বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় ৬৬ লাখ টাকার বেশি ব্যয়ে একটি সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইটের খোয়া ও মাটিমিশ্রিত উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার গাবতলী ইউনিয়নের গোসাইবাড়ী বাজার-মহিপুর-গাবতলী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সড়কের নির্মাণকাজে এ অনিয়ম করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, পুরোনো ও নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করায় সড়কটির স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ধীরগতিতে কাজ চলায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তাঁরা।
সরেজমিন পরিদর্শনে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা যায়। তাদের অভিযোগ, সড়কের বিভিন্ন অংশে মাটিমিশ্রিত ইটের খোয়া ও পুরোনো ভাঙা ইটের খোয়া দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মকবুল হোসেন বলেন, ‘মাটি মেশানো খোয়া দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। যেভাবে কাজ হচ্ছে, তাতে রাস্তাটি বেশি দিন টিকবে না। আগের খারাপ ইটের কিছু অংশও এখানে ব্যবহার করা হয়েছে।’
আরেক বাসিন্দা মো. রাফি বলেন, সড়কে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার করা হলে রাস্তাটি টেকসই হতো। এছাড়া কাজের গতিও বেশ ধীর, যার কারণে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অভিযোগ ওঠার পর কিছু জায়গায় নতুন করে কাজ করা হলেও মহিপুর বাজার অংশে এখনো নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে।’
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ইমপ্রুভমেন্ট অব রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট (আইআরআইডব্লিউপি) প্রকল্পের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রকল্পটি নেওয়া হয়। কাজটির প্রাক্কলিত ব্যয় ৬৯ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫৪ টাকা এবং চুক্তিমূল্য ৬৬ লাখ ৪৮ হাজার ৮১৬ টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রিফাত ট্রেডার্স কাজটি বাস্তবায়ন করছে। চলতি বছরের ১০ জুন কাজ শুরু হয় এবং আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যেসব স্থানে সমস্যা ছিল, তা সংশোধন করা হয়েছে এবং সড়কের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। শেরপুর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় ৬৬ লাখ টাকার বেশি ব্যয়ে একটি সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইটের খোয়া ও মাটিমিশ্রিত উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার গাবতলী ইউনিয়নের গোসাইবাড়ী বাজার-মহিপুর-গাবতলী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সড়কের নির্মাণকাজে এ অনিয়ম করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, পুরোনো ও নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করায় সড়কটির স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ধীরগতিতে কাজ চলায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তাঁরা।
সরেজমিন পরিদর্শনে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা যায়। তাদের অভিযোগ, সড়কের বিভিন্ন অংশে মাটিমিশ্রিত ইটের খোয়া ও পুরোনো ভাঙা ইটের খোয়া দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মকবুল হোসেন বলেন, ‘মাটি মেশানো খোয়া দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। যেভাবে কাজ হচ্ছে, তাতে রাস্তাটি বেশি দিন টিকবে না। আগের খারাপ ইটের কিছু অংশও এখানে ব্যবহার করা হয়েছে।’
আরেক বাসিন্দা মো. রাফি বলেন, সড়কে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার করা হলে রাস্তাটি টেকসই হতো। এছাড়া কাজের গতিও বেশ ধীর, যার কারণে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অভিযোগ ওঠার পর কিছু জায়গায় নতুন করে কাজ করা হলেও মহিপুর বাজার অংশে এখনো নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে।’
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ইমপ্রুভমেন্ট অব রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট (আইআরআইডব্লিউপি) প্রকল্পের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রকল্পটি নেওয়া হয়। কাজটির প্রাক্কলিত ব্যয় ৬৯ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫৪ টাকা এবং চুক্তিমূল্য ৬৬ লাখ ৪৮ হাজার ৮১৬ টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রিফাত ট্রেডার্স কাজটি বাস্তবায়ন করছে। চলতি বছরের ১০ জুন কাজ শুরু হয় এবং আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যেসব স্থানে সমস্যা ছিল, তা সংশোধন করা হয়েছে এবং সড়কের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। শেরপুর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন