির প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য বলছে, আরপিজিসিএলের মাধ্যমে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ ১৪ সেপ্টেম্বর ছিল ৭৩১ দশমিক ৬ এমএমসিএফডি। পরদিন ১৫ সেপ্টেম্বর তা একলাফে বেড়ে হয়েছে ৮৫৮ দশমিক ৪ এমএমসিএফডি। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে কেবল এলএনজি থেকে সরবরাহ বেড়েছে ১২৬ দশমিক ৮ এমএমসিএফডি, যা প্রায় ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। একই সময়ে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকেও উৎপাদন সামান্য বেড়েছে। বিজিএফসিএলের উৎপাদন ৪৮২ দশমিক ৪ থেকে বেড়ে ৪৮৩ এমএমসিএফডি হয়েছে এবং বাপেক্সের উৎপাদন ১০০ দশমিক ৩ থেকে বেড়ে ১০৭ দশমিক ৭ এমএমসিএফডি হয়েছে। তবে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের উৎপাদন ১৩৯ দশমিক ২ এমএমসিএফডি-তে সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রয়েছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর (আইওসি) গ্যাস উৎপাদন সামান্য হ্রাস পেয়েছে। ১৪ সেপ্টেম্বর আইওসিগুলোর উৎপাদন ৮৯১ দশমিক ৭ এমএমসিএফডি থাকলেও ১৫ তারিখে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৮৮৯ দশমিক ৯ এমএমসিএফডি।

এর মধ্যে শেভরনের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদন ৭২৪ দশমিক ৮ থেকে কমে ৭২০ এমএমসিএফডি হলেও জালালাবাদে উৎপাদন ১২১ দশমিক ১ থেকে বেড়ে ১২৩ দশমিক ৮ এমএমসিএফডি হয়েছে। তিতাসের উৎপাদনও সামান্য বেড়ে ৩৩০ দশমিক ৮ এমএমসিএফডি হয়েছে।

সব মিলিয়ে প্রতিবেদনে স্পষ্ট হয়েছে, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদনে বড় কোনো পরিবর্তন না এলেও মূলত এলএনজির সরবরাহ বাড়ার ফলেই জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সামগ্রিক সরবরাহ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটেছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত