টাঙ্গাইলের সখিপুরে প্রেমের সম্পর্কের জেরে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার পর ফিরে আসা এক কিশোরীকে উদ্ধারের দাবি জানিয়ে এক তরুণের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করা হয়েছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে আসার পর কিশোরীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত তরুণ রিফাত ওরফে রিহাতকে (১৮) গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সখিপুরের একটি স্কুলের নবম শ্রেণির এক কিশোরীর সঙ্গে এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রিফাতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১৪ সেপ্টেম্বর তারা বাড়ি থেকে চলে যান এবং টাঙ্গাইল আদালতে গিয়ে বিয়ে করেন। পরবর্তীতে পরিবারের যোগাযোগের প্রেক্ষিতে ২১ সেপ্টেম্বর সখিপুরে ফিরে এলে পুলিশ তাদের নিজেদের হেফাজতে নেয়।
স্থানীয়দের মতে, দুজনে স্বেচ্ছায় পালিয়ে বিয়ে করলেও কিশোরী অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় শেষ পর্যন্ত কিশোরীর পরিবার মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়। অন্যদিকে, অভিযুক্ত তরুণের বাবার দাবি, স্থানীয় নেতাদের অন্যায্য আর্থিক দাবি না মানায় বিষয়টি আপসে সমাধান না হয়ে মামলায় গড়িয়েছে।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন জানান, কিশোরী অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অপহরণ মামলা রুজু করে আসামি তরুণকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টাঙ্গাইলের সখিপুরে প্রেমের সম্পর্কের জেরে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার পর ফিরে আসা এক কিশোরীকে উদ্ধারের দাবি জানিয়ে এক তরুণের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করা হয়েছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে আসার পর কিশোরীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত তরুণ রিফাত ওরফে রিহাতকে (১৮) গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সখিপুরের একটি স্কুলের নবম শ্রেণির এক কিশোরীর সঙ্গে এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রিফাতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১৪ সেপ্টেম্বর তারা বাড়ি থেকে চলে যান এবং টাঙ্গাইল আদালতে গিয়ে বিয়ে করেন। পরবর্তীতে পরিবারের যোগাযোগের প্রেক্ষিতে ২১ সেপ্টেম্বর সখিপুরে ফিরে এলে পুলিশ তাদের নিজেদের হেফাজতে নেয়।
স্থানীয়দের মতে, দুজনে স্বেচ্ছায় পালিয়ে বিয়ে করলেও কিশোরী অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় শেষ পর্যন্ত কিশোরীর পরিবার মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়। অন্যদিকে, অভিযুক্ত তরুণের বাবার দাবি, স্থানীয় নেতাদের অন্যায্য আর্থিক দাবি না মানায় বিষয়টি আপসে সমাধান না হয়ে মামলায় গড়িয়েছে।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন জানান, কিশোরী অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অপহরণ মামলা রুজু করে আসামি তরুণকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন