সংবাদ

অসম বন্ধুত্বই কাল হয়েছে অপ্রতিমের


প্রতিনিধি, কুমিল্লা
প্রতিনিধি, কুমিল্লা
প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম

অসম বন্ধুত্বই কাল হয়েছে অপ্রতিমের
অপ্রতিম হত্যায় জড়িত তিনজন।

কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে (১৩) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে, বয়সে বড় ও বখাটে তথাকথিত ‘বন্ধুদের’ সঙ্গেই বেরিয়েছিল সে। আর সেই অসম বন্ধুত্বই কাল হয়েছে অপ্রতিমের। শুধু একটি আইফোনের লোভে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয় তাকে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ২টায় কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান।

পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার দিন আনুমানিক বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সানন্দা নামক স্থানে চারপাশে পাহাড়ঘেরা নির্জন বনের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয় অপ্রতিমকে। সেখানে তার হাতে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে অপ্রতিম তাদের বাধা দেয়।

একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এ সময় প্রথমে তুহিন এবং পরবর্তীতে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করে। একপর্যায়ে অপ্রতিমের মৃত্যু নিশ্চিত হলে তুহিন তার ফোনটি নিয়ে ফাহাদ ও কামরুলসহ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

এসপি জানান, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ রাতদিন এক করে কাজ করছে। মূলত নিখোঁজের পর তার বাবার করা জিডির সূত্র ধরেই পুলিশ তদন্তে নামে। এ ঘটনায় সিয়াম নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে গিয়ে কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। রাত পর্যন্ত বাসায় না ফেরায় তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন সানন্দা গ্রামের ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার পেশায় একজন ব্যবসায়ী। অপ্রতিম কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকায় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তুহিন নামে একজনকে প্রথমে আটক করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ ও মো. কামরুল হাসানকে আটক করা হয়। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি এই তিনজনই জড়িত ছিলেন। পরে সিয়াম নামের আরও একজনকে আটক করা হয়। ঘটনার সঙ্গে সিয়ামের সম্পৃক্ততা কতটুকু, তা যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনায় শনিবার মধ্যরাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তুহিন, ফাহাদ ও কামরুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেছেন, “তাদের মধ্যে অসম বন্ধুত্ব ছিল। অর্থাৎ অপ্রতিম ক্লাস সেভেনে পড়ত, কিন্তু যারা তার বন্ধু তারা তার সহপাঠী ছিল না। এরা বয়সে তার চেয়ে বড় ছিল এবং বখাটে ছিল।”

এ তথ্য সামনে আসার পর বড় প্রশ্ন উঠেছে—একজন ১৩ বছরের শিশুর সঙ্গে ১৯ বছরের তরুণদের বন্ধুত্ব কীভাবে হলো? অভিভাবকদের অজান্তে সে কেন বেরিয়ে পড়ল? কে বা কারা এই বন্ধুত্বের সুযোগ নিল?

তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, অপ্রতিমের বয়স যেখানে ১৩, সেখানে তার বন্ধুত্ব হয়েছে ১৯ বছর বয়সী তুহিন এবং ১৫ বছর বয়সী দুই কিশোরের সঙ্গে। তারা অপ্রতিমের থেকে বয়সে অনেক বড় ছিল, পাশাপাশি বখাটে ছিল। এদের সঙ্গে অপ্রতিমের বন্ধুত্বের বিষয়টি অভিভাবকরা জানতেন কি না, সেটিও তদন্তে দেখা হচ্ছে।

রোববার সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় এলাকাবাসীসহ মানুষের ঢল নামে। পরে সেখান থেকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কোটবাড়ি গন্ধমতি ঈদগাঁও মাঠে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাড়ির পাশের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

অপরদিকে, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং বিচার নিশ্চিতের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় সকাল সাড়ে ১১টায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে দুপুর ১টায় তারা চার দফা দাবি জানিয়ে মহাসড়ক ছেড়ে দেন।

তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—অপ্রতিম হত্যার সঙ্গে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করে ৬০ দিনের মধ্যে বিচার কার্যক্রম নিষ্পত্তি এবং ফাঁসির রায় কার্যকর করা; পুলিশের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে কুমিল্লার পুলিশ সুপার, আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করা। 

আরও দাবির মধ্যে রয়েছে, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা। প্রয়োজনে সাঙ্গীনির পুলিশ ফাঁড়ি কুবির পাশে স্থানান্তর করা; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া, কুবি এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত ও উদ্ধারে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর বিশেষ ইউনিট গঠন করা।

পুলিশ সুপার বলেন, “আমরা ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করেছি। মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। এবং যে আইফোনটির কারণে হত্যাকাণ্ড, সেই আইফোনটিও আমরা আসামি তুহিনের দেখানো মতে তার বাসা থেকে উদ্ধার করেছি।”


আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


অসম বন্ধুত্বই কাল হয়েছে অপ্রতিমের

প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে (১৩) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে, বয়সে বড় ও বখাটে তথাকথিত ‘বন্ধুদের’ সঙ্গেই বেরিয়েছিল সে। আর সেই অসম বন্ধুত্বই কাল হয়েছে অপ্রতিমের। শুধু একটি আইফোনের লোভে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয় তাকে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ২টায় কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান।

পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার দিন আনুমানিক বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সানন্দা নামক স্থানে চারপাশে পাহাড়ঘেরা নির্জন বনের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয় অপ্রতিমকে। সেখানে তার হাতে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে অপ্রতিম তাদের বাধা দেয়।

একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এ সময় প্রথমে তুহিন এবং পরবর্তীতে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করে। একপর্যায়ে অপ্রতিমের মৃত্যু নিশ্চিত হলে তুহিন তার ফোনটি নিয়ে ফাহাদ ও কামরুলসহ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

এসপি জানান, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ রাতদিন এক করে কাজ করছে। মূলত নিখোঁজের পর তার বাবার করা জিডির সূত্র ধরেই পুলিশ তদন্তে নামে। এ ঘটনায় সিয়াম নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে গিয়ে কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। রাত পর্যন্ত বাসায় না ফেরায় তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন সানন্দা গ্রামের ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার পেশায় একজন ব্যবসায়ী। অপ্রতিম কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকায় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তুহিন নামে একজনকে প্রথমে আটক করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ ও মো. কামরুল হাসানকে আটক করা হয়। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি এই তিনজনই জড়িত ছিলেন। পরে সিয়াম নামের আরও একজনকে আটক করা হয়। ঘটনার সঙ্গে সিয়ামের সম্পৃক্ততা কতটুকু, তা যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনায় শনিবার মধ্যরাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তুহিন, ফাহাদ ও কামরুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেছেন, “তাদের মধ্যে অসম বন্ধুত্ব ছিল। অর্থাৎ অপ্রতিম ক্লাস সেভেনে পড়ত, কিন্তু যারা তার বন্ধু তারা তার সহপাঠী ছিল না। এরা বয়সে তার চেয়ে বড় ছিল এবং বখাটে ছিল।”

এ তথ্য সামনে আসার পর বড় প্রশ্ন উঠেছে—একজন ১৩ বছরের শিশুর সঙ্গে ১৯ বছরের তরুণদের বন্ধুত্ব কীভাবে হলো? অভিভাবকদের অজান্তে সে কেন বেরিয়ে পড়ল? কে বা কারা এই বন্ধুত্বের সুযোগ নিল?

তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, অপ্রতিমের বয়স যেখানে ১৩, সেখানে তার বন্ধুত্ব হয়েছে ১৯ বছর বয়সী তুহিন এবং ১৫ বছর বয়সী দুই কিশোরের সঙ্গে। তারা অপ্রতিমের থেকে বয়সে অনেক বড় ছিল, পাশাপাশি বখাটে ছিল। এদের সঙ্গে অপ্রতিমের বন্ধুত্বের বিষয়টি অভিভাবকরা জানতেন কি না, সেটিও তদন্তে দেখা হচ্ছে।

রোববার সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় এলাকাবাসীসহ মানুষের ঢল নামে। পরে সেখান থেকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কোটবাড়ি গন্ধমতি ঈদগাঁও মাঠে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাড়ির পাশের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

অপরদিকে, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং বিচার নিশ্চিতের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় সকাল সাড়ে ১১টায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে দুপুর ১টায় তারা চার দফা দাবি জানিয়ে মহাসড়ক ছেড়ে দেন।

তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—অপ্রতিম হত্যার সঙ্গে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করে ৬০ দিনের মধ্যে বিচার কার্যক্রম নিষ্পত্তি এবং ফাঁসির রায় কার্যকর করা; পুলিশের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে কুমিল্লার পুলিশ সুপার, আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করা। 

আরও দাবির মধ্যে রয়েছে, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা। প্রয়োজনে সাঙ্গীনির পুলিশ ফাঁড়ি কুবির পাশে স্থানান্তর করা; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া, কুবি এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত ও উদ্ধারে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর বিশেষ ইউনিট গঠন করা।

পুলিশ সুপার বলেন, “আমরা ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করেছি। মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। এবং যে আইফোনটির কারণে হত্যাকাণ্ড, সেই আইফোনটিও আমরা আসামি তুহিনের দেখানো মতে তার বাসা থেকে উদ্ধার করেছি।”



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত