দীর্ঘ ১০ মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে আবারও পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে ৮৩৬ জন পর্যটক নিয়ে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা করে ‘এমভি বার আউলিয়া’।
সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে জাহাজটি সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর এই রুটে পুনরায় জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় পর্যটকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ করা গেছে।
সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানান, এবারের পর্যটন মৌসুমে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে প্রথম দিন শুধু ‘এমভি বার আউলিয়া’ যাত্রা শুরু করেছে।
স্কোয়াব সম্পাদক আরও জানান, আগামীকাল শুক্রবার থেকে ‘এমভি কর্ণফুলি’ ও ‘এমভি টেকনাফ’ জাহাজ দুটিও পর্যটক পরিবহন শুরু করবে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান বলেন, আগে থেকেই যারা টিকিট সংগ্রহ করেছিলেন, পর্যটকদের সেই বিষয়টি বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার একটি জাহাজ চলাচলের বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রশাসনের নানা বিধিনিষেধের কারণে দীর্ঘদিন এই রুটে পর্যটকবাহী জলযান চলাচল বন্ধ ছিল। নতুন শর্ত ও ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে এই মৌসুমে পর্যটকদের জন্য প্রবাল দ্বীপের দ্বার উন্মুক্ত হলো।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
দীর্ঘ ১০ মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে আবারও পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে ৮৩৬ জন পর্যটক নিয়ে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা করে ‘এমভি বার আউলিয়া’।
সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে জাহাজটি সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর এই রুটে পুনরায় জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় পর্যটকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ করা গেছে।
সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানান, এবারের পর্যটন মৌসুমে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে প্রথম দিন শুধু ‘এমভি বার আউলিয়া’ যাত্রা শুরু করেছে।
স্কোয়াব সম্পাদক আরও জানান, আগামীকাল শুক্রবার থেকে ‘এমভি কর্ণফুলি’ ও ‘এমভি টেকনাফ’ জাহাজ দুটিও পর্যটক পরিবহন শুরু করবে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান বলেন, আগে থেকেই যারা টিকিট সংগ্রহ করেছিলেন, পর্যটকদের সেই বিষয়টি বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার একটি জাহাজ চলাচলের বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রশাসনের নানা বিধিনিষেধের কারণে দীর্ঘদিন এই রুটে পর্যটকবাহী জলযান চলাচল বন্ধ ছিল। নতুন শর্ত ও ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে এই মৌসুমে পর্যটকদের জন্য প্রবাল দ্বীপের দ্বার উন্মুক্ত হলো।

আপনার মতামত লিখুন