কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিটের এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী ৪ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হবে।
এ চার দিন দেশের সব ধরনের গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করবে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পেট্রোবাংলা।
রবিবার (১ নভেম্বর) পেট্রোবাংলার উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তারিকুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে দেশবাসীকে এই তথ্য জানানো হয়।
পেট্রোবাংলার দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত সামিট এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। এর ফলে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে দাঁড়িয়ে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে।
অর্থাৎ, এই টার্মিনালটির জরুরি প্রযুক্তিগত কাজ চলাকালে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমবে।
সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাবে আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্প চাপের সমস্যায় পড়তে পারেন। বিজ্ঞপ্তিতে পেট্রোবাংলা উল্লেখ করেছে, এর আগে গত বছরের ডিসেম্বর মাসেও একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছিল।
কারিগরি কারণে সাময়িক এই অসুবিধার সৃষ্টি হওয়ায় দেশের সাধারণ গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষ।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিটের এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী ৪ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হবে।
এ চার দিন দেশের সব ধরনের গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করবে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পেট্রোবাংলা।
রবিবার (১ নভেম্বর) পেট্রোবাংলার উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তারিকুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে দেশবাসীকে এই তথ্য জানানো হয়।
পেট্রোবাংলার দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত সামিট এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। এর ফলে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে দাঁড়িয়ে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে।
অর্থাৎ, এই টার্মিনালটির জরুরি প্রযুক্তিগত কাজ চলাকালে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমবে।
সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাবে আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্প চাপের সমস্যায় পড়তে পারেন। বিজ্ঞপ্তিতে পেট্রোবাংলা উল্লেখ করেছে, এর আগে গত বছরের ডিসেম্বর মাসেও একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছিল।
কারিগরি কারণে সাময়িক এই অসুবিধার সৃষ্টি হওয়ায় দেশের সাধারণ গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন