সংবাদ

আজ বিশ্ব অ্যালঝাইমার্স দিবস, জানুন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০২ পিএম

আজ বিশ্ব অ্যালঝাইমার্স দিবস, জানুন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

আজ ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ব অ্যালঝাইমার্স দিবস অ্যালঝাইমার্স ডিমেনশিয়া সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো, প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তি পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই প্রতিবছর দিনটি পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য—‘যত জলদি জানবেন, তত বেশি করতে পারবেন, ডিমেনশিয়ার রোগ নির্ণয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

বয়স বাড়ার সঙ্গে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়লেও স্মৃতিভ্রংশকে অনেক সময় স্বাভাবিক বার্ধক্যের অংশ হিসেবে দেখা হয়। অথচ অ্যালঝাইমার্স একটি জটিল স্নায়বিক রোগ, যা ধীরে ধীরে স্মৃতি, চিন্তা দৈনন্দিন কাজের সক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

৬৫ বছরের পর ঝুঁকি বেশি

১৯০৬ সালে জার্মান মনোচিকিৎসক অ্যালয়েস অ্যালঝাইমার্স প্রথম রোগটির বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেন। তাঁর নাম অনুসারেই পরে রোগটির নাম হয় অ্যালঝাইমার্স।

সাধারণত ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে রোগের ঝুঁকি বেশি। তবে এর আগেও রোগের সূত্রপাত হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির স্মৃতি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং পরবর্তী পর্যায়ে পরিচিত মানুষ, এমনকি পরিবারের সদস্যদের চিনতেও সমস্যা হতে পারে।

জেনেটিক কারণগুলোর মধ্যে APOE4 একটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি-সম্পর্কিত জিনগত রূপ। একজন ব্যক্তি মা-বাবার কাছ থেকে একটি করে APOE জিন পান। APOE4-এর এক বা দুটি কপি থাকলে অ্যালঝাইমার্সের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে জিনটির উপস্থিতি মানেই যে ওই ব্যক্তি অবশ্যই রোগটিতে আক্রান্ত হবেন, তা নয়।

বাংলাদেশে বাড়ছে উদ্বেগ

দেশে বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ স্মৃতিলোপের এই সমস্যায় আক্রান্ত বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। জনসংখ্যার গড় আয়ু বাড়ার সঙ্গে প্রবীণ মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। ফলে ভবিষ্যতে ডিমেনশিয়ার রোগীর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১২ শতাংশের বয়স ৬০ বছরের বেশি হওয়ার কথা ছিল। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ২৪ লাখে পৌঁছাতে পারে।

জাতীয় কর্মপরিকল্পনার ঘাটতি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৭ সালে ডিমেনশিয়া মোকাবিলায় সদস্য দেশগুলোকে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছিল। বাংলাদেশসহ ৬২টি দেশ সে সময় বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও দেশে এখনো ডিমেনশিয়া প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনায় পূর্ণাঙ্গ জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়নি।

গবেষণার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে। ২০১৭ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ডিমেনশিয়া নিয়ে গবেষণার পরিমাণ বাড়ানোর লক্ষ্য থাকলেও দেশে বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বিশ্বজুড়েও বাড়ছে রোগীর সংখ্যা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে প্রায় কোটি ৫৫ লাখ মানুষ ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা প্রায় কোটি ৮০ লাখে পৌঁছাতে পারে। প্রতিবছর ডিমেনশিয়ার কারণে প্রায় ১৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। রোগের কারণে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য সামাজিক ব্যয়ের পরিমাণও বিপুল।

পরিবারেও পড়ে বড় প্রভাব

অ্যালঝাইমার্স সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি জেনারেল আজিজুল হক বলেন, ডিমেনশিয়া মোকাবিলায় সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। রোগীর আইনি সুরক্ষা, পুনর্বাসন এবং বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন বিষয়ে একটি কর্মকৌশল প্রণয়ন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তাঁর মতে, ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির দীর্ঘ সময় ধরে যত্নের প্রয়োজন হয়। ফলে শুধু রোগী নয়, পরিবারের সদস্যরাও আর্থিক, মানসিক সামাজিক চাপের মধ্যে পড়েন।

সব ধরনের ডিমেনশিয়া একই নয়

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের সহকারী অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবীর হিমুর ভাষ্য, অ্যালঝাইমার্স একটি নিউরোলজিক্যাল রোগ। এতে মস্তিষ্কের কোষে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন ঘটে এবং ধীরে ধীরে স্মৃতিক্ষয়, কথা বলার সমস্যা, মানসিক অবসাদ আচরণগত পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

তবে সব ধরনের ডিমেনশিয়ার কারণ চিকিৎসা এক নয়। হরমোনের সমস্যা, কিছু ভিটামিনের ঘাটতি, মাদকাসক্তি বা বিষণ্নতার মতো কিছু অবস্থার কারণে স্মৃতির সমস্যা হলে মূল কারণের চিকিৎসায় উন্নতি সম্ভব হতে পারে। তাই স্মৃতির পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

জীবনযাপনে সতর্কতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ড মস্তিষ্কের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। শাকসবজি, মাছ বাদামসহ পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, ধূমপান অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে চলা এবং ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকও মনে করেন, অ্যালঝাইমার্সের প্রভাব শুধু রোগীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাই চিকিৎসার পাশাপাশি পরিবারকে সহায়তা, সামাজিক সচেতনতা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যার ব্যবস্থা প্রয়োজন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ডিমেনশিয়া প্রতিরোধে কর্মকৌশল জাতীয় নীতিমালা তৈরির কাজ চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আজ বিশ্ব অ্যালঝাইমার্স দিবস, জানুন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

আজ ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ব অ্যালঝাইমার্স দিবস অ্যালঝাইমার্স ডিমেনশিয়া সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো, প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তি পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই প্রতিবছর দিনটি পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য—‘যত জলদি জানবেন, তত বেশি করতে পারবেন, ডিমেনশিয়ার রোগ নির্ণয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

বয়স বাড়ার সঙ্গে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়লেও স্মৃতিভ্রংশকে অনেক সময় স্বাভাবিক বার্ধক্যের অংশ হিসেবে দেখা হয়। অথচ অ্যালঝাইমার্স একটি জটিল স্নায়বিক রোগ, যা ধীরে ধীরে স্মৃতি, চিন্তা দৈনন্দিন কাজের সক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

৬৫ বছরের পর ঝুঁকি বেশি

১৯০৬ সালে জার্মান মনোচিকিৎসক অ্যালয়েস অ্যালঝাইমার্স প্রথম রোগটির বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেন। তাঁর নাম অনুসারেই পরে রোগটির নাম হয় অ্যালঝাইমার্স।

সাধারণত ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে রোগের ঝুঁকি বেশি। তবে এর আগেও রোগের সূত্রপাত হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির স্মৃতি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং পরবর্তী পর্যায়ে পরিচিত মানুষ, এমনকি পরিবারের সদস্যদের চিনতেও সমস্যা হতে পারে।

জেনেটিক কারণগুলোর মধ্যে APOE4 একটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি-সম্পর্কিত জিনগত রূপ। একজন ব্যক্তি মা-বাবার কাছ থেকে একটি করে APOE জিন পান। APOE4-এর এক বা দুটি কপি থাকলে অ্যালঝাইমার্সের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে জিনটির উপস্থিতি মানেই যে ওই ব্যক্তি অবশ্যই রোগটিতে আক্রান্ত হবেন, তা নয়।

বাংলাদেশে বাড়ছে উদ্বেগ

দেশে বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ স্মৃতিলোপের এই সমস্যায় আক্রান্ত বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। জনসংখ্যার গড় আয়ু বাড়ার সঙ্গে প্রবীণ মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। ফলে ভবিষ্যতে ডিমেনশিয়ার রোগীর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১২ শতাংশের বয়স ৬০ বছরের বেশি হওয়ার কথা ছিল। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ২৪ লাখে পৌঁছাতে পারে।

জাতীয় কর্মপরিকল্পনার ঘাটতি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৭ সালে ডিমেনশিয়া মোকাবিলায় সদস্য দেশগুলোকে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছিল। বাংলাদেশসহ ৬২টি দেশ সে সময় বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও দেশে এখনো ডিমেনশিয়া প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনায় পূর্ণাঙ্গ জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়নি।

গবেষণার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে। ২০১৭ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ডিমেনশিয়া নিয়ে গবেষণার পরিমাণ বাড়ানোর লক্ষ্য থাকলেও দেশে বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বিশ্বজুড়েও বাড়ছে রোগীর সংখ্যা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে প্রায় কোটি ৫৫ লাখ মানুষ ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা প্রায় কোটি ৮০ লাখে পৌঁছাতে পারে। প্রতিবছর ডিমেনশিয়ার কারণে প্রায় ১৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। রোগের কারণে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য সামাজিক ব্যয়ের পরিমাণও বিপুল।

পরিবারেও পড়ে বড় প্রভাব

অ্যালঝাইমার্স সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি জেনারেল আজিজুল হক বলেন, ডিমেনশিয়া মোকাবিলায় সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। রোগীর আইনি সুরক্ষা, পুনর্বাসন এবং বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন বিষয়ে একটি কর্মকৌশল প্রণয়ন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তাঁর মতে, ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির দীর্ঘ সময় ধরে যত্নের প্রয়োজন হয়। ফলে শুধু রোগী নয়, পরিবারের সদস্যরাও আর্থিক, মানসিক সামাজিক চাপের মধ্যে পড়েন।

সব ধরনের ডিমেনশিয়া একই নয়

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের সহকারী অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবীর হিমুর ভাষ্য, অ্যালঝাইমার্স একটি নিউরোলজিক্যাল রোগ। এতে মস্তিষ্কের কোষে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন ঘটে এবং ধীরে ধীরে স্মৃতিক্ষয়, কথা বলার সমস্যা, মানসিক অবসাদ আচরণগত পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

তবে সব ধরনের ডিমেনশিয়ার কারণ চিকিৎসা এক নয়। হরমোনের সমস্যা, কিছু ভিটামিনের ঘাটতি, মাদকাসক্তি বা বিষণ্নতার মতো কিছু অবস্থার কারণে স্মৃতির সমস্যা হলে মূল কারণের চিকিৎসায় উন্নতি সম্ভব হতে পারে। তাই স্মৃতির পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

জীবনযাপনে সতর্কতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ড মস্তিষ্কের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। শাকসবজি, মাছ বাদামসহ পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, ধূমপান অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে চলা এবং ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকও মনে করেন, অ্যালঝাইমার্সের প্রভাব শুধু রোগীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাই চিকিৎসার পাশাপাশি পরিবারকে সহায়তা, সামাজিক সচেতনতা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যার ব্যবস্থা প্রয়োজন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ডিমেনশিয়া প্রতিরোধে কর্মকৌশল জাতীয় নীতিমালা তৈরির কাজ চলমান রয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত